ইসরাইলের জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভির দেশটির আরব রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন। চলতি সপ্তাহের পার্লামেন্ট নির্বাচনে ভালো ফল করা এসব দলের বিরুদ্ধে কাতারের কাছ থেকে অর্থ নেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন তিনি ও সরকারের কয়েকজন মন্ত্রী। তবে অভিযোগের পক্ষে এখনো প্রকাশ্যে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বেন-গভির বলেন, কাতারের অর্থের সঙ্গে জড়িত থাকার সন্দেহে আরব দলগুলোর প্রধানদের গ্রেপ্তারের নির্দেশ নিরাপত্তা সংস্থা শিন বেতকে ‘আজ সকালেই’ দিতে হবে।
বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কয়েকজন মন্ত্রীর তোলা অভিযোগের ভিত্তিতেই বেন-গভির এ দাবি জানিয়েছেন। তাদের অভিযোগ, আরব দলগুলো কাতার থেকে অর্থ পেয়েছে। তবে অভিযোগগুলো এখনো প্রমাণিত হয়নি।
এদিকে, ইসরাইলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের প্রধান বিচারপতি নোয়াম সোলবার্গ বিদেশি অর্থায়নের অভিযোগ তদন্ত করতে শিন বেতকে অনুরোধ করেছেন। অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে তদন্তের উদ্যোগ নেওয়া হলেও আরব দলগুলোর নেতারা অবৈধ অর্থ নিয়েছেন এমন কোনো প্রমাণ প্রকাশ্যে আসেনি।
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন জোট কিংবা বিরোধী পক্ষ কেউই পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি। ফলে সরকার গঠনের সমীকরণে আরব দলগুলো গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
এমন পরিস্থিতিতে আরব দলগুলোর নেতাদের গ্রেপ্তারের দাবি ইসরাইলের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন উত্তেজনা তৈরি করেছে। তবে অভিযোগের তদন্ত এবং অভিযোগের সত্যতা প্রমাণ—দুটি আলাদা বিষয়। তদন্তের ফল প্রকাশের আগে এসব অভিযোগকে নিশ্চিত সত্য হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।

বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ অক্টোবর ২০২৬
ইসরাইলের জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভির দেশটির আরব রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন। চলতি সপ্তাহের পার্লামেন্ট নির্বাচনে ভালো ফল করা এসব দলের বিরুদ্ধে কাতারের কাছ থেকে অর্থ নেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন তিনি ও সরকারের কয়েকজন মন্ত্রী। তবে অভিযোগের পক্ষে এখনো প্রকাশ্যে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বেন-গভির বলেন, কাতারের অর্থের সঙ্গে জড়িত থাকার সন্দেহে আরব দলগুলোর প্রধানদের গ্রেপ্তারের নির্দেশ নিরাপত্তা সংস্থা শিন বেতকে ‘আজ সকালেই’ দিতে হবে।
বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কয়েকজন মন্ত্রীর তোলা অভিযোগের ভিত্তিতেই বেন-গভির এ দাবি জানিয়েছেন। তাদের অভিযোগ, আরব দলগুলো কাতার থেকে অর্থ পেয়েছে। তবে অভিযোগগুলো এখনো প্রমাণিত হয়নি।
এদিকে, ইসরাইলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের প্রধান বিচারপতি নোয়াম সোলবার্গ বিদেশি অর্থায়নের অভিযোগ তদন্ত করতে শিন বেতকে অনুরোধ করেছেন। অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে তদন্তের উদ্যোগ নেওয়া হলেও আরব দলগুলোর নেতারা অবৈধ অর্থ নিয়েছেন এমন কোনো প্রমাণ প্রকাশ্যে আসেনি।
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন জোট কিংবা বিরোধী পক্ষ কেউই পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি। ফলে সরকার গঠনের সমীকরণে আরব দলগুলো গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
এমন পরিস্থিতিতে আরব দলগুলোর নেতাদের গ্রেপ্তারের দাবি ইসরাইলের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন উত্তেজনা তৈরি করেছে। তবে অভিযোগের তদন্ত এবং অভিযোগের সত্যতা প্রমাণ—দুটি আলাদা বিষয়। তদন্তের ফল প্রকাশের আগে এসব অভিযোগকে নিশ্চিত সত্য হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।

আপনার মতামত লিখুন