ঢাকার কণ্ঠ
প্রকাশ : শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০২৬। ০২:৩৩ মিনিট

ডলারের পতনে বিশ্ববাজারে ফের চড়ল স্বর্ণের দাম

ডলারের পতনে বিশ্ববাজারে ফের চড়ল স্বর্ণের দাম

মার্কিন ডলারের দুর্বলতা এবং যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগের দীর্ঘমেয়াদি বন্ড পুনঃক্রয় কর্মসূচি বাড়ানোর ঘোষণায় বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম বেড়েছে। এ নিয়ে টানা তৃতীয় সপ্তাহে মূল্যবান ধাতুটির দাম বাড়ার পথে রয়েছে। শুক্রবার আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম প্রায় তিন মাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ে ওঠে।

শুক্রবার (২১ আগস্ট) বাংলাদেশ সময় সকাল ১১টা ৫ মিনিট পর্যন্ত স্পট স্বর্ণের দাম দশমিক ৪ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৫৩৭ দশমিক ৪১ ডলারে দাঁড়ায়। এর আগে বৃহস্পতিবারের লেনদেনে দাম জুনের শুরুর পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছিল। চলতি সপ্তাহে এখন পর্যন্ত স্বর্ণের দাম প্রায় ৩ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়েছে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের স্বর্ণের ফিউচার বা ভবিষ্যৎ সরবরাহ চুক্তির দামও দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৫৯৩ দশমিক ৯০ ডলারে উঠেছে। পরবর্তী সময়ে আন্তর্জাতিক বাজারে স্পট স্বর্ণের দাম আরও বেড়ে প্রায় ৪ হাজার ৫৬৩ ডলারে ওঠে, যা মে মাসের শেষের পর সর্বোচ্চ।

স্বর্ণের এই ঊর্ধ্বগতির পেছনে অন্যতম কারণ মার্কিন ডলারের দুর্বলতা। চলতি সপ্তাহে ডলারের সূচক প্রায় শূন্য দশমিক ৯ শতাংশ কমেছে এবং তিন মাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ের কাছাকাছি অবস্থান করছে। ডলারের দাম কমলে মার্কিন মুদ্রায় মূল্য নির্ধারিত স্বর্ণ অন্যান্য দেশের ক্রেতাদের কাছে তুলনামূলক সস্তা হয়ে যায়। এতে স্বর্ণের চাহিদা বাড়তে পারে।

এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগের বন্ড পুনঃক্রয় কর্মসূচি সম্প্রসারণের সিদ্ধান্ত। ট্রেজারি দীর্ঘমেয়াদি সরকারি বন্ডের পুনঃক্রয়ের আকার অন্তত দ্বিগুণ করার ঘোষণা দিয়েছে। ১০ থেকে ২০ বছর এবং ২০ থেকে ৩০ বছর মেয়াদি বন্ডের প্রতিটি পুনঃক্রয় কার্যক্রমে সর্বোচ্চ পরিমাণ ২ বিলিয়ন ডলার থেকে বাড়িয়ে অন্তত ৪ বিলিয়ন ডলার করা হচ্ছে। এই পরিবর্তন ৯ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হওয়ার কথা।

ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট জানিয়েছেন, বাজার পরিস্থিতি অনুযায়ী প্রতিটি কার্যক্রমে বন্ড পুনঃক্রয়ের পরিমাণ ৪ বিলিয়ন ডলারের চেয়েও বেশি হতে পারে। সরকারের এই পদক্ষেপের লক্ষ্য দীর্ঘমেয়াদি বন্ডবাজারে তারল্য বাড়ানো এবং ঊর্ধ্বমুখী সুদের হারের চাপ কমানো।

তবে এই পদক্ষেপের কার্যকারিতা নিয়ে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে পুরোপুরি আস্থা তৈরি হয়নি। অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বন্ড পুনঃক্রয়ের ঘোষণার পর কিছুটা কমলেও যুক্তরাষ্ট্রের ১০ বছর মেয়াদি ট্রেজারি নোটের সুদহার আবার প্রায় ৪ দশমিক ৬৯ শতাংশে উঠে এসেছে। বাজারে যুক্তরাষ্ট্রের ক্রমবর্ধমান ঋণ ও ঘাটতি নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে।

স্বর্ণের পরবর্তী গতিপথে ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হারসংক্রান্ত সিদ্ধান্তও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সুদের হার বাড়লে কোনো সুদ বা নির্দিষ্ট আয় না দেওয়া স্বর্ণের আকর্ষণ সাধারণত কমে যায়। বিপরীতে সুদের হার কমার প্রত্যাশা তৈরি হলে স্বর্ণে বিনিয়োগের আগ্রহ বাড়তে পারে। বর্তমানে আগামী মাসে ফেড সুদের হার অপরিবর্তিত রাখবে কি না, তা নিয়ে বাজারে অনিশ্চয়তা রয়েছে।

এদিকে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনাও স্বর্ণের বাজারে প্রভাব ফেলছে। ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য কঠোর নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি বিনিয়োগকারীদের নজরে রয়েছে। স্কট বেসেন্ট এর আগে ইরানের বিরুদ্ধে নজিরবিহীন মাত্রার অর্থনৈতিক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন।

শুধু স্বর্ণ নয়, অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর দামও বেড়েছে। শুক্রবার স্পট রুপার দাম ১ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৬৯ দশমিক ৩১ ডলারে দাঁড়ায়। প্লাটিনামের দাম ২ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৮৭৫ দশমিক ৭৫ ডলার এবং প্যালাডিয়ামের দাম ১ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৩৫৬ দশমিক ৫৯ ডলারে ওঠে। তিন ধাতুই সপ্তাহ শেষে বাড়তির পথে রয়েছে।

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ার মধ্যেই দেশের বাজারে সর্বশেষ ২০ আগস্ট স্বর্ণ ও রুপার দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ৩ হাজার ৮৪৯ টাকা বাড়িয়ে ভ্যাটসহ ২ লাখ ৪০ হাজার ৬২৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন দাম বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়।

বাজুসের নতুন দর অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৯ হাজার ৭৮১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৯৭ হাজার ৩৫৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৬১ হাজার ১৯৬ টাকা। স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের দাম বাড়ার কারণে এই সমন্বয় করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বাজুস।

একই সঙ্গে রুপার দামও বাড়ানো হয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ২৩৩ টাকা বাড়িয়ে ৫ হাজার ৩০৭ টাকা, ২১ ক্যারেটের ৫ হাজার ৭৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ৩ হাজার ৩২৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকলে দেশের বাজারেও পরবর্তী সময়ে দাম সমন্বয়ের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে দেশের বাজারে নতুন দর নির্ধারণের সিদ্ধান্ত বাজুসের পরবর্তী ঘোষণার ওপর নির্ভর করবে।

বিষয় : স্বর্ণের দাম

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ঢাকার কণ্ঠ

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬


ডলারের পতনে বিশ্ববাজারে ফের চড়ল স্বর্ণের দাম

প্রকাশের তারিখ : ২১ আগস্ট ২০২৬

featured Image

মার্কিন ডলারের দুর্বলতা এবং যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগের দীর্ঘমেয়াদি বন্ড পুনঃক্রয় কর্মসূচি বাড়ানোর ঘোষণায় বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম বেড়েছে। এ নিয়ে টানা তৃতীয় সপ্তাহে মূল্যবান ধাতুটির দাম বাড়ার পথে রয়েছে। শুক্রবার আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম প্রায় তিন মাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ে ওঠে।

শুক্রবার (২১ আগস্ট) বাংলাদেশ সময় সকাল ১১টা ৫ মিনিট পর্যন্ত স্পট স্বর্ণের দাম দশমিক ৪ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৫৩৭ দশমিক ৪১ ডলারে দাঁড়ায়। এর আগে বৃহস্পতিবারের লেনদেনে দাম জুনের শুরুর পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছিল। চলতি সপ্তাহে এখন পর্যন্ত স্বর্ণের দাম প্রায় ৩ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়েছে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের স্বর্ণের ফিউচার বা ভবিষ্যৎ সরবরাহ চুক্তির দামও দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৫৯৩ দশমিক ৯০ ডলারে উঠেছে। পরবর্তী সময়ে আন্তর্জাতিক বাজারে স্পট স্বর্ণের দাম আরও বেড়ে প্রায় ৪ হাজার ৫৬৩ ডলারে ওঠে, যা মে মাসের শেষের পর সর্বোচ্চ।

স্বর্ণের এই ঊর্ধ্বগতির পেছনে অন্যতম কারণ মার্কিন ডলারের দুর্বলতা। চলতি সপ্তাহে ডলারের সূচক প্রায় শূন্য দশমিক ৯ শতাংশ কমেছে এবং তিন মাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ের কাছাকাছি অবস্থান করছে। ডলারের দাম কমলে মার্কিন মুদ্রায় মূল্য নির্ধারিত স্বর্ণ অন্যান্য দেশের ক্রেতাদের কাছে তুলনামূলক সস্তা হয়ে যায়। এতে স্বর্ণের চাহিদা বাড়তে পারে।

এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগের বন্ড পুনঃক্রয় কর্মসূচি সম্প্রসারণের সিদ্ধান্ত। ট্রেজারি দীর্ঘমেয়াদি সরকারি বন্ডের পুনঃক্রয়ের আকার অন্তত দ্বিগুণ করার ঘোষণা দিয়েছে। ১০ থেকে ২০ বছর এবং ২০ থেকে ৩০ বছর মেয়াদি বন্ডের প্রতিটি পুনঃক্রয় কার্যক্রমে সর্বোচ্চ পরিমাণ ২ বিলিয়ন ডলার থেকে বাড়িয়ে অন্তত ৪ বিলিয়ন ডলার করা হচ্ছে। এই পরিবর্তন ৯ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হওয়ার কথা।

ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট জানিয়েছেন, বাজার পরিস্থিতি অনুযায়ী প্রতিটি কার্যক্রমে বন্ড পুনঃক্রয়ের পরিমাণ ৪ বিলিয়ন ডলারের চেয়েও বেশি হতে পারে। সরকারের এই পদক্ষেপের লক্ষ্য দীর্ঘমেয়াদি বন্ডবাজারে তারল্য বাড়ানো এবং ঊর্ধ্বমুখী সুদের হারের চাপ কমানো।

তবে এই পদক্ষেপের কার্যকারিতা নিয়ে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে পুরোপুরি আস্থা তৈরি হয়নি। অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বন্ড পুনঃক্রয়ের ঘোষণার পর কিছুটা কমলেও যুক্তরাষ্ট্রের ১০ বছর মেয়াদি ট্রেজারি নোটের সুদহার আবার প্রায় ৪ দশমিক ৬৯ শতাংশে উঠে এসেছে। বাজারে যুক্তরাষ্ট্রের ক্রমবর্ধমান ঋণ ও ঘাটতি নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে।

স্বর্ণের পরবর্তী গতিপথে ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হারসংক্রান্ত সিদ্ধান্তও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সুদের হার বাড়লে কোনো সুদ বা নির্দিষ্ট আয় না দেওয়া স্বর্ণের আকর্ষণ সাধারণত কমে যায়। বিপরীতে সুদের হার কমার প্রত্যাশা তৈরি হলে স্বর্ণে বিনিয়োগের আগ্রহ বাড়তে পারে। বর্তমানে আগামী মাসে ফেড সুদের হার অপরিবর্তিত রাখবে কি না, তা নিয়ে বাজারে অনিশ্চয়তা রয়েছে।

এদিকে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনাও স্বর্ণের বাজারে প্রভাব ফেলছে। ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য কঠোর নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি বিনিয়োগকারীদের নজরে রয়েছে। স্কট বেসেন্ট এর আগে ইরানের বিরুদ্ধে নজিরবিহীন মাত্রার অর্থনৈতিক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন।

শুধু স্বর্ণ নয়, অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর দামও বেড়েছে। শুক্রবার স্পট রুপার দাম ১ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৬৯ দশমিক ৩১ ডলারে দাঁড়ায়। প্লাটিনামের দাম ২ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৮৭৫ দশমিক ৭৫ ডলার এবং প্যালাডিয়ামের দাম ১ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৩৫৬ দশমিক ৫৯ ডলারে ওঠে। তিন ধাতুই সপ্তাহ শেষে বাড়তির পথে রয়েছে।

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ার মধ্যেই দেশের বাজারে সর্বশেষ ২০ আগস্ট স্বর্ণ ও রুপার দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ৩ হাজার ৮৪৯ টাকা বাড়িয়ে ভ্যাটসহ ২ লাখ ৪০ হাজার ৬২৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন দাম বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়।

বাজুসের নতুন দর অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৯ হাজার ৭৮১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৯৭ হাজার ৩৫৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৬১ হাজার ১৯৬ টাকা। স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের দাম বাড়ার কারণে এই সমন্বয় করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বাজুস।

একই সঙ্গে রুপার দামও বাড়ানো হয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ২৩৩ টাকা বাড়িয়ে ৫ হাজার ৩০৭ টাকা, ২১ ক্যারেটের ৫ হাজার ৭৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ৩ হাজার ৩২৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকলে দেশের বাজারেও পরবর্তী সময়ে দাম সমন্বয়ের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে দেশের বাজারে নতুন দর নির্ধারণের সিদ্ধান্ত বাজুসের পরবর্তী ঘোষণার ওপর নির্ভর করবে।


ঢাকার কণ্ঠ

সম্পাদক: লিটন মাহমুদ
প্রধান সম্পাদক: মো: আল-আমীন (পনির)
নির্বাহী সম্পাদক: শেখ ফরিদ

কপিরাইট © ২০২৫ ঢাকার কণ্ঠ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত