ঢাকার কণ্ঠ
আপডেট : শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬ । ০২:৫৮ মিনিট

এইচএসসিতে বড় ধাক্কা, ইংরেজি-আইসিটিতেই ফেল সবচেয়ে বেশি

এইচএসসিতে বড় ধাক্কা, ইংরেজি-আইসিটিতেই ফেল সবচেয়ে বেশি

চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ইংরেজি ও তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয়ে সবচেয়ে বেশি শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছেন। এ দুই বিষয়ে মোট ৩ লাখ ৮২ হাজার ২১ জন পরীক্ষার্থী ফেল করেছেন। এর মধ্যে ইংরেজিতে ২ লাখ ৪৩ হাজার ৫২৮ জন এবং আইসিটিতে ১ লাখ ৩৮ হাজার ৪৯৩ জন।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) প্রকাশিত ফলাফলের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে এ তথ্য উঠে এসেছে। দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এবার পরীক্ষায় অংশ নেন ১২ লাখ ৪০ হাজার ৭৯৮ জন শিক্ষার্থী। তাঁদের মধ্যে পাস করেছেন ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন। অকৃতকার্য হয়েছেন ৫ লাখ ৯৪ হাজার ১১৩ জন।

এবার সব শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ। গত ২১ বছরের মধ্যে এটি সর্বনিম্ন পাসের হার। এর আগে ২০০৪ সালে পাসের হার ছিল ৪৭ দশমিক ৭৪ শতাংশ।

এদিকে, অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পুনরায় পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়ার কথা জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। আগামী এক থেকে দুই মাসের মধ্যে এ পরীক্ষা আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। কোনো শিক্ষার্থী যতটি বিষয়ে ফেল করেছেন, তাঁকে শুধু সেই বিষয়গুলোতেই পুনরায় পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

বিষয় : এইচএসসি পরীক্ষা ফেল

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ঢাকার কণ্ঠ

শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬


এইচএসসিতে বড় ধাক্কা, ইংরেজি-আইসিটিতেই ফেল সবচেয়ে বেশি

প্রকাশের তারিখ : ৩১ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ইংরেজি ও তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয়ে সবচেয়ে বেশি শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছেন। এ দুই বিষয়ে মোট ৩ লাখ ৮২ হাজার ২১ জন পরীক্ষার্থী ফেল করেছেন। এর মধ্যে ইংরেজিতে ২ লাখ ৪৩ হাজার ৫২৮ জন এবং আইসিটিতে ১ লাখ ৩৮ হাজার ৪৯৩ জন।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) প্রকাশিত ফলাফলের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে এ তথ্য উঠে এসেছে। দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এবার পরীক্ষায় অংশ নেন ১২ লাখ ৪০ হাজার ৭৯৮ জন শিক্ষার্থী। তাঁদের মধ্যে পাস করেছেন ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন। অকৃতকার্য হয়েছেন ৫ লাখ ৯৪ হাজার ১১৩ জন।

এবার সব শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ। গত ২১ বছরের মধ্যে এটি সর্বনিম্ন পাসের হার। এর আগে ২০০৪ সালে পাসের হার ছিল ৪৭ দশমিক ৭৪ শতাংশ।

এদিকে, অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পুনরায় পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়ার কথা জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। আগামী এক থেকে দুই মাসের মধ্যে এ পরীক্ষা আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। কোনো শিক্ষার্থী যতটি বিষয়ে ফেল করেছেন, তাঁকে শুধু সেই বিষয়গুলোতেই পুনরায় পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।


ঢাকার কণ্ঠ

সম্পাদক: লিটন মাহমুদ
প্রধান সম্পাদক: মো: আল-আমীন (পনির)
নির্বাহী সম্পাদক: শেখ ফরিদ

কপিরাইট © ২০২৫ ঢাকার কণ্ঠ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত