ডারউইনে শুরু হয়েছে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার টেস্ট সিরিজ। আর এই ম্যাচ দিয়েই বাংলাদেশের ক্রিকেটে নতুন একটি মাইলফলক গড়েছেন মুশফিকুর রহিম। অন্তত ১০০ টেস্ট খেলা ক্রিকেটারদের মধ্যে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট খেলার সুযোগ পেয়েছেন তিনি।
একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সবচেয়ে বেশি খেলোয়াড়ের সঙ্গে মাঠ ভাগাভাগি করার দিক থেকেও সাকিব আল হাসানকে ছাড়িয়ে গেছেন মুশফিক। ডারউইন টেস্টের আগে ১ হাজার ৭৩ জন ক্রিকেটারের সঙ্গে আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা ছিল তার। অস্ট্রেলিয়ার জেক ওয়েদারাল্ড, ক্যামেরন গ্রিন ও বিউ ওয়েবস্টারের বিপক্ষে প্রথমবার মাঠে নামায় সংখ্যাটি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৭৬ জনে।
অন্যদিকে সাকিব আল হাসান আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে মোট ১ হাজার ৭৫ জন ক্রিকেটারের সঙ্গে খেলেছেন। ফলে বাংলাদেশিদের মধ্যে এই তালিকায় এখন শীর্ষে মুশফিক।
ডারউইন টেস্টের প্রথম দিনেই নতুন তালিকায় যুক্ত হওয়া ক্যামেরন গ্রিনকে আউট করতেও ভূমিকা রেখেছেন মুশফিক। তাসকিন আহমেদের বলে গ্রিনের ক্যাচটি তালুবন্দি করেন তিনি।
এশিয়ার ক্রিকেটারদের মধ্যেও সবচেয়ে বেশি খেলোয়াড়ের সঙ্গে আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার রেকর্ড এখন মুশফিকের। তার পরেই রয়েছেন সাকিব আল হাসান। ভারতীয় কিংবদন্তি শচীন টেন্ডুলকার ২২ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে ৯৮৯ জন ক্রিকেটারের সঙ্গে খেলেছেন।
তবে বিশ্ব ক্রিকেটে সবচেয়ে বেশি ক্রিকেটারের সঙ্গে আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার রেকর্ড রয়েছে আয়ারল্যান্ডের পল স্টার্লিংয়ের। তার সঙ্গে খেলা ক্রিকেটারের সংখ্যা ১ হাজার ১০০ ছাড়িয়েছে।
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে মুশফিকের সামনে আরও একটি বড় মাইলফলক অপেক্ষা করছে। সিরিজে আরও ১৯৪ রান করতে পারলে বাংলাদেশের প্রথম ব্যাটার হিসেবে টেস্ট ক্রিকেটে ৭ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করবেন তিনি।
বিষয় : মুশফিক

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ আগস্ট ২০২৬
ডারউইনে শুরু হয়েছে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার টেস্ট সিরিজ। আর এই ম্যাচ দিয়েই বাংলাদেশের ক্রিকেটে নতুন একটি মাইলফলক গড়েছেন মুশফিকুর রহিম। অন্তত ১০০ টেস্ট খেলা ক্রিকেটারদের মধ্যে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট খেলার সুযোগ পেয়েছেন তিনি।
একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সবচেয়ে বেশি খেলোয়াড়ের সঙ্গে মাঠ ভাগাভাগি করার দিক থেকেও সাকিব আল হাসানকে ছাড়িয়ে গেছেন মুশফিক। ডারউইন টেস্টের আগে ১ হাজার ৭৩ জন ক্রিকেটারের সঙ্গে আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা ছিল তার। অস্ট্রেলিয়ার জেক ওয়েদারাল্ড, ক্যামেরন গ্রিন ও বিউ ওয়েবস্টারের বিপক্ষে প্রথমবার মাঠে নামায় সংখ্যাটি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৭৬ জনে।
অন্যদিকে সাকিব আল হাসান আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে মোট ১ হাজার ৭৫ জন ক্রিকেটারের সঙ্গে খেলেছেন। ফলে বাংলাদেশিদের মধ্যে এই তালিকায় এখন শীর্ষে মুশফিক।
ডারউইন টেস্টের প্রথম দিনেই নতুন তালিকায় যুক্ত হওয়া ক্যামেরন গ্রিনকে আউট করতেও ভূমিকা রেখেছেন মুশফিক। তাসকিন আহমেদের বলে গ্রিনের ক্যাচটি তালুবন্দি করেন তিনি।
এশিয়ার ক্রিকেটারদের মধ্যেও সবচেয়ে বেশি খেলোয়াড়ের সঙ্গে আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার রেকর্ড এখন মুশফিকের। তার পরেই রয়েছেন সাকিব আল হাসান। ভারতীয় কিংবদন্তি শচীন টেন্ডুলকার ২২ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে ৯৮৯ জন ক্রিকেটারের সঙ্গে খেলেছেন।
তবে বিশ্ব ক্রিকেটে সবচেয়ে বেশি ক্রিকেটারের সঙ্গে আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার রেকর্ড রয়েছে আয়ারল্যান্ডের পল স্টার্লিংয়ের। তার সঙ্গে খেলা ক্রিকেটারের সংখ্যা ১ হাজার ১০০ ছাড়িয়েছে।
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে মুশফিকের সামনে আরও একটি বড় মাইলফলক অপেক্ষা করছে। সিরিজে আরও ১৯৪ রান করতে পারলে বাংলাদেশের প্রথম ব্যাটার হিসেবে টেস্ট ক্রিকেটে ৭ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করবেন তিনি।

আপনার মতামত লিখুন