ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে আওয়ামী লীগের এক নেতার মেয়ের সঙ্গে ছাত্রদলের এক নেতার বিয়ের অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। একই অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর স্থানীয় পর্যায়ের নেতাকর্মীদের উপস্থিতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও নানা প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার কালীগঞ্জ উপজেলার ১১ নম্বর রাখালগাছি ইউনিয়নের বগেরগাছি গ্রামে এ বিয়ের আয়োজন করা হয়। রাখালগাছি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মহিদুল ইসলাম মন্টুর মেয়ে মেহেজাবিন ইসলাম তুলির সঙ্গে কালীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মারুফ বিল্লাহর বিয়ে সম্পন্ন হয়।
বিয়ের অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের পাশাপাশি বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়।
ছড়িয়ে পড়া একটি ছবিতে দেখা যায়, আওয়ামী লীগ নেতা মহিদুল ইসলাম মন্টু নিজ হাতে ঝিনাইদহ-৪ আসনের জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য মাওলানা আবু তালিবকে খাবার পরিবেশন করছেন। এরপর থেকেই বিষয়টি নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক বিভাজনে উত্তপ্ত এলাকায় ভিন্ন মতাদর্শের নেতাদের একই অনুষ্ঠানে স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি অনেকের কাছেই বিস্ময়কর মনে হয়েছে। কেউ এটিকে সামাজিক সম্প্রীতির দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ রাজনৈতিক অবস্থানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলেও মন্তব্য করছেন।
এ বিষয়ে কালীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মারুফ বিল্লাহ বলেন, “কোনো সংবিধান বা আইনে তো লেখা নেই যে অন্য দলের কারও মেয়েকে বিয়ে করা যাবে না। বিয়ে একটি সামাজিক বন্ধন। এটা নিয়ে যারা নোংরামি করছে, তাদের মানসিকতাই নোংরা।”
অন্যদিকে, সংসদ সদস্য মাওলানা আবু তালিব বলেন, “রাখালগাছি ইউনিয়নে আমার গ্রামের বাড়ি। সামাজিক সম্পর্কের কারণেই আমি অনুষ্ঠানে গিয়েছি।”
ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় এখনও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ মে ২০২৬
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে আওয়ামী লীগের এক নেতার মেয়ের সঙ্গে ছাত্রদলের এক নেতার বিয়ের অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। একই অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর স্থানীয় পর্যায়ের নেতাকর্মীদের উপস্থিতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও নানা প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার কালীগঞ্জ উপজেলার ১১ নম্বর রাখালগাছি ইউনিয়নের বগেরগাছি গ্রামে এ বিয়ের আয়োজন করা হয়। রাখালগাছি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মহিদুল ইসলাম মন্টুর মেয়ে মেহেজাবিন ইসলাম তুলির সঙ্গে কালীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মারুফ বিল্লাহর বিয়ে সম্পন্ন হয়।
বিয়ের অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের পাশাপাশি বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়।
ছড়িয়ে পড়া একটি ছবিতে দেখা যায়, আওয়ামী লীগ নেতা মহিদুল ইসলাম মন্টু নিজ হাতে ঝিনাইদহ-৪ আসনের জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য মাওলানা আবু তালিবকে খাবার পরিবেশন করছেন। এরপর থেকেই বিষয়টি নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক বিভাজনে উত্তপ্ত এলাকায় ভিন্ন মতাদর্শের নেতাদের একই অনুষ্ঠানে স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি অনেকের কাছেই বিস্ময়কর মনে হয়েছে। কেউ এটিকে সামাজিক সম্প্রীতির দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ রাজনৈতিক অবস্থানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলেও মন্তব্য করছেন।
এ বিষয়ে কালীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মারুফ বিল্লাহ বলেন, “কোনো সংবিধান বা আইনে তো লেখা নেই যে অন্য দলের কারও মেয়েকে বিয়ে করা যাবে না। বিয়ে একটি সামাজিক বন্ধন। এটা নিয়ে যারা নোংরামি করছে, তাদের মানসিকতাই নোংরা।”
অন্যদিকে, সংসদ সদস্য মাওলানা আবু তালিব বলেন, “রাখালগাছি ইউনিয়নে আমার গ্রামের বাড়ি। সামাজিক সম্পর্কের কারণেই আমি অনুষ্ঠানে গিয়েছি।”
ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় এখনও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন