পাকিস্তানের দারুল উলুম করাচির প্রেসিডেন্ট এবং ফেডারেশন অব আরব স্কুলসের সভাপতি মুফতি মুহাম্মদ তাকি উসমানি ক্রিপ্টোকারেন্সির কেনাবেচাকে ইসলামি শরিয়াহ অনুযায়ী অবৈধ বা ‘হারাম’ ঘোষণা করে একটি বিস্তারিত ফতোয়া জারি করেছেন। ফতোয়ায় বলা হয়েছে, ক্রিপ্টোকারেন্সি ইসলামি বিধিবিধানে বর্ণিত ‘মাল’ (সম্পদ) হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ করে না। বিশেষজ্ঞ মতামত ও গবেষণার ভিত্তিতে এতে উল্লেখ করা হয়েছে, ক্রিপ্টোকারেন্সি কোনো বাস্তব বা শরিয়াহ-স্বীকৃত সম্পদ নয়; বরং এটি ডিজিটাল অ্যাকাউন্টে সংরক্ষিত কিছু ভার্চুয়াল সংখ্যার সমষ্টি। মুফতি তাকি উসমানি বলেন, ইসলামি আইনে বৈধ মালিকানার জন্য যেসব মৌলিক শর্ত রয়েছে, ক্রিপ্টোকারেন্সি সেগুলো পূরণে ব্যর্থ হয়েছে। ফলে এটি কেনাবেচার জন্য বৈধ সম্পদ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে না। ফতোয়ায় আরও বলা হয়েছে, বিটকয়েন, ইউএসডিটি, স্টেবলকয়েন কিংবা অন্য যেকোনো ধরনের ক্রিপ্টো টোকেন ব্যবহার করে পণ্য ক্রয়-বিক্রয় বা আর্থিক লেনদেন শরিয়াহসম্মত নয়। ভার্চুয়াল কারেন্সি, ক্রিপ্টো টোকেন বা স্টেবলকয়েন—যে নামেই পরিচিত হোক না কেন, সব ধরনের ডিজিটাল সম্পদের ক্ষেত্রেই একই শরিয়াহ বিধান প্রযোজ্য হবে। ফতোয়া প্রদানকারী আলেমরা যুক্তি দিয়েছেন, ইসলামি ফিকহ অনুযায়ী বৈধ সম্পদ ও মালিকানার যে সংজ্ঞা রয়েছে, ক্রিপ্টোকারেন্সি তা পূরণ করতে পারে না। ফলে এসব ডিজিটাল সম্পদের লেনদেন ও ট্রেডিং শরিয়াহর দৃষ্টিতে বৈধ নয়। মুফতি তাকি উসমানির এই ফতোয়া ক্রিপ্টোকারেন্সির ধর্মীয় বৈধতা নিয়ে বিশ্বজুড়ে ইসলামি গবেষক ও আলেমদের মধ্যে চলমান বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জুলাই ২০২৬
পাকিস্তানের দারুল উলুম করাচির প্রেসিডেন্ট এবং ফেডারেশন অব আরব স্কুলসের সভাপতি মুফতি মুহাম্মদ তাকি উসমানি ক্রিপ্টোকারেন্সির কেনাবেচাকে ইসলামি শরিয়াহ অনুযায়ী অবৈধ বা ‘হারাম’ ঘোষণা করে একটি বিস্তারিত ফতোয়া জারি করেছেন। ফতোয়ায় বলা হয়েছে, ক্রিপ্টোকারেন্সি ইসলামি বিধিবিধানে বর্ণিত ‘মাল’ (সম্পদ) হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ করে না। বিশেষজ্ঞ মতামত ও গবেষণার ভিত্তিতে এতে উল্লেখ করা হয়েছে, ক্রিপ্টোকারেন্সি কোনো বাস্তব বা শরিয়াহ-স্বীকৃত সম্পদ নয়; বরং এটি ডিজিটাল অ্যাকাউন্টে সংরক্ষিত কিছু ভার্চুয়াল সংখ্যার সমষ্টি। মুফতি তাকি উসমানি বলেন, ইসলামি আইনে বৈধ মালিকানার জন্য যেসব মৌলিক শর্ত রয়েছে, ক্রিপ্টোকারেন্সি সেগুলো পূরণে ব্যর্থ হয়েছে। ফলে এটি কেনাবেচার জন্য বৈধ সম্পদ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে না। ফতোয়ায় আরও বলা হয়েছে, বিটকয়েন, ইউএসডিটি, স্টেবলকয়েন কিংবা অন্য যেকোনো ধরনের ক্রিপ্টো টোকেন ব্যবহার করে পণ্য ক্রয়-বিক্রয় বা আর্থিক লেনদেন শরিয়াহসম্মত নয়। ভার্চুয়াল কারেন্সি, ক্রিপ্টো টোকেন বা স্টেবলকয়েন—যে নামেই পরিচিত হোক না কেন, সব ধরনের ডিজিটাল সম্পদের ক্ষেত্রেই একই শরিয়াহ বিধান প্রযোজ্য হবে। ফতোয়া প্রদানকারী আলেমরা যুক্তি দিয়েছেন, ইসলামি ফিকহ অনুযায়ী বৈধ সম্পদ ও মালিকানার যে সংজ্ঞা রয়েছে, ক্রিপ্টোকারেন্সি তা পূরণ করতে পারে না। ফলে এসব ডিজিটাল সম্পদের লেনদেন ও ট্রেডিং শরিয়াহর দৃষ্টিতে বৈধ নয়। মুফতি তাকি উসমানির এই ফতোয়া ক্রিপ্টোকারেন্সির ধর্মীয় বৈধতা নিয়ে বিশ্বজুড়ে ইসলামি গবেষক ও আলেমদের মধ্যে চলমান বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

আপনার মতামত লিখুন