নেত্রকোনা-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মোশতাক আহমেদ রুহীকে রাজধানীর মোহাম্মদপুর থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে মোহাম্মদপুরের ইকবাল রোডের একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তেজগাঁও বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. ইবনে মিজান জানান, ইকবাল রোডের একটি বাসায় রুহীর অবস্থানের খবর পেয়ে সেখানে অভিযান চালায় পুলিশ। পরে তাকে হেফাজতে নেওয়া হয়।
মোশতাক আহমেদ রুহী নেত্রকোনা-১ (দুর্গাপুর-কলমাকান্দা) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য। তিনি ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং ২০২৪ সালের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও একই আসন থেকে নির্বাচিত হন।
২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে তিনি আত্মগোপনে ছিলেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন মামলা রয়েছে বলেও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।
এর আগে ২০২৪ সালে তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, হামলা-মারধর, প্রতারণা ও হত্যার হুমকির অভিযোগে মামলা হওয়ার খবর প্রকাশিত হয়েছিল। এসব মামলার অভিযোগ ও বর্তমান গ্রেপ্তারের পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া আলাদাভাবে যাচাইসাপেক্ষ।
গ্রেপ্তারের পর রুহীর বিরুদ্ধে কী ধরনের আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে, সে বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে পরবর্তী পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
বিষয় : গ্রেপ্তার রাজধানী সাবেক এমপি রুহী

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নেত্রকোনা-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মোশতাক আহমেদ রুহীকে রাজধানীর মোহাম্মদপুর থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে মোহাম্মদপুরের ইকবাল রোডের একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তেজগাঁও বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. ইবনে মিজান জানান, ইকবাল রোডের একটি বাসায় রুহীর অবস্থানের খবর পেয়ে সেখানে অভিযান চালায় পুলিশ। পরে তাকে হেফাজতে নেওয়া হয়।
মোশতাক আহমেদ রুহী নেত্রকোনা-১ (দুর্গাপুর-কলমাকান্দা) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য। তিনি ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং ২০২৪ সালের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও একই আসন থেকে নির্বাচিত হন।
২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে তিনি আত্মগোপনে ছিলেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন মামলা রয়েছে বলেও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।
এর আগে ২০২৪ সালে তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, হামলা-মারধর, প্রতারণা ও হত্যার হুমকির অভিযোগে মামলা হওয়ার খবর প্রকাশিত হয়েছিল। এসব মামলার অভিযোগ ও বর্তমান গ্রেপ্তারের পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া আলাদাভাবে যাচাইসাপেক্ষ।
গ্রেপ্তারের পর রুহীর বিরুদ্ধে কী ধরনের আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে, সে বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে পরবর্তী পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন