ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে হামদু মিয়া (৫০) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
শনিবার (১ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৯টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত উপজেলার হরষপুর ইউনিয়নের বাইগদা বন্দেরবাড়ি এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেলে লুডু খেলাকে কেন্দ্র করে হামদু মিয়ার ছেলে নীরব (১১) এবং প্রতিবেশী আবুল হোসেনের ছেলে ইয়াছিনের (১২) মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। অভিযোগ রয়েছে, এ সময় ইয়াছিন নীরবকে থাপ্পড় দিলে দুই পরিবারের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়। একপর্যায়ে হামদু মিয়ার লাঠির আঘাতে ইয়াছিনের মাথা ফেটে যায়।
এই ঘটনার জেরে শনিবার (১ আগস্ট) সকালে আবুল হোসেনের লোকজন হামদু মিয়ার বাড়িতে হামলা চালায় বলে অভিযোগ। পরে উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষ চলাকালে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে হামদু মিয়া নিহত হন।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) এম এম রকীব উর রাজা জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে নতুন করে সংঘর্ষ এড়াতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ আগস্ট ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে হামদু মিয়া (৫০) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
শনিবার (১ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৯টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত উপজেলার হরষপুর ইউনিয়নের বাইগদা বন্দেরবাড়ি এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেলে লুডু খেলাকে কেন্দ্র করে হামদু মিয়ার ছেলে নীরব (১১) এবং প্রতিবেশী আবুল হোসেনের ছেলে ইয়াছিনের (১২) মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। অভিযোগ রয়েছে, এ সময় ইয়াছিন নীরবকে থাপ্পড় দিলে দুই পরিবারের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়। একপর্যায়ে হামদু মিয়ার লাঠির আঘাতে ইয়াছিনের মাথা ফেটে যায়।
এই ঘটনার জেরে শনিবার (১ আগস্ট) সকালে আবুল হোসেনের লোকজন হামদু মিয়ার বাড়িতে হামলা চালায় বলে অভিযোগ। পরে উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষ চলাকালে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে হামদু মিয়া নিহত হন।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) এম এম রকীব উর রাজা জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে নতুন করে সংঘর্ষ এড়াতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

আপনার মতামত লিখুন