ঢাকার কণ্ঠ

অপহরণের পর খাল থেকে গায়িকার মরদেহ উদ্ধার

অপহরণের পর খাল থেকে গায়িকার মরদেহ উদ্ধার

অপহরণের ছয় দিন পর একটি খাল থেকে গায়িকা ইন্দর কৌরের মরদেহ উদ্ধার করেছে পাঞ্জাব পুলিশ। মাত্র ২৯ বছর বয়সী এই গায়িকার মৃত্যুতে পাঞ্জাবজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

পুলিশ জানায়, গত ১৩ মে রাতে বাজারে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন ইন্দর। রাত সাড়ে ৮টার দিকে নিজের গাড়ি নিয়ে বের হওয়ার পর আর বাসায় ফেরেননি। এরপর থেকেই পরিবার অপহরণের আশঙ্কা করে।

এ ঘটনায় গায়িকার ভাই জোটিন্দর সিং পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন।

পরিবারের দাবি, সুখবিন্দর সিং ওরফে সুখা নামের এক ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে ইন্দরকে বিয়ের জন্য চাপ দিচ্ছিলেন।

পরিবারের বরাতে টাইমস অব ইন্ডিয়া বলছে, প্রায় তিন বছর আগে ইনস্টাগ্রামের মাধ্যমে ইন্দর ও সুখবিন্দরের পরিচয় হয়। পরে তাদের মধ্যে বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। তবে একসময় ইন্দর জানতে পারেন, সুখবিন্দর আগে থেকেই বিবাহিত এবং তার সন্তানও রয়েছে।

এরপর তিনি সম্পর্ক থেকে সরে আসেন এবং বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন।

পরিবারের অভিযোগ, এরপর থেকেই সুখবিন্দর বিভিন্নভাবে হুমকি দিতে শুরু করেন। 

পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, অভিযুক্ত সম্ভবত কানাডা থেকে নেপাল হয়ে ভারতে এসেছিলেন। তদন্তকারীদের ধারণা, ইন্দরকে হত্যার উদ্দেশ্যেই তিনি পাঞ্জাবে ফেরেন।

পুলিশের ধারণা, ১৩ মে রাতে ইন্দরকে অপহরণের পর হত্যা করে মরদেহ খালে ফেলে দেওয়া হয়।

ঘটনার পর একই পথে কানাডায় পালিয়ে যান অভিযুক্ত।

মঙ্গলবার ভোরে লুধিয়ানার নীলো খাল থেকে ইন্দরের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে পরিবারের সদস্যরা গিয়ে মরদেহ শনাক্ত করেন।

বিষয় : মরদেহ ইন্দর কৌর অপহরণ

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ঢাকার কণ্ঠ

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬


অপহরণের পর খাল থেকে গায়িকার মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশের তারিখ : ১৯ মে ২০২৬

featured Image

অপহরণের ছয় দিন পর একটি খাল থেকে গায়িকা ইন্দর কৌরের মরদেহ উদ্ধার করেছে পাঞ্জাব পুলিশ। মাত্র ২৯ বছর বয়সী এই গায়িকার মৃত্যুতে পাঞ্জাবজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

পুলিশ জানায়, গত ১৩ মে রাতে বাজারে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন ইন্দর। রাত সাড়ে ৮টার দিকে নিজের গাড়ি নিয়ে বের হওয়ার পর আর বাসায় ফেরেননি। এরপর থেকেই পরিবার অপহরণের আশঙ্কা করে।

এ ঘটনায় গায়িকার ভাই জোটিন্দর সিং পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন।

পরিবারের দাবি, সুখবিন্দর সিং ওরফে সুখা নামের এক ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে ইন্দরকে বিয়ের জন্য চাপ দিচ্ছিলেন।

পরিবারের বরাতে টাইমস অব ইন্ডিয়া বলছে, প্রায় তিন বছর আগে ইনস্টাগ্রামের মাধ্যমে ইন্দর ও সুখবিন্দরের পরিচয় হয়। পরে তাদের মধ্যে বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। তবে একসময় ইন্দর জানতে পারেন, সুখবিন্দর আগে থেকেই বিবাহিত এবং তার সন্তানও রয়েছে।

এরপর তিনি সম্পর্ক থেকে সরে আসেন এবং বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন।

পরিবারের অভিযোগ, এরপর থেকেই সুখবিন্দর বিভিন্নভাবে হুমকি দিতে শুরু করেন। 

পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, অভিযুক্ত সম্ভবত কানাডা থেকে নেপাল হয়ে ভারতে এসেছিলেন। তদন্তকারীদের ধারণা, ইন্দরকে হত্যার উদ্দেশ্যেই তিনি পাঞ্জাবে ফেরেন।

পুলিশের ধারণা, ১৩ মে রাতে ইন্দরকে অপহরণের পর হত্যা করে মরদেহ খালে ফেলে দেওয়া হয়।

ঘটনার পর একই পথে কানাডায় পালিয়ে যান অভিযুক্ত।

মঙ্গলবার ভোরে লুধিয়ানার নীলো খাল থেকে ইন্দরের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে পরিবারের সদস্যরা গিয়ে মরদেহ শনাক্ত করেন।


ঢাকার কণ্ঠ

সম্পাদক: লিটন মাহমুদ
প্রধান সম্পাদক: মো: আল-আমীন (পনির)
নির্বাহী সম্পাদক: শেখ ফরিদ

কপিরাইট © ২০২৫ ঢাকার কণ্ঠ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত