ঢাকা, টাঙ্গাইল ও যমুনা সেতু মহাসড়কে ভয়াবহ এক ট্রাক দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৭ জনে। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ১০ জনের বেশী।
আজ সোমবার ভোর চারদিকে উত্তরবঙ্গগামী লেনে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার সরাতৈল এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রডবোঝাই ট্রাকটি মহাসড়কের পাশের খাদে উল্টে পড়লে হতাহতের এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রডবোঝাই ট্রাকটিতে যাচ্ছিলেন অনেক যাত্রী। দুর্ঘটনার সময় তাদের অধিকাংশই ছিলেন ঘুমিয়ে। ধারণা করা হচ্ছে, ঘুমিয়ে থাকার কারণেই হতাহতের সংখ্যা এত বেশি হয়েছে। ট্রাকটি উল্টে গেলে ট্রাক ও রডের নিচে চাপা পড়ে মৃত্যু হয় অনেকের।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে এলেঙ্গা ফায়ার সার্ভিস, যমুনা সেতু পূর্ব থানা-পুলিশ ও যমুনা সেতু কর্তৃপক্ষের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা হয় ১৫ জনের মরদেহ এবং আহত অন্তত ১০ জনকে পাঠানো হয় টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে।
এদিকে উদ্ধারকাজের কারণে ভোর ৪টা ২৫ মিনিট থেকে ৫টা ২০ মিনিট পর্যন্ত মহাসড়কের ঢাকামুখী লেনে যান চলাচল সাময়িক বন্ধ ছিল। পরে সেতু পূর্ব ভূঞাপুর লিংক রোড দিয়ে ঢাকাগামী এবং পুরাতন সড়ক ব্যবহার করে উত্তরবঙ্গগামী যানবাহন চলাচলের ব্যবস্থা করা হলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করে।
যমুনা সেতু পূর্ব থানার ওসি খন্দকার ফুয়াদ রুহানি এতথ্য নিশ্চিত করে বলেন, বর্তমানে মহাসড়কে যান চলাচল আগের তুলনায় স্বাভাবিক রয়েছে। উদ্ধার অভিযান শেষ হয়েছে এবং এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
পুলিশের ধারণা, ঈদে ঘরে ফেরা যাত্রীরা বিভিন্ন স্থান থেকে ওই ট্রাকটিতে উঠেছিলেন। নিহতদের পরিচয় শনাক্ত করতে পুলিশ চেষ্টা চালাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ মে ২০২৬
ঢাকা, টাঙ্গাইল ও যমুনা সেতু মহাসড়কে ভয়াবহ এক ট্রাক দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৭ জনে। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ১০ জনের বেশী।
আজ সোমবার ভোর চারদিকে উত্তরবঙ্গগামী লেনে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার সরাতৈল এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রডবোঝাই ট্রাকটি মহাসড়কের পাশের খাদে উল্টে পড়লে হতাহতের এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রডবোঝাই ট্রাকটিতে যাচ্ছিলেন অনেক যাত্রী। দুর্ঘটনার সময় তাদের অধিকাংশই ছিলেন ঘুমিয়ে। ধারণা করা হচ্ছে, ঘুমিয়ে থাকার কারণেই হতাহতের সংখ্যা এত বেশি হয়েছে। ট্রাকটি উল্টে গেলে ট্রাক ও রডের নিচে চাপা পড়ে মৃত্যু হয় অনেকের।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে এলেঙ্গা ফায়ার সার্ভিস, যমুনা সেতু পূর্ব থানা-পুলিশ ও যমুনা সেতু কর্তৃপক্ষের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা হয় ১৫ জনের মরদেহ এবং আহত অন্তত ১০ জনকে পাঠানো হয় টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে।
এদিকে উদ্ধারকাজের কারণে ভোর ৪টা ২৫ মিনিট থেকে ৫টা ২০ মিনিট পর্যন্ত মহাসড়কের ঢাকামুখী লেনে যান চলাচল সাময়িক বন্ধ ছিল। পরে সেতু পূর্ব ভূঞাপুর লিংক রোড দিয়ে ঢাকাগামী এবং পুরাতন সড়ক ব্যবহার করে উত্তরবঙ্গগামী যানবাহন চলাচলের ব্যবস্থা করা হলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করে।
যমুনা সেতু পূর্ব থানার ওসি খন্দকার ফুয়াদ রুহানি এতথ্য নিশ্চিত করে বলেন, বর্তমানে মহাসড়কে যান চলাচল আগের তুলনায় স্বাভাবিক রয়েছে। উদ্ধার অভিযান শেষ হয়েছে এবং এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
পুলিশের ধারণা, ঈদে ঘরে ফেরা যাত্রীরা বিভিন্ন স্থান থেকে ওই ট্রাকটিতে উঠেছিলেন। নিহতদের পরিচয় শনাক্ত করতে পুলিশ চেষ্টা চালাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন