সাভারে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা মামলায় নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন ‘নব্য জেএমবি’র সদস্য মোহাম্মদ আরিফ ওরফে ইমরানকে ছয় দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের শুনানি শেষে ঢাকার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম সোহাগ এ আদেশ দেন। এদিন আদালতে আরিফের পক্ষে কোনো আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না।
সাভার জিআরও শাখার উপপরিদর্শক (এসআই) বাহাজ উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সাভার মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) নুর মোহাম্মদ আসামিকে আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন।
মামলার তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে গত ১১ আগস্ট রাতে সাভারের বিসিক শিল্পনগরী এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরিফকে আটক করা হয়। পরদিন তাকে পুলিশ বাদী হয়ে দায়ের করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
পুলিশের দাবি, অভিযানের সময় আরিফের সঙ্গে থাকা আরও কয়েকজন পালিয়ে যায়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শ্যামপুরের একটি ভাড়া বাসায় অভিযান চালিয়ে ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডে ব্যবহারের সরঞ্জাম ও বিস্ফোরক তৈরির কিছু উপাদান উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে জিহাদি বই ও নব্য জেএমবির সাংগঠনিক নথিও জব্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে দেওয়া আবেদনে বলেন, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে রাষ্ট্রবিরোধী ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনা এবং দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির উদ্দেশ্যে একত্রিত হয়েছিল। পলাতক আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার এবং সংগঠনের অর্থদাতা, পরামর্শদাতা ও নির্দেশদাতাদের বিষয়ে তথ্য জানতে আরিফকে জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন।
এ কারণে ১০ দিনের রিমান্ড চাওয়া হলেও শুনানি শেষে আদালত ছয় দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
বিষয় : নব্য জেএমবি

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ আগস্ট ২০২৬
সাভারে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা মামলায় নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন ‘নব্য জেএমবি’র সদস্য মোহাম্মদ আরিফ ওরফে ইমরানকে ছয় দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের শুনানি শেষে ঢাকার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম সোহাগ এ আদেশ দেন। এদিন আদালতে আরিফের পক্ষে কোনো আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না।
সাভার জিআরও শাখার উপপরিদর্শক (এসআই) বাহাজ উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সাভার মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) নুর মোহাম্মদ আসামিকে আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন।
মামলার তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে গত ১১ আগস্ট রাতে সাভারের বিসিক শিল্পনগরী এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরিফকে আটক করা হয়। পরদিন তাকে পুলিশ বাদী হয়ে দায়ের করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
পুলিশের দাবি, অভিযানের সময় আরিফের সঙ্গে থাকা আরও কয়েকজন পালিয়ে যায়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শ্যামপুরের একটি ভাড়া বাসায় অভিযান চালিয়ে ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডে ব্যবহারের সরঞ্জাম ও বিস্ফোরক তৈরির কিছু উপাদান উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে জিহাদি বই ও নব্য জেএমবির সাংগঠনিক নথিও জব্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে দেওয়া আবেদনে বলেন, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে রাষ্ট্রবিরোধী ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনা এবং দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির উদ্দেশ্যে একত্রিত হয়েছিল। পলাতক আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার এবং সংগঠনের অর্থদাতা, পরামর্শদাতা ও নির্দেশদাতাদের বিষয়ে তথ্য জানতে আরিফকে জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন।
এ কারণে ১০ দিনের রিমান্ড চাওয়া হলেও শুনানি শেষে আদালত ছয় দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

আপনার মতামত লিখুন