ঢাকার কণ্ঠ
প্রকাশ : বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬। ০৯:২২ মিনিট

স্মৃতিসৌধে আটক তিন সন্তানের জননীকে মুক্তির নির্দেশ

স্মৃতিসৌধে আটক তিন সন্তানের জননীকে মুক্তির নির্দেশ

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পক্ষে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে আটক হওয়া তিন সন্তানের জননী তাহমিনা আক্তারকে মুক্তির নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (১ এপ্রিল) ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আফরোজা সুলতানা সুইটির আদালত ডিবি পুলিশের প্রতিবেদন আমলে গ্রহণ করে তাকে এই মুক্তির নির্দেশ দেন।

এর আগে গত ৩১ মার্চ ডিবি পুলিশের ঢাকা জেলার (দক্ষিণ) উপপরিদর্শক আব্দুল মুক্তালিব আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন। ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, তিন কন্যা সন্তানের মা তাহমিনা আক্তার ঢাকাতে ভাড়া বাসায় থাকেন। তার স্বামী প্রবাসী। তবে স্বামীর সঙ্গে সম্পর্ক ভালো না। মা-বাবা ও পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন। গত ২৬ মার্চ আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি ভুল বুঝিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারের উদ্দেশ্যে ছবি তোলার জন্য সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের পক্ষে পুষ্পস্তবক অর্পণ এবং ‘জয় বাংলা’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেওয়ার জন্য তাকে নেয়। 

প্রকৃতপক্ষে তিনি কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে কার্যক্রমে জড়িত নন মর্মে প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হয়। তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোনো ধর্তব্য অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট প্রমাণ না পাওয়ায় ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫১ ধারার দায় থেকে অব্যাহতির প্রার্থনা করছি। পরে শুনানি শেষে তাহমিনাকে মুক্তির ওই আদেশ দেন বিচারক।

এর আগে গত ২৬ মার্চ সকাল সাড়ে ১১টার দিকে স্মৃতিসৌধের ফোয়ারার সামনে থেকে তাহমিনাকে আটক করে পুলিশ। এ সময় ওই নারীর সঙ্গে তার তিন সন্তানও ছিল। পরদিন ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫১ ধারায় জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানো হয়।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ঢাকার কণ্ঠ

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬


স্মৃতিসৌধে আটক তিন সন্তানের জননীকে মুক্তির নির্দেশ

প্রকাশের তারিখ : ০১ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পক্ষে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে আটক হওয়া তিন সন্তানের জননী তাহমিনা আক্তারকে মুক্তির নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (১ এপ্রিল) ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আফরোজা সুলতানা সুইটির আদালত ডিবি পুলিশের প্রতিবেদন আমলে গ্রহণ করে তাকে এই মুক্তির নির্দেশ দেন।

এর আগে গত ৩১ মার্চ ডিবি পুলিশের ঢাকা জেলার (দক্ষিণ) উপপরিদর্শক আব্দুল মুক্তালিব আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন। ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, তিন কন্যা সন্তানের মা তাহমিনা আক্তার ঢাকাতে ভাড়া বাসায় থাকেন। তার স্বামী প্রবাসী। তবে স্বামীর সঙ্গে সম্পর্ক ভালো না। মা-বাবা ও পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন। গত ২৬ মার্চ আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি ভুল বুঝিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারের উদ্দেশ্যে ছবি তোলার জন্য সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের পক্ষে পুষ্পস্তবক অর্পণ এবং ‘জয় বাংলা’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেওয়ার জন্য তাকে নেয়। 

প্রকৃতপক্ষে তিনি কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে কার্যক্রমে জড়িত নন মর্মে প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হয়। তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোনো ধর্তব্য অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট প্রমাণ না পাওয়ায় ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫১ ধারার দায় থেকে অব্যাহতির প্রার্থনা করছি। পরে শুনানি শেষে তাহমিনাকে মুক্তির ওই আদেশ দেন বিচারক।

এর আগে গত ২৬ মার্চ সকাল সাড়ে ১১টার দিকে স্মৃতিসৌধের ফোয়ারার সামনে থেকে তাহমিনাকে আটক করে পুলিশ। এ সময় ওই নারীর সঙ্গে তার তিন সন্তানও ছিল। পরদিন ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫১ ধারায় জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানো হয়।


ঢাকার কণ্ঠ

সম্পাদক: লিটন মাহমুদ
প্রধান সম্পাদক: মো: আল-আমীন (পনির)
নির্বাহী সম্পাদক: শেখ ফরিদ

কপিরাইট © ২০২৫ ঢাকার কণ্ঠ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত