কোরবানির গরু কিনলে ছাগল উপহার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার খামারি তাজুল ইসলাম। তার খামারে লালন-পালন করা ‘কালু’ ও ‘ধলু’ নামের বড় দুটি ষাঁড়ের ক্রেতাদের জন্য ২৫ হাজার টাকা মূল্যের দুটি ছাগল উপহার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
খামারের মালিক তাজুল ইসলামের দাবি, প্রায় ৪০ মণ ওজনের ‘কালু’ বাগেরহাট জেলার সবচেয়ে বড় গরু হতে পারে। ফ্রিজিয়ান জাতের কালো-সাদা রঙের এই ষাঁড়টির দৈর্ঘ্য প্রায় ৭ ফুট।
গরুটির দাম হাঁকা হয়েছে ১৫ লাখ টাকা। একই খামারের আরেকটি ষাঁড় ‘ধলু’র ওজন প্রায় ২৫ মণ। যার মূল্য চাওয়া হচ্ছে ১০ লাখ টাকা।
খামারি তাজুল ইসলাম বলেন, যে ব্যক্তি গরু দুটি কিনবেন তাকে প্রায় ৫০ হাজার টাকা মূল্যের দুটি ছাগল উপহার হিসেবে দেওয়া হবে।
তিনি বলেন, এবারই প্রথম এত বড় আকৃতির ষাঁড় পালন করেছি। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ব্যবসায়ী ও দর্শনার্থীরা গরু দুটি দেখতে আসছেন। অনেকেই ছবি ও ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করছেন।
তাজুল জানান, সম্পূর্ণ দেশীয় পদ্ধতিতে গরু দুটি লালন-পালন করা হয়েছে।
খাবার হিসেবে কাঁচা ঘাস, কুড়া ও ভুসি দেওয়া হয়। কোনো ধরনের হাইব্রিড বা ক্ষতিকর খাদ্য ব্যবহার করা হয়নি।
স্থানীয়দের মতে, বিশাল আকৃতির ‘কালু’ ও ‘ধলু’ এবার মোরেলগঞ্জের কোরবানির পশুর হাটে বিশেষ আকর্ষণ হয়ে উঠেছে।

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মে ২০২৬
কোরবানির গরু কিনলে ছাগল উপহার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার খামারি তাজুল ইসলাম। তার খামারে লালন-পালন করা ‘কালু’ ও ‘ধলু’ নামের বড় দুটি ষাঁড়ের ক্রেতাদের জন্য ২৫ হাজার টাকা মূল্যের দুটি ছাগল উপহার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
খামারের মালিক তাজুল ইসলামের দাবি, প্রায় ৪০ মণ ওজনের ‘কালু’ বাগেরহাট জেলার সবচেয়ে বড় গরু হতে পারে। ফ্রিজিয়ান জাতের কালো-সাদা রঙের এই ষাঁড়টির দৈর্ঘ্য প্রায় ৭ ফুট।
গরুটির দাম হাঁকা হয়েছে ১৫ লাখ টাকা। একই খামারের আরেকটি ষাঁড় ‘ধলু’র ওজন প্রায় ২৫ মণ। যার মূল্য চাওয়া হচ্ছে ১০ লাখ টাকা।
খামারি তাজুল ইসলাম বলেন, যে ব্যক্তি গরু দুটি কিনবেন তাকে প্রায় ৫০ হাজার টাকা মূল্যের দুটি ছাগল উপহার হিসেবে দেওয়া হবে।
তিনি বলেন, এবারই প্রথম এত বড় আকৃতির ষাঁড় পালন করেছি। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ব্যবসায়ী ও দর্শনার্থীরা গরু দুটি দেখতে আসছেন। অনেকেই ছবি ও ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করছেন।
তাজুল জানান, সম্পূর্ণ দেশীয় পদ্ধতিতে গরু দুটি লালন-পালন করা হয়েছে।
খাবার হিসেবে কাঁচা ঘাস, কুড়া ও ভুসি দেওয়া হয়। কোনো ধরনের হাইব্রিড বা ক্ষতিকর খাদ্য ব্যবহার করা হয়নি।
স্থানীয়দের মতে, বিশাল আকৃতির ‘কালু’ ও ‘ধলু’ এবার মোরেলগঞ্জের কোরবানির পশুর হাটে বিশেষ আকর্ষণ হয়ে উঠেছে।

আপনার মতামত লিখুন