গতকাল রাতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে এক বহিরাগত ব্যক্তির হামলা ও ধর্ষণচেষ্টার ঘটনায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যাচেষ্টার মামলা দায়ের করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
আজ বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা দপ্তরের ডেপুটি রেজিস্ট্রার মো. গাফরুল হাসান চৌধুরী আশুলিয়া থানায় বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।
মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, আজ সকালে মামলা করা হয়েছে। আমাদের কাছে ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ রয়েছে। আশা করছি দ্রুতই হামলাকারীকে গ্রেপ্তার করতে পারব। পুলিশ, ডিবি ও র্যাব একসঙ্গে কাজ করছে।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, গতকাল রাত আনুমানিক ১১টা ১৫ মিনিটের দিকে পরিত্যক্ত পুরোনো ফজিলাতুন্নেসা হল এবং আল-বেরুনি হলের বর্ধিত অংশের মধ্যবর্তী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগীর বরাত দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা কর্মকর্তারা জানান, রাত সাড়ে ১১টার দিকে আল-বেরুনি হল এক্সটেনশন সংলগ্ন সড়ক দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন ওই ছাত্রী। এ সময় এক অজ্ঞাত ব্যক্তি তাকে অনুসরণ করতে শুরু করে। পরে তিনি পরিত্যক্ত ফজিলাতুন্নেসা হলের পাশের সড়কে পৌঁছালে অভিযুক্ত ব্যক্তি রুমালসদৃশ একটি বস্তু তার গলায় পেঁচিয়ে পাশের ঝোপঝাড় এলাকায় নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় ওই সড়ক দিয়ে মোটরসাইকেলে যাওয়া কয়েকজন শিক্ষার্থী চিৎকার শুনে তাকে উদ্ধার করেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-রেজিস্ট্রার গাফরুল হাসান চৌধুরী জানান, গতকাল রাত প্রায় ১১টা ১৫ মিনিটে শিক্ষার্থীরা আমাদের ঘটনাটি সম্পর্কে অবহিত করেন। আমরা সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পুরো এলাকায় তল্লাশি চালাই, কিন্তু সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে খুঁজে পাইনি। ভুক্তভোগীকে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। একই সঙ্গে অভিযুক্তকে শনাক্ত করতে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা শুরু করা হয়। ফুটেজ বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সন্দেহভাজন ব্যক্তি শিক্ষার্থীর গলায় জালের মতো একটি বস্তু পেঁচিয়ে তাকে আল-বেরুনি হলের সম্প্রসারিত অংশের পাশের ঝোপঝাড়পূর্ণ এলাকায় টেনে নিয়ে যায়। ফুটেজের ভিত্তিতে আমরা প্রাথমিকভাবে সন্দেহভাজনকে শনাক্ত করতে সক্ষম হয়েছি। আজ সকালে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে মামলাটি করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর এ কে এম রাশিদুল আলম জানান, ঘটনার পর কর্তৃপক্ষ সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করেছে এবং সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে শনাক্ত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে কাজ করছে।

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মে ২০২৬
গতকাল রাতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে এক বহিরাগত ব্যক্তির হামলা ও ধর্ষণচেষ্টার ঘটনায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যাচেষ্টার মামলা দায়ের করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
আজ বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা দপ্তরের ডেপুটি রেজিস্ট্রার মো. গাফরুল হাসান চৌধুরী আশুলিয়া থানায় বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।
মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, আজ সকালে মামলা করা হয়েছে। আমাদের কাছে ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ রয়েছে। আশা করছি দ্রুতই হামলাকারীকে গ্রেপ্তার করতে পারব। পুলিশ, ডিবি ও র্যাব একসঙ্গে কাজ করছে।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, গতকাল রাত আনুমানিক ১১টা ১৫ মিনিটের দিকে পরিত্যক্ত পুরোনো ফজিলাতুন্নেসা হল এবং আল-বেরুনি হলের বর্ধিত অংশের মধ্যবর্তী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগীর বরাত দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা কর্মকর্তারা জানান, রাত সাড়ে ১১টার দিকে আল-বেরুনি হল এক্সটেনশন সংলগ্ন সড়ক দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন ওই ছাত্রী। এ সময় এক অজ্ঞাত ব্যক্তি তাকে অনুসরণ করতে শুরু করে। পরে তিনি পরিত্যক্ত ফজিলাতুন্নেসা হলের পাশের সড়কে পৌঁছালে অভিযুক্ত ব্যক্তি রুমালসদৃশ একটি বস্তু তার গলায় পেঁচিয়ে পাশের ঝোপঝাড় এলাকায় নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় ওই সড়ক দিয়ে মোটরসাইকেলে যাওয়া কয়েকজন শিক্ষার্থী চিৎকার শুনে তাকে উদ্ধার করেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-রেজিস্ট্রার গাফরুল হাসান চৌধুরী জানান, গতকাল রাত প্রায় ১১টা ১৫ মিনিটে শিক্ষার্থীরা আমাদের ঘটনাটি সম্পর্কে অবহিত করেন। আমরা সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পুরো এলাকায় তল্লাশি চালাই, কিন্তু সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে খুঁজে পাইনি। ভুক্তভোগীকে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। একই সঙ্গে অভিযুক্তকে শনাক্ত করতে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা শুরু করা হয়। ফুটেজ বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সন্দেহভাজন ব্যক্তি শিক্ষার্থীর গলায় জালের মতো একটি বস্তু পেঁচিয়ে তাকে আল-বেরুনি হলের সম্প্রসারিত অংশের পাশের ঝোপঝাড়পূর্ণ এলাকায় টেনে নিয়ে যায়। ফুটেজের ভিত্তিতে আমরা প্রাথমিকভাবে সন্দেহভাজনকে শনাক্ত করতে সক্ষম হয়েছি। আজ সকালে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে মামলাটি করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর এ কে এম রাশিদুল আলম জানান, ঘটনার পর কর্তৃপক্ষ সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করেছে এবং সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে শনাক্ত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে কাজ করছে।

আপনার মতামত লিখুন