ঢাকার কণ্ঠ

পাহাড় থেকে খাদে পড়ে মারা গেল মা হাতি

পাহাড় থেকে খাদে পড়ে মারা গেল মা হাতি

টানা বৃষ্টিতে পাহাড়ের মাটি ধসে কক্সবাজারের টেকনাফে পাহাড় থেকে খাদে পড়ে গুরুতর আহত হওয়া একটি বন্য মা হাতির মৃত্যু হয়েছে। প্রায় ১৮ ঘণ্টা ধরে চিকিৎসা চললেও শেষ পর্যন্ত তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।

রোববার (১২ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে হাতিটির মৃত্যু হয় বলে নিশ্চিত করেছেন কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) আব্দুল্লাহ আল মামুন।

এর আগে শনিবার (১১ জুলাই) দুপুরে টেকনাফ পৌরসভার নাইট্যাংপাড়া ১ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটে। বন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, টানা বৃষ্টিতে পাহাড়ের মাটি নরম হয়ে যাওয়ায় লতাপাতা খাওয়ার সময় প্রায় ২০০ ফুট উঁচু পাহাড় থেকে পা পিছলে খাদে পড়ে যায় হাতিটি।

দুর্ঘটনার খবর পেয়ে বন বিভাগ, এলিফ্যান্ট রেসপন্স টিম (ইআরটি), প্রাণিসম্পদ বিভাগের চিকিৎসক এবং বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে রাতভর চিকিৎসা চালান। তবে গুরুতর আঘাতের কারণে শেষ পর্যন্ত হাতিটিকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।

ডিএফও আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, হাতিটির মেরুদণ্ড ও পেছনের পা ভেঙে গিয়েছিল। পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ আঘাতও ছিল গুরুতর। এসব কারণেই সব ধরনের চিকিৎসা প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়।

বন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, মৃত হাতিটির আনুমানিক বয়স ছিল ৪০ বছর। প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে বন বিভাগের তত্ত্বাবধানে হাতিটির মরদেহ দাফন করা হবে।

এদিকে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, ঘটনাটি জানার পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান হাতিটির চিকিৎসায় সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছিলেন। তবুও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে প্রায় ১৮ ঘণ্টা পর হাতিটি মারা যায়।

বিষয় : মা হাতি

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ঢাকার কণ্ঠ

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬


পাহাড় থেকে খাদে পড়ে মারা গেল মা হাতি

প্রকাশের তারিখ : ১২ জুলাই ২০২৬

featured Image

টানা বৃষ্টিতে পাহাড়ের মাটি ধসে কক্সবাজারের টেকনাফে পাহাড় থেকে খাদে পড়ে গুরুতর আহত হওয়া একটি বন্য মা হাতির মৃত্যু হয়েছে। প্রায় ১৮ ঘণ্টা ধরে চিকিৎসা চললেও শেষ পর্যন্ত তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।

রোববার (১২ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে হাতিটির মৃত্যু হয় বলে নিশ্চিত করেছেন কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) আব্দুল্লাহ আল মামুন।

এর আগে শনিবার (১১ জুলাই) দুপুরে টেকনাফ পৌরসভার নাইট্যাংপাড়া ১ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটে। বন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, টানা বৃষ্টিতে পাহাড়ের মাটি নরম হয়ে যাওয়ায় লতাপাতা খাওয়ার সময় প্রায় ২০০ ফুট উঁচু পাহাড় থেকে পা পিছলে খাদে পড়ে যায় হাতিটি।

দুর্ঘটনার খবর পেয়ে বন বিভাগ, এলিফ্যান্ট রেসপন্স টিম (ইআরটি), প্রাণিসম্পদ বিভাগের চিকিৎসক এবং বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে রাতভর চিকিৎসা চালান। তবে গুরুতর আঘাতের কারণে শেষ পর্যন্ত হাতিটিকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।

ডিএফও আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, হাতিটির মেরুদণ্ড ও পেছনের পা ভেঙে গিয়েছিল। পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ আঘাতও ছিল গুরুতর। এসব কারণেই সব ধরনের চিকিৎসা প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়।

বন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, মৃত হাতিটির আনুমানিক বয়স ছিল ৪০ বছর। প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে বন বিভাগের তত্ত্বাবধানে হাতিটির মরদেহ দাফন করা হবে।

এদিকে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, ঘটনাটি জানার পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান হাতিটির চিকিৎসায় সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছিলেন। তবুও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে প্রায় ১৮ ঘণ্টা পর হাতিটি মারা যায়।


ঢাকার কণ্ঠ

সম্পাদক: লিটন মাহমুদ
প্রধান সম্পাদক: মো: আল-আমীন (পনির)
নির্বাহী সম্পাদক: শেখ ফরিদ

কপিরাইট © ২০২৫ ঢাকার কণ্ঠ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত