ঢাকার কণ্ঠ
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬। ০৬:০০ মিনিট

পল্লী চিকিৎসক হত্যা: ৩ আসামির মৃত্যুদণ্ড, ৬ জনের যাবজ্জীবন

পল্লী চিকিৎসক হত্যা: ৩ আসামির মৃত্যুদণ্ড, ৬ জনের যাবজ্জীবন

সাত বছর আগে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ এলাকায় পল্লী চিকিৎসক রেজাউল করিম ওরফে আবু ডাক্তারকে হত্যা দায়ে তিন জনকে মৃত্যুদণ্ড ও ছয় জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুরে ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মো. রহিবুল ইসলামের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন। তবে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ১২ আসামিকে খালাস দেন বিচারক। 

রায়ে মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত তিন আসামি হলেন, বাবলু সরদার, টেকন সরদার ও গাজীয়ার সরকার। আর যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, দেবগ্রাম ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আতর আলী, রায়হান সরদার, হাবিবুর রহমান ওরফে হবি সরদার, হেলাল খান, জিল্লুর রহমান ও জিয়া মন্ডল।

রায় ঘোষণার আগে ১২ আসামিদকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। আদালতে হাজির করা আসামিদের মধ্যে ১০ জনই খালাস পেয়েছেন। তবে, আসামি জিল্লুর রহমান ও জিয়া মণ্ডলের সাজা হওয়ায় তাদেরকে সাজা সহ পরোয়ানা দিয়ে আবার কারাগারে পাঠানো হয়। সাজাপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে সাজাসহ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।

মামলার সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালের ১৪ অক্টোবর আওয়ামী লীগের সম্মেলন চলাকালীন দুই পক্ষের বাগবিতণ্ডা জেরে হামলার ঘটনা ঘটে। সাবেক চেয়ারম্যান আতর আলীর নেতৃত্বে হামলাকারীরা ফেরার পথে লোকজনকে মারধর শুরু করে। ওই পথ দিয়ে যাওয়ার সময় আবু ডাক্তারকেও নৃশংসভাবে পেটানো হয়। পরে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। পরে এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। পরে ২০২২ সালে ২২ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করে পুলিশ। আলোচিত এ মামলায় বিচার চলাকালে ২৯ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন আদালত।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ঢাকার কণ্ঠ

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬


পল্লী চিকিৎসক হত্যা: ৩ আসামির মৃত্যুদণ্ড, ৬ জনের যাবজ্জীবন

প্রকাশের তারিখ : ১২ মে ২০২৬

featured Image

সাত বছর আগে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ এলাকায় পল্লী চিকিৎসক রেজাউল করিম ওরফে আবু ডাক্তারকে হত্যা দায়ে তিন জনকে মৃত্যুদণ্ড ও ছয় জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুরে ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মো. রহিবুল ইসলামের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন। তবে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ১২ আসামিকে খালাস দেন বিচারক। 

রায়ে মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত তিন আসামি হলেন, বাবলু সরদার, টেকন সরদার ও গাজীয়ার সরকার। আর যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, দেবগ্রাম ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আতর আলী, রায়হান সরদার, হাবিবুর রহমান ওরফে হবি সরদার, হেলাল খান, জিল্লুর রহমান ও জিয়া মন্ডল।

রায় ঘোষণার আগে ১২ আসামিদকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। আদালতে হাজির করা আসামিদের মধ্যে ১০ জনই খালাস পেয়েছেন। তবে, আসামি জিল্লুর রহমান ও জিয়া মণ্ডলের সাজা হওয়ায় তাদেরকে সাজা সহ পরোয়ানা দিয়ে আবার কারাগারে পাঠানো হয়। সাজাপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে সাজাসহ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।

মামলার সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালের ১৪ অক্টোবর আওয়ামী লীগের সম্মেলন চলাকালীন দুই পক্ষের বাগবিতণ্ডা জেরে হামলার ঘটনা ঘটে। সাবেক চেয়ারম্যান আতর আলীর নেতৃত্বে হামলাকারীরা ফেরার পথে লোকজনকে মারধর শুরু করে। ওই পথ দিয়ে যাওয়ার সময় আবু ডাক্তারকেও নৃশংসভাবে পেটানো হয়। পরে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। পরে এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। পরে ২০২২ সালে ২২ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করে পুলিশ। আলোচিত এ মামলায় বিচার চলাকালে ২৯ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন আদালত।


ঢাকার কণ্ঠ

সম্পাদক: লিটন মাহমুদ
প্রধান সম্পাদক: মো: আল-আমীন (পনির)
নির্বাহী সম্পাদক: শেখ ফরিদ

কপিরাইট © ২০২৫ ঢাকার কণ্ঠ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত