ফ্যাসিবাদী শাসনামলে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে দায়ের করা বহু মামলা আজও দেশের বিভিন্ন আদালতে বিচারাধীন মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় পাঠাগার সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম।
মঙ্গলবার ঢাকা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলায় হাজিরা শেষে সাংবাদিকদের নিকট এসব কথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, অসংখ্য মানুষকে বছরের পর বছর নিয়মিত আদালতে হাজিরা দিতে হচ্ছে। দীর্ঘসূত্রতার কারণে এসব মামলার ভুক্তভোগীরা মানসিক চাপ, আর্থিক ক্ষতি এবং সামাজিক ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। বর্তমান পরিস্থিতিতে এসব হয়রানিমূলক মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি ও প্রত্যাহার সময়ের দাবি।
নিজেও এসব মামলার ভুক্তভোগী উল্লেখ করে তিনি বলেন,২০১৯ সালের ১১ মার্চ ডাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার পর ১২ মার্চ ছাত্রদলের আহূত ছাত্র ধর্মঘটের দিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকায় ছাত্রলীগের হামলায় আমি রক্তাক্ত হই। অথচ হামলার শিকার হওয়া সত্ত্বেও উল্টো ছাত্রলীগ বাদী হয়ে আমারসহ চারজনের বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় মামলা দায়ের করে।
এছাড়া ফ্যাসিবাদী শেখ হাসিনা সরকারের আমলে বিরোধী রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থাকার কারণে আমাকে গাড়ি ভাঙচুর ও বিস্ফোরক আইনের অভিযোগে আরও দুটি মামলায় এজাহারভুক্ত আসামি করা হয়। যদিও ওই দুটি মামলার কার্যক্রম শেষ হয়েছে, কিন্তু ডাকসু-সংশ্লিষ্ট মামলায় আজও আমাকে নিয়মিত আদালতে হাজিরা দিতে হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।
রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণেই এসব মামলা আমার বিরুদ্ধে দায়ের করা হয়েছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামে অংশ নিতে গিয়ে আমি ১০ বার হামলার শিকার হয়েছি এবং ৪ বার রক্তাক্ত হয়েছি। সর্বশেষ জুলাই গণঅভ্যুত্থানেও আমি সম্মুখসারির একজন কর্মী হিসেবে অংশগ্রহণ করেছি। গত ১৭ বছরে আমাদের অসংখ্য সহযোদ্ধা হত্যাকাণ্ড, গুম, হামলা এবং গায়েবি ও মিথ্যা মামলার শিকার হয়েছেন।
এসব মামলা প্রত্যাহারে সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করে তিনি বলেন, বর্তমান সরকার ইতোমধ্যে কিছু রাজনৈতিক ও হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহার করেছে, যা ইতিবাচক উদ্যোগ। আমি সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি বিনীতভাবে আহ্বান জানাচ্ছি, ফ্যাসিবাদী আমলে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে দায়ের করা হয়রানিমূলক ও মিথ্যা মামলাগুলো দ্রুত প্রত্যাহারের কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা হোক, যাতে নিরপরাধ মানুষ দীর্ঘদিনের এই আইনি ও মানবিক দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পান।

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুলাই ২০২৬
ফ্যাসিবাদী শাসনামলে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে দায়ের করা বহু মামলা আজও দেশের বিভিন্ন আদালতে বিচারাধীন মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় পাঠাগার সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম।
মঙ্গলবার ঢাকা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলায় হাজিরা শেষে সাংবাদিকদের নিকট এসব কথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, অসংখ্য মানুষকে বছরের পর বছর নিয়মিত আদালতে হাজিরা দিতে হচ্ছে। দীর্ঘসূত্রতার কারণে এসব মামলার ভুক্তভোগীরা মানসিক চাপ, আর্থিক ক্ষতি এবং সামাজিক ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। বর্তমান পরিস্থিতিতে এসব হয়রানিমূলক মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি ও প্রত্যাহার সময়ের দাবি।
নিজেও এসব মামলার ভুক্তভোগী উল্লেখ করে তিনি বলেন,২০১৯ সালের ১১ মার্চ ডাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার পর ১২ মার্চ ছাত্রদলের আহূত ছাত্র ধর্মঘটের দিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকায় ছাত্রলীগের হামলায় আমি রক্তাক্ত হই। অথচ হামলার শিকার হওয়া সত্ত্বেও উল্টো ছাত্রলীগ বাদী হয়ে আমারসহ চারজনের বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় মামলা দায়ের করে।
এছাড়া ফ্যাসিবাদী শেখ হাসিনা সরকারের আমলে বিরোধী রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থাকার কারণে আমাকে গাড়ি ভাঙচুর ও বিস্ফোরক আইনের অভিযোগে আরও দুটি মামলায় এজাহারভুক্ত আসামি করা হয়। যদিও ওই দুটি মামলার কার্যক্রম শেষ হয়েছে, কিন্তু ডাকসু-সংশ্লিষ্ট মামলায় আজও আমাকে নিয়মিত আদালতে হাজিরা দিতে হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।
রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণেই এসব মামলা আমার বিরুদ্ধে দায়ের করা হয়েছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামে অংশ নিতে গিয়ে আমি ১০ বার হামলার শিকার হয়েছি এবং ৪ বার রক্তাক্ত হয়েছি। সর্বশেষ জুলাই গণঅভ্যুত্থানেও আমি সম্মুখসারির একজন কর্মী হিসেবে অংশগ্রহণ করেছি। গত ১৭ বছরে আমাদের অসংখ্য সহযোদ্ধা হত্যাকাণ্ড, গুম, হামলা এবং গায়েবি ও মিথ্যা মামলার শিকার হয়েছেন।
এসব মামলা প্রত্যাহারে সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করে তিনি বলেন, বর্তমান সরকার ইতোমধ্যে কিছু রাজনৈতিক ও হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহার করেছে, যা ইতিবাচক উদ্যোগ। আমি সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি বিনীতভাবে আহ্বান জানাচ্ছি, ফ্যাসিবাদী আমলে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে দায়ের করা হয়রানিমূলক ও মিথ্যা মামলাগুলো দ্রুত প্রত্যাহারের কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা হোক, যাতে নিরপরাধ মানুষ দীর্ঘদিনের এই আইনি ও মানবিক দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পান।

আপনার মতামত লিখুন