চট্টগ্রামে হাম ও নিউমোনিয়ার উপসর্গ নিয়ে একদিনে আরও ১৭ জন শিশু বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে মহানগর এলাকায় ১৫ জন এবং উপজেলা পর্যায়ে ২ জন শিশু চিকিৎসাধীন। জেলা জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্যমতে, বর্তমানে চট্টগ্রামে হাম ও নিউমোনিয়ার উপসর্গ নিয়ে মোট ৯৫ শিশু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
এ বিষয়ে চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম জানান, নতুন ভর্তি শিশুদের মধ্যে জ্বর, শ্বাসকষ্ট ও ত্বকে ফুসকুড়ির মতো উপসর্গ দেখা যাচ্ছে, যা হাম ও নিউমোনিয়ার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। গত ২৪ ঘণ্টায় ২০ শিশুর নমুনা পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে, যার মধ্যে মহানগর থেকে ১৫টি এবং উপজেলা পর্যায় থেকে ৫টি।
তিনি আরও জানান, “এ পর্যন্ত নতুন পরীক্ষায় আরও ২ শিশুর শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। এনিয়ে জেলায় হাম আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় ১১ শিশুর চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে।”
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন বলেন, বর্তমানে চমেকে ৪৬ শিশু হাম ও নিউমোনিয়ার উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন, যার মধ্যে ৮ জনকে পিআইসিইউতে রাখা হয়েছে। বর্তমানে ০২ শিশু চমেকে হাম পজিটিভ হয়ে ভর্তি রয়েছে। তিনি নিশ্চিত করেছেন, গত ৪৮ ঘন্টায় চমেকে কোনো শিশু মৃত্যু হয়নি।
এরআগে কক্সবাজার জেলার ০২ শিশু চমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান, যার মধ্যে একজনের শরীরে হাম পজিটিভ ছিল।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, জেনারেল হাসপাতাল, মা ও শিশু হাসপাতালসহ সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন হাসপাতালে আক্রান্ত শিশুরা চিকিৎসা নিচ্ছে। এর আগে চমেকে একই উপসর্গে আক্রান্ত দুই শিশুর মৃত্যু ঘটেছিল।

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ এপ্রিল ২০২৬
চট্টগ্রামে হাম ও নিউমোনিয়ার উপসর্গ নিয়ে একদিনে আরও ১৭ জন শিশু বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে মহানগর এলাকায় ১৫ জন এবং উপজেলা পর্যায়ে ২ জন শিশু চিকিৎসাধীন। জেলা জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্যমতে, বর্তমানে চট্টগ্রামে হাম ও নিউমোনিয়ার উপসর্গ নিয়ে মোট ৯৫ শিশু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
এ বিষয়ে চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম জানান, নতুন ভর্তি শিশুদের মধ্যে জ্বর, শ্বাসকষ্ট ও ত্বকে ফুসকুড়ির মতো উপসর্গ দেখা যাচ্ছে, যা হাম ও নিউমোনিয়ার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। গত ২৪ ঘণ্টায় ২০ শিশুর নমুনা পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে, যার মধ্যে মহানগর থেকে ১৫টি এবং উপজেলা পর্যায় থেকে ৫টি।
তিনি আরও জানান, “এ পর্যন্ত নতুন পরীক্ষায় আরও ২ শিশুর শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। এনিয়ে জেলায় হাম আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় ১১ শিশুর চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে।”
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন বলেন, বর্তমানে চমেকে ৪৬ শিশু হাম ও নিউমোনিয়ার উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন, যার মধ্যে ৮ জনকে পিআইসিইউতে রাখা হয়েছে। বর্তমানে ০২ শিশু চমেকে হাম পজিটিভ হয়ে ভর্তি রয়েছে। তিনি নিশ্চিত করেছেন, গত ৪৮ ঘন্টায় চমেকে কোনো শিশু মৃত্যু হয়নি।
এরআগে কক্সবাজার জেলার ০২ শিশু চমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান, যার মধ্যে একজনের শরীরে হাম পজিটিভ ছিল।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, জেনারেল হাসপাতাল, মা ও শিশু হাসপাতালসহ সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন হাসপাতালে আক্রান্ত শিশুরা চিকিৎসা নিচ্ছে। এর আগে চমেকে একই উপসর্গে আক্রান্ত দুই শিশুর মৃত্যু ঘটেছিল।

আপনার মতামত লিখুন