ঢাকার আমিনবাজার-হেমায়েতপুর মহাসড়কের পাশে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বর্জ্য ফেলতে গিয়ে জেলা প্রশাসকের আকস্মিক পরিদর্শনে হাতেনাতে ধরা পড়েছেন কয়েকজন পরিচ্ছন্নতাকর্মী। ঘটনাস্থলেই তাদের সাময়িক বরখাস্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) সকালে ঢাকা জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম মহাসড়কসংলগ্ন পরিচ্ছন্নতা ও সৌন্দর্যবর্ধন কার্যক্রম পরিদর্শনে গেলে এ অনিয়ম ধরা পড়ে। এর আগে একাধিকবার মহাসড়কের পাশে বর্জ্য না ফেলার কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হলেও তা অমান্য করে কয়েকজন কর্মীকে সেখানে বর্জ্য ফেলতে দেখা যায়।
ঘটনাস্থলেই জেলা প্রশাসক অভিযুক্তদের তীব্র ভর্ৎসনা করেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে তাদের সাময়িক বরখাস্তের নির্দেশ দেন। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে মহাসড়কের পাশে বর্জ্য ফেলা সম্পূর্ণ বন্ধ করে সুষ্ঠু বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়।
পরিদর্শন শেষে জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম বলেন, "মহাসড়কের পাশে কোনোভাবেই বর্জ্য ফেলা যাবে না। এ বিষয়ে আগেই স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তারপরও যারা নির্দেশ অমান্য করেছে, তাদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পরিবেশ, জনস্বাস্থ্য ও জনস্বার্থের প্রশ্নে কোনো ধরনের আপস করা হবে না।"
তিনি আরও জানান, ভবিষ্যতেও এ ধরনের অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।
জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, পরিবেশ দূষণ রোধ, দুর্গন্ধমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিতকরণ এবং সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ কমাতে মহাসড়ক ও জনবহুল এলাকায় অবৈধভাবে বর্জ্য ফেলা বন্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে। নির্দেশনা অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, প্রায় দুই দশক ধরে অব্যবস্থাপনা ও পরিবেশ দূষণে ভোগান্তির শিকার আমিনবাজার-হেমায়েতপুর মহাসড়ককে পরিচ্ছন্ন, দুর্গন্ধমুক্ত ও দৃষ্টিনন্দন করতে ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে মহাসড়কের দুই পাশের পুরোনো বর্জ্য অপসারণ করে নির্ধারিত ল্যান্ডফিলে নেওয়া হচ্ছে, বালি ও মাটি দিয়ে স্লোপ নির্মাণ করা হচ্ছে এবং নিম, সুপারি ও নারিকেল গাছ রোপণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এছাড়া ভবিষ্যতে যাতে কেউ মহাসড়কের পাশে বর্জ্য ফেলতে না পারে, সে জন্য দুই পাশে উঁচু সুরক্ষা বেড়া নির্মাণ এবং নজরদারি আরও জোরদার করার পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছে জেলা প্রশাসন।

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ জুলাই ২০২৬
ঢাকার আমিনবাজার-হেমায়েতপুর মহাসড়কের পাশে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বর্জ্য ফেলতে গিয়ে জেলা প্রশাসকের আকস্মিক পরিদর্শনে হাতেনাতে ধরা পড়েছেন কয়েকজন পরিচ্ছন্নতাকর্মী। ঘটনাস্থলেই তাদের সাময়িক বরখাস্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) সকালে ঢাকা জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম মহাসড়কসংলগ্ন পরিচ্ছন্নতা ও সৌন্দর্যবর্ধন কার্যক্রম পরিদর্শনে গেলে এ অনিয়ম ধরা পড়ে। এর আগে একাধিকবার মহাসড়কের পাশে বর্জ্য না ফেলার কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হলেও তা অমান্য করে কয়েকজন কর্মীকে সেখানে বর্জ্য ফেলতে দেখা যায়।
ঘটনাস্থলেই জেলা প্রশাসক অভিযুক্তদের তীব্র ভর্ৎসনা করেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে তাদের সাময়িক বরখাস্তের নির্দেশ দেন। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে মহাসড়কের পাশে বর্জ্য ফেলা সম্পূর্ণ বন্ধ করে সুষ্ঠু বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়।
পরিদর্শন শেষে জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম বলেন, "মহাসড়কের পাশে কোনোভাবেই বর্জ্য ফেলা যাবে না। এ বিষয়ে আগেই স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তারপরও যারা নির্দেশ অমান্য করেছে, তাদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পরিবেশ, জনস্বাস্থ্য ও জনস্বার্থের প্রশ্নে কোনো ধরনের আপস করা হবে না।"
তিনি আরও জানান, ভবিষ্যতেও এ ধরনের অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।
জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, পরিবেশ দূষণ রোধ, দুর্গন্ধমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিতকরণ এবং সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ কমাতে মহাসড়ক ও জনবহুল এলাকায় অবৈধভাবে বর্জ্য ফেলা বন্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে। নির্দেশনা অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, প্রায় দুই দশক ধরে অব্যবস্থাপনা ও পরিবেশ দূষণে ভোগান্তির শিকার আমিনবাজার-হেমায়েতপুর মহাসড়ককে পরিচ্ছন্ন, দুর্গন্ধমুক্ত ও দৃষ্টিনন্দন করতে ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে মহাসড়কের দুই পাশের পুরোনো বর্জ্য অপসারণ করে নির্ধারিত ল্যান্ডফিলে নেওয়া হচ্ছে, বালি ও মাটি দিয়ে স্লোপ নির্মাণ করা হচ্ছে এবং নিম, সুপারি ও নারিকেল গাছ রোপণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এছাড়া ভবিষ্যতে যাতে কেউ মহাসড়কের পাশে বর্জ্য ফেলতে না পারে, সে জন্য দুই পাশে উঁচু সুরক্ষা বেড়া নির্মাণ এবং নজরদারি আরও জোরদার করার পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছে জেলা প্রশাসন।

আপনার মতামত লিখুন