ঢাকার কণ্ঠ
আপডেট : মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬ । ০৬:১২ মিনিট

রাজউকের প্লট দেওয়ার নামে ৬ কোটি টাকা আত্মসাতের, কারাগারে মঞ্জুরুল

রাজউকের প্লট দেওয়ার নামে ৬ কোটি টাকা আত্মসাতের, কারাগারে মঞ্জুরুল

রাজধানীর উত্তরায় রাজউকের প্লট কিনে দেওয়ার কথা বলে এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ৬ কোটি ২৩ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে করা মামলায় মঞ্জুরুল আলমকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাকির হোসেন তাঁর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে এ আদেশ দেন।

মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, গত ২৬ অক্টোবর গ্রেপ্তারি পরোয়ানার ভিত্তিতে মঞ্জুরুলকে গ্রেপ্তার করা হয়। মঙ্গলবার আদালতে জামিন আবেদন করা হলে শুনানি শেষে তা নাকচ করে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, প্রশান্তি এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মো. নাছিরের সঙ্গে আসামিদের আগে থেকেই পরিচয় ছিল। সেই সূত্রে তাঁদের মধ্যে ঢাকায় জমি কেনাবেচার যৌথ ব্যবসা শুরু হয়। মৌখিক চুক্তি অনুযায়ী, জমি বিক্রির পর লাভের অর্ধেক বাদী এবং বাকি অর্ধেক আসামিদের পাওয়ার কথা ছিল।

অভিযোগে বলা হয়, একপর্যায়ে আসামিরা নাছিরকে জানান, উত্তরায় রাজউকের পাঁচ কাঠার একটি প্লট রয়েছে। প্লটটি ৫ থেকে ৬ কোটি টাকায় কিনে পরে ৯ থেকে ১০ কোটি টাকায় বিক্রি করা সম্ভব হবে। এ প্রস্তাবে রাজি হয়ে ২০২৩ সালের ১ আগস্ট নাছির প্লটটি দেখতে যান এবং বিনিয়োগে সম্মতি দেন।

পরে জমির বায়না ও রেজিস্ট্রির কথা বলে বিভিন্ন সময়ে পে-অর্ডার ও নগদে তাঁর কাছ থেকে মোট ৬ কোটি ২৩ লাখ টাকা নেওয়া হয় বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে। এর মধ্যে সিটি ব্যাংক ও আইএফআইসি ব্যাংকের পে-অর্ডারের মাধ্যমে কয়েক কোটি টাকা আসামিদের কয়েকজনের হিসাবে দেওয়া হয়। অন্য কয়েকজনের বিরুদ্ধেও নগদ অর্থ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

মামলার অভিযোগে আরও বলা হয়, টাকা নেওয়ার পরও আসামিরা জমি বুঝিয়ে দেননি। বরং নানা অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন। একপর্যায়ে তাঁরা নাছিরের ফোন ধরা বন্ধ করে দেন এবং উত্তরার ১৬ নম্বর সেক্টরে অবস্থিত অফিসে তালা দিয়ে চলে যান। ২০২৪ সালের ১ ডিসেম্বর পাওনা টাকা ফেরত চাইলে তা দিতে অস্বীকৃতি জানানো হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় ২০২৪ সালের ২৯ ডিসেম্বর আদালতে মামলা করেন ভুক্তভোগী নাছির। পরে আদালত মামলাটি তদন্তের জন্য পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) নির্দেশ দেন। তদন্ত শেষে সিআইডি চলতি বছরের ৩০ জুন আদালতে প্রতিবেদন জমা দেয়। এরপর আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

বিষয় : কারাগার রাজউকের প্লট টাকা আত্মসাত

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ঢাকার কণ্ঠ

বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬


রাজউকের প্লট দেওয়ার নামে ৬ কোটি টাকা আত্মসাতের, কারাগারে মঞ্জুরুল

প্রকাশের তারিখ : ২৭ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

রাজধানীর উত্তরায় রাজউকের প্লট কিনে দেওয়ার কথা বলে এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ৬ কোটি ২৩ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে করা মামলায় মঞ্জুরুল আলমকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাকির হোসেন তাঁর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে এ আদেশ দেন।

মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, গত ২৬ অক্টোবর গ্রেপ্তারি পরোয়ানার ভিত্তিতে মঞ্জুরুলকে গ্রেপ্তার করা হয়। মঙ্গলবার আদালতে জামিন আবেদন করা হলে শুনানি শেষে তা নাকচ করে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, প্রশান্তি এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মো. নাছিরের সঙ্গে আসামিদের আগে থেকেই পরিচয় ছিল। সেই সূত্রে তাঁদের মধ্যে ঢাকায় জমি কেনাবেচার যৌথ ব্যবসা শুরু হয়। মৌখিক চুক্তি অনুযায়ী, জমি বিক্রির পর লাভের অর্ধেক বাদী এবং বাকি অর্ধেক আসামিদের পাওয়ার কথা ছিল।

অভিযোগে বলা হয়, একপর্যায়ে আসামিরা নাছিরকে জানান, উত্তরায় রাজউকের পাঁচ কাঠার একটি প্লট রয়েছে। প্লটটি ৫ থেকে ৬ কোটি টাকায় কিনে পরে ৯ থেকে ১০ কোটি টাকায় বিক্রি করা সম্ভব হবে। এ প্রস্তাবে রাজি হয়ে ২০২৩ সালের ১ আগস্ট নাছির প্লটটি দেখতে যান এবং বিনিয়োগে সম্মতি দেন।

পরে জমির বায়না ও রেজিস্ট্রির কথা বলে বিভিন্ন সময়ে পে-অর্ডার ও নগদে তাঁর কাছ থেকে মোট ৬ কোটি ২৩ লাখ টাকা নেওয়া হয় বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে। এর মধ্যে সিটি ব্যাংক ও আইএফআইসি ব্যাংকের পে-অর্ডারের মাধ্যমে কয়েক কোটি টাকা আসামিদের কয়েকজনের হিসাবে দেওয়া হয়। অন্য কয়েকজনের বিরুদ্ধেও নগদ অর্থ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

মামলার অভিযোগে আরও বলা হয়, টাকা নেওয়ার পরও আসামিরা জমি বুঝিয়ে দেননি। বরং নানা অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন। একপর্যায়ে তাঁরা নাছিরের ফোন ধরা বন্ধ করে দেন এবং উত্তরার ১৬ নম্বর সেক্টরে অবস্থিত অফিসে তালা দিয়ে চলে যান। ২০২৪ সালের ১ ডিসেম্বর পাওনা টাকা ফেরত চাইলে তা দিতে অস্বীকৃতি জানানো হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় ২০২৪ সালের ২৯ ডিসেম্বর আদালতে মামলা করেন ভুক্তভোগী নাছির। পরে আদালত মামলাটি তদন্তের জন্য পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) নির্দেশ দেন। তদন্ত শেষে সিআইডি চলতি বছরের ৩০ জুন আদালতে প্রতিবেদন জমা দেয়। এরপর আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।


ঢাকার কণ্ঠ

সম্পাদক: লিটন মাহমুদ
প্রধান সম্পাদক: মো: আল-আমীন (পনির)
নির্বাহী সম্পাদক: শেখ ফরিদ

কপিরাইট © ২০২৫ ঢাকার কণ্ঠ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত