জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের (টিএসসিতে) মহিলা ওয়াশরুমে নারী শিক্ষার্থীর গোপনে ভিডিও ধারণ করতে গিয়ে আটক এক বহিরাগতকে পুলিশে সোপর্দ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) দিবাগত রাত পৌনে দুইটার দিকে নারী শিক্ষার্থীদের হাতে আটক হন ঐ বহিরাগত।
আটক বহিরাগত হলেন- কেরানীগঞ্জের বাসিন্দা রিয়াজ আহমেদ (রাজ)। তিনি আরএফএল ইলেকট্রনিক্স গ্রুপের ব্রাঞ্চ ম্যানেজার বলে জানান।
অভিযোগপত্র ও ভুক্তভোগীর সহপাঠীদের সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত রিয়াজ বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে নারী শিক্ষার্থীদের ওয়াশরুমে প্রবেশ করেন। এ সময় এক নারী শিক্ষার্থী তাকে ওয়াশরুমের ভেতরে দেখতে পেয়ে তার পরিচয় ও সেখানে প্রবেশের কারণ জানতে চান।
পরে তার আচরণ সন্দেহজনক হলে শিক্ষার্থীরা তার মোবাইল ফোন চেক করতে চাইলে অভিযুক্ত দিতে নারাজ হয়। এমন অবস্থায় শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে মোবাইল দিলে তার ফোনে গোপনে ওয়াশরুমের দরজার ফাঁকা দিয়ে ভিডিও ধারণ পাওয়া যায়। এছাড়া বিগত জানুয়ারি মাস থেকে নিয়মিত এই ওয়াশরুমে নারীদের গোপন ভিডিও পাওয়া যায় তার ফেন গ্যালারি তে।
এসময় উপস্থিত শিক্ষার্থীরা তাকে উত্তম- মাধ্যমে দেন। পরে নিরাপত্তা কর্মকর্তারা তাকে প্রক্টরের সহযোগিতায় পুলিশে সোপর্দ করতে গেলে শিক্ষার্থীরা ভুক্তভোগীর লিখিত অভিযোগ নিয়ে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মামলা করতে বলে।
এরপর ভুক্তভোগী ও সাক্ষীদের লিখিত অভিযোগ নিয়ে তাকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়। এসময় তার মোবাইল ফোন জব্দ করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন শিক্ষার্থীরা।
তবে অভিযুক্ত এ বিষয়ে দোষ স্বীকার করেননি। তিনি জানান ক্যাম্পাসের এক শিক্ষার্থীর ফোনে টাকা না থাকায় তার ফোনটি নেন কথা বলার জন্য। পরে ঐ শিক্ষার্থী মেয়েদের ওয়াশরুমের দিকে গেলে তিনিও পিছু পিছু মেয়েদের ওয়াশরুমে যান বলে জানান তিনি।
এ বিষয়ে উপপরিদর্শক আজিজুর রহমান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের অভিযোগে আমরা তাকে আটক করেছি। প্রাথমিক তদন্ত শেষে তার বিরুদ্ধে মামলা করা হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. রাশিদুল আলম বলেন, শিক্ষার্থীদের খবরে আমরা তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করি। তার মোবাইলে ভিডিও পাওয়া গেছে। এজন্য নিয়ম মেনে তাকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে বাদী হয়ে মামলার প্রস্তুতি গ্রহণ করেছি।
পরে, অভিযুক্তের সাথে ক্যাম্পাস থেকে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী সহ আরও কয়েকজন শিক্ষার্থী যান এ বি থানায় এজহার দায়ের করতে।
বিষয় : জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুন ২০২৬
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের (টিএসসিতে) মহিলা ওয়াশরুমে নারী শিক্ষার্থীর গোপনে ভিডিও ধারণ করতে গিয়ে আটক এক বহিরাগতকে পুলিশে সোপর্দ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) দিবাগত রাত পৌনে দুইটার দিকে নারী শিক্ষার্থীদের হাতে আটক হন ঐ বহিরাগত।
আটক বহিরাগত হলেন- কেরানীগঞ্জের বাসিন্দা রিয়াজ আহমেদ (রাজ)। তিনি আরএফএল ইলেকট্রনিক্স গ্রুপের ব্রাঞ্চ ম্যানেজার বলে জানান।
অভিযোগপত্র ও ভুক্তভোগীর সহপাঠীদের সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত রিয়াজ বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে নারী শিক্ষার্থীদের ওয়াশরুমে প্রবেশ করেন। এ সময় এক নারী শিক্ষার্থী তাকে ওয়াশরুমের ভেতরে দেখতে পেয়ে তার পরিচয় ও সেখানে প্রবেশের কারণ জানতে চান।
পরে তার আচরণ সন্দেহজনক হলে শিক্ষার্থীরা তার মোবাইল ফোন চেক করতে চাইলে অভিযুক্ত দিতে নারাজ হয়। এমন অবস্থায় শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে মোবাইল দিলে তার ফোনে গোপনে ওয়াশরুমের দরজার ফাঁকা দিয়ে ভিডিও ধারণ পাওয়া যায়। এছাড়া বিগত জানুয়ারি মাস থেকে নিয়মিত এই ওয়াশরুমে নারীদের গোপন ভিডিও পাওয়া যায় তার ফেন গ্যালারি তে।
এসময় উপস্থিত শিক্ষার্থীরা তাকে উত্তম- মাধ্যমে দেন। পরে নিরাপত্তা কর্মকর্তারা তাকে প্রক্টরের সহযোগিতায় পুলিশে সোপর্দ করতে গেলে শিক্ষার্থীরা ভুক্তভোগীর লিখিত অভিযোগ নিয়ে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মামলা করতে বলে।
এরপর ভুক্তভোগী ও সাক্ষীদের লিখিত অভিযোগ নিয়ে তাকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়। এসময় তার মোবাইল ফোন জব্দ করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন শিক্ষার্থীরা।
তবে অভিযুক্ত এ বিষয়ে দোষ স্বীকার করেননি। তিনি জানান ক্যাম্পাসের এক শিক্ষার্থীর ফোনে টাকা না থাকায় তার ফোনটি নেন কথা বলার জন্য। পরে ঐ শিক্ষার্থী মেয়েদের ওয়াশরুমের দিকে গেলে তিনিও পিছু পিছু মেয়েদের ওয়াশরুমে যান বলে জানান তিনি।
এ বিষয়ে উপপরিদর্শক আজিজুর রহমান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের অভিযোগে আমরা তাকে আটক করেছি। প্রাথমিক তদন্ত শেষে তার বিরুদ্ধে মামলা করা হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. রাশিদুল আলম বলেন, শিক্ষার্থীদের খবরে আমরা তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করি। তার মোবাইলে ভিডিও পাওয়া গেছে। এজন্য নিয়ম মেনে তাকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে বাদী হয়ে মামলার প্রস্তুতি গ্রহণ করেছি।
পরে, অভিযুক্তের সাথে ক্যাম্পাস থেকে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী সহ আরও কয়েকজন শিক্ষার্থী যান এ বি থানায় এজহার দায়ের করতে।

আপনার মতামত লিখুন