ঢাকা-২ ও ঢাকা-৩ সংসদীয় আসনে আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করতে মাঠে নামানো হয়েছে ১২ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেল থেকে তাঁরা নির্বাচনী এলাকায় সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন শুরু করেছেন।
প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ভোটগ্রহণ নির্বিঘ্ন রাখতে এবং নির্বাচনী আচরণবিধি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে দুই আসনের গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে নিয়মিতভাবে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রতিরোধে ম্যাজিস্ট্রেটদের তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে।
নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পর থেকেই প্রার্থীদের প্রচারণা কার্যক্রম, পোস্টার-ব্যানার ব্যবহার, সভা-সমাবেশ এবং ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন নিয়মিত নজরদারি চালাচ্ছে।
ঢাকা-২ আসনে দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জান্নাতুল মাওয়া বলেন, “নির্বাচন যাতে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়, সে জন্য প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। আচরণবিধি লঙ্ঘনের কোনো অভিযোগ পাওয়া গেলে সঙ্গে সঙ্গে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
এদিকে প্রশাসনের এমন তৎপরতায় স্থানীয় ভোটারদের মধ্যেও স্বস্তি লক্ষ্য করা গেছে। ভোটারদের আশা, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সক্রিয় উপস্থিতিতে এবারের নির্বাচন শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে।
বিষয় : নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ঢাকা-২ ও ঢাকা-৩ সংসদীয় আসনে আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করতে মাঠে নামানো হয়েছে ১২ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেল থেকে তাঁরা নির্বাচনী এলাকায় সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন শুরু করেছেন।
প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ভোটগ্রহণ নির্বিঘ্ন রাখতে এবং নির্বাচনী আচরণবিধি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে দুই আসনের গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে নিয়মিতভাবে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রতিরোধে ম্যাজিস্ট্রেটদের তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে।
নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পর থেকেই প্রার্থীদের প্রচারণা কার্যক্রম, পোস্টার-ব্যানার ব্যবহার, সভা-সমাবেশ এবং ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন নিয়মিত নজরদারি চালাচ্ছে।
ঢাকা-২ আসনে দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জান্নাতুল মাওয়া বলেন, “নির্বাচন যাতে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়, সে জন্য প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। আচরণবিধি লঙ্ঘনের কোনো অভিযোগ পাওয়া গেলে সঙ্গে সঙ্গে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
এদিকে প্রশাসনের এমন তৎপরতায় স্থানীয় ভোটারদের মধ্যেও স্বস্তি লক্ষ্য করা গেছে। ভোটারদের আশা, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সক্রিয় উপস্থিতিতে এবারের নির্বাচন শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে।

আপনার মতামত লিখুন