২০ বছর আগে কামরাঙ্গীচরে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগে করা মামলায় স্বামী মো. সানাউল্লাহকে মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করেছেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি আসামিকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (১৭ অগাস্ট) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল -৪ এর বিচারক মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান এই রায় ঘোষণা করেন।
সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর পিপি এরশাদ আলম জর্জ এতথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, রায় ঘোষণার সময় আসামি সানাউল্লাহকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর সাজা পরোয়ানা দিয়ে আবারও তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এছাড়াও, এই অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আলী হোসেন, মো. মিন্টু মিয়া, নুর ইসলাম, শহিদুল্লাহ, মো. কালু, শহিদুল, বেগম, রেনু বেগম এবং আঃ খালেককে বে-কসুর খালাসের রায় ঘোষণা করেছেন ট্রাইব্যুনাল।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা গেছে, ২০০৫ সালের ১৮ নভেম্বর আসামি সানাউল্লাহ'র সঙ্গে মামলার ভিকটিম রুবিনা আক্তার পিংকির বিবাহ হয়। আসামি যৌতুকের দাবিতে ভিকটিমকে বিভিন্ন সময় শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতেন। ২০০৬ সালের ২ মে আসামি সানাউল্লাহ ভিকটিম রুবিনা আক্তার পিংকিকে যৌতুকের জন্য মোটা বেত দিয়ে পিটিয়ে নির্যাতন করেন। পিটানোর একপর্যায়ে কেরোসিনের চুলায় পানি গরম করে ভিকটিমের শরীরে ঢেলে দেয়। এর ফলে ভিকটিমের বুক, পেট ঝলসে যায়।
একপর্যায়ে ভিকটিমের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এসে তাকে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে গেলে সেখানে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় ভিকটিমের মা রাবিয়া আক্তার কামরাঙ্গীচর থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলার এজাহারে সানাউল্লাহসহ ১০ জনকে আসামি করা হয়।
মামলাটির তদন্ত শেষে একই বছরের ২০ নভেম্বর আসামি সানাউল্লাহ'র বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেন কামরাঙ্গীচর থানার উপপরিদর্শক গোলাম মোস্তফা। অভিযোগপত্রে সানাউল্লাহ ছাড়া বাকি সব আসামিদের দোষ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত না হওয়ায় তাদেরকে অব্যাহতির সুপারিশ করেন।

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ আগস্ট ২০২৬
২০ বছর আগে কামরাঙ্গীচরে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগে করা মামলায় স্বামী মো. সানাউল্লাহকে মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করেছেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি আসামিকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (১৭ অগাস্ট) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল -৪ এর বিচারক মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান এই রায় ঘোষণা করেন।
সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর পিপি এরশাদ আলম জর্জ এতথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, রায় ঘোষণার সময় আসামি সানাউল্লাহকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর সাজা পরোয়ানা দিয়ে আবারও তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এছাড়াও, এই অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আলী হোসেন, মো. মিন্টু মিয়া, নুর ইসলাম, শহিদুল্লাহ, মো. কালু, শহিদুল, বেগম, রেনু বেগম এবং আঃ খালেককে বে-কসুর খালাসের রায় ঘোষণা করেছেন ট্রাইব্যুনাল।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা গেছে, ২০০৫ সালের ১৮ নভেম্বর আসামি সানাউল্লাহ'র সঙ্গে মামলার ভিকটিম রুবিনা আক্তার পিংকির বিবাহ হয়। আসামি যৌতুকের দাবিতে ভিকটিমকে বিভিন্ন সময় শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতেন। ২০০৬ সালের ২ মে আসামি সানাউল্লাহ ভিকটিম রুবিনা আক্তার পিংকিকে যৌতুকের জন্য মোটা বেত দিয়ে পিটিয়ে নির্যাতন করেন। পিটানোর একপর্যায়ে কেরোসিনের চুলায় পানি গরম করে ভিকটিমের শরীরে ঢেলে দেয়। এর ফলে ভিকটিমের বুক, পেট ঝলসে যায়।
একপর্যায়ে ভিকটিমের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এসে তাকে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে গেলে সেখানে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় ভিকটিমের মা রাবিয়া আক্তার কামরাঙ্গীচর থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলার এজাহারে সানাউল্লাহসহ ১০ জনকে আসামি করা হয়।
মামলাটির তদন্ত শেষে একই বছরের ২০ নভেম্বর আসামি সানাউল্লাহ'র বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেন কামরাঙ্গীচর থানার উপপরিদর্শক গোলাম মোস্তফা। অভিযোগপত্রে সানাউল্লাহ ছাড়া বাকি সব আসামিদের দোষ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত না হওয়ায় তাদেরকে অব্যাহতির সুপারিশ করেন।

আপনার মতামত লিখুন