রাজধানীর সড়কে নতুন করে চালু হওয়া নারী বাসসেবার এক নারী চালকের বিব্রতকর মুহূর্তের ভিডিও ধারণ ও প্রকাশ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্ন উঠেছে। একজন চালক ফ্লাইওভারে ওঠার সময় সমস্যায় পড়লে অন্য এক পুরুষ চালক তাকে সহায়তা করেন। ওই ঘটনার ভিডিও ধারণ করা হয় এবং পরে বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়।
‘ডায়েরি অব শি’ নামের একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পেজের পোস্টে দাবি করা হয়, নারী চালক ভিডিও ধারণ না করার জন্য উপস্থিত প্রতিবেদককে অনুরোধ করেছিলেন। বিশেষ করে পুরুষ চালক তার আসনে বসে তাকে সহায়তা করার দৃশ্যটি ধারণ না করার কথা বলেছিলেন তিনি। এরপরও ওই অংশ ভিডিও করা এবং পরে প্রকাশ করা হয়েছে বলে পোস্টে অভিযোগ করা হয়।
পোস্টটিতে বলা হয়, একজন নারী নতুন পেশায় কাজ শুরু করলে শুরুতে কোনো পরিস্থিতিতে অন্যের সহযোগিতা নেওয়া অস্বাভাবিক নয়। একজন দক্ষ চালক তাকে সহযোগিতা করেছেন ঘটনাটিকে সহযোগিতার উদাহরণ হিসেবেও দেখা যেত। কিন্তু সেটিকে নারী বাসচালকের সমস্যায় পড়ার ঘটনা হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে সমালোচনা করা হয়।
এ নিয়ে সাংবাদিকতার পেশাগত নৈতিকতা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে। কারও ব্যক্তিগত বা বিব্রতকর মুহূর্ত ধারণের ক্ষেত্রে তার আপত্তির বিষয়টি কতটা গুরুত্ব পাবে, সেটিই মূল আলোচনায় এসেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ওই পোস্টে বলা হয়েছে, সবকিছু ক্যামেরাবন্দি করা বা প্রকাশ করাই সাংবাদিকতার সাফল্য নয়। কোন ঘটনা জনস্বার্থে সংবাদ এবং কোনটি একজন মানুষের ব্যক্তিগত বিব্রতকর মুহূর্ত এই পার্থক্য বোঝা পেশাদারিত্বের অংশ।
পোস্টে আরও বলা হয়, নারী বাসচালক কোনো ভুল করলে সেটি নিয়ে সমালোচনা বা প্রশ্ন উঠতেই পারে। তবে কোনো পরিস্থিতিতে সাহায্য নেওয়াকে কেন্দ্র করে তাকে জনসমক্ষে হেয় করার মতো উপস্থাপন করা উচিত কি না, সেটিও বিবেচনার বিষয়।
রাজধানীতে সম্প্রতি নারীদের জন্য বিশেষ বাসসেবা চালু হওয়ার পর নারী চালকদের কর্মক্ষেত্রের বিভিন্ন বিষয়ও আলোচনায় এসেছে। এর মধ্যেই এই ভিডিওকে ঘিরে বিতর্ক সামনে এলো।
বিষয় : নারী বাসসেবা

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ আগস্ট ২০২৬
রাজধানীর সড়কে নতুন করে চালু হওয়া নারী বাসসেবার এক নারী চালকের বিব্রতকর মুহূর্তের ভিডিও ধারণ ও প্রকাশ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্ন উঠেছে। একজন চালক ফ্লাইওভারে ওঠার সময় সমস্যায় পড়লে অন্য এক পুরুষ চালক তাকে সহায়তা করেন। ওই ঘটনার ভিডিও ধারণ করা হয় এবং পরে বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়।
‘ডায়েরি অব শি’ নামের একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পেজের পোস্টে দাবি করা হয়, নারী চালক ভিডিও ধারণ না করার জন্য উপস্থিত প্রতিবেদককে অনুরোধ করেছিলেন। বিশেষ করে পুরুষ চালক তার আসনে বসে তাকে সহায়তা করার দৃশ্যটি ধারণ না করার কথা বলেছিলেন তিনি। এরপরও ওই অংশ ভিডিও করা এবং পরে প্রকাশ করা হয়েছে বলে পোস্টে অভিযোগ করা হয়।
পোস্টটিতে বলা হয়, একজন নারী নতুন পেশায় কাজ শুরু করলে শুরুতে কোনো পরিস্থিতিতে অন্যের সহযোগিতা নেওয়া অস্বাভাবিক নয়। একজন দক্ষ চালক তাকে সহযোগিতা করেছেন ঘটনাটিকে সহযোগিতার উদাহরণ হিসেবেও দেখা যেত। কিন্তু সেটিকে নারী বাসচালকের সমস্যায় পড়ার ঘটনা হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে সমালোচনা করা হয়।
এ নিয়ে সাংবাদিকতার পেশাগত নৈতিকতা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে। কারও ব্যক্তিগত বা বিব্রতকর মুহূর্ত ধারণের ক্ষেত্রে তার আপত্তির বিষয়টি কতটা গুরুত্ব পাবে, সেটিই মূল আলোচনায় এসেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ওই পোস্টে বলা হয়েছে, সবকিছু ক্যামেরাবন্দি করা বা প্রকাশ করাই সাংবাদিকতার সাফল্য নয়। কোন ঘটনা জনস্বার্থে সংবাদ এবং কোনটি একজন মানুষের ব্যক্তিগত বিব্রতকর মুহূর্ত এই পার্থক্য বোঝা পেশাদারিত্বের অংশ।
পোস্টে আরও বলা হয়, নারী বাসচালক কোনো ভুল করলে সেটি নিয়ে সমালোচনা বা প্রশ্ন উঠতেই পারে। তবে কোনো পরিস্থিতিতে সাহায্য নেওয়াকে কেন্দ্র করে তাকে জনসমক্ষে হেয় করার মতো উপস্থাপন করা উচিত কি না, সেটিও বিবেচনার বিষয়।
রাজধানীতে সম্প্রতি নারীদের জন্য বিশেষ বাসসেবা চালু হওয়ার পর নারী চালকদের কর্মক্ষেত্রের বিভিন্ন বিষয়ও আলোচনায় এসেছে। এর মধ্যেই এই ভিডিওকে ঘিরে বিতর্ক সামনে এলো।

আপনার মতামত লিখুন