ঢাকার কেরানীগঞ্জের কদমতলীতে গ্যাসলাইটার কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় গ্রেফতার বিএনপি নেতা ইমান উল্লাহ মাস্তানকে তিন দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) তাকে আদালতে হাজির করা হলে রিমান্ড শেষে তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে চীপ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ তাজুল ইসলাম সোহাগ তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এর আগে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে এবং ঘটনার বিস্তারিত তথ্য উদঘাটনে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আবাসিক এলাকায় গড়ে ওঠা ওই কারখানায় দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণভাবে গ্যাস লাইটার তৈরি করা হচ্ছিল। কারখানাটি বাইরে থেকে তালাবদ্ধ রেখে শ্রমিকদের দিয়ে কাজ করানো হতো বলেও অভিযোগ রয়েছে। আগুন লাগার সময় ভেতরে থাকা শ্রমিকেরা বের হতে না পেরে দগ্ধ হয়ে মারা যান।
ঘটনার পর ফায়ার সার্ভিস আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে এবং ভেতর থেকে মরদেহ উদ্ধার করে। নিহতদের মধ্যে নারী শ্রমিকও রয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। তবে তিনজনের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করা যায়নি।
এ ঘটনায় কারখানার মালিকপক্ষের অবহেলা এবং নিরাপত্তাব্যবস্থার চরম ঘাটতির বিষয়টি সামনে এসেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বলছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হচ্ছে এবং পুরো বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ এপ্রিল ২০২৬
ঢাকার কেরানীগঞ্জের কদমতলীতে গ্যাসলাইটার কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় গ্রেফতার বিএনপি নেতা ইমান উল্লাহ মাস্তানকে তিন দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) তাকে আদালতে হাজির করা হলে রিমান্ড শেষে তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে চীপ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ তাজুল ইসলাম সোহাগ তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এর আগে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে এবং ঘটনার বিস্তারিত তথ্য উদঘাটনে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আবাসিক এলাকায় গড়ে ওঠা ওই কারখানায় দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণভাবে গ্যাস লাইটার তৈরি করা হচ্ছিল। কারখানাটি বাইরে থেকে তালাবদ্ধ রেখে শ্রমিকদের দিয়ে কাজ করানো হতো বলেও অভিযোগ রয়েছে। আগুন লাগার সময় ভেতরে থাকা শ্রমিকেরা বের হতে না পেরে দগ্ধ হয়ে মারা যান।
ঘটনার পর ফায়ার সার্ভিস আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে এবং ভেতর থেকে মরদেহ উদ্ধার করে। নিহতদের মধ্যে নারী শ্রমিকও রয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। তবে তিনজনের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করা যায়নি।
এ ঘটনায় কারখানার মালিকপক্ষের অবহেলা এবং নিরাপত্তাব্যবস্থার চরম ঘাটতির বিষয়টি সামনে এসেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বলছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হচ্ছে এবং পুরো বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন