ঢাকার কণ্ঠ
প্রকাশ : রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬। ০৬:২৪ মিনিট

মিটফোর্ডে সোহাগ হত্যা: এবার সাক্ষ্য দিলেন প্রত্যক্ষদর্শীসহ দুজন

মিটফোর্ডে সোহাগ হত্যা: এবার সাক্ষ্য দিলেন প্রত্যক্ষদর্শীসহ দুজন

পুরান ঢাকার মিটফোর্ড হাসপাতালের সামনে ভাঙারি ব্যবসায়ী লাল চাঁদ ওরফে সোহাগ হত্যা মামলায় আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীসহ দুইজন।আগামী ৬ সেপ্টেম্বর মামলাটির পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করা হয়েছে। 

রোববার (২৩ আগস্ট) ঢাকার ১ম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক আয়েশা আক্তার মৌসুমী দুই সাক্ষীর জবানবন্দি রেকর্ড করেন। পরে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা তাদের জেরা করেন। সাক্ষ্যগ্রহণ ও জেরা শেষে আদালত আগামী ৬ সেপ্টেম্বর পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করেন।

সাক্ষীরা হলেন- সোহাগের দোকানের কর্মচারী ও মামলার প্রত্যক্ষদর্শী মো. আমির হোসেন এবং পাশের দোকানের ব্যবসায়ী মিঠুন হাওলাদার। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী বিল্লাল হোসেন।

এর আগে, গত ১২ জুলাই আসামিদের অব্যাহতির আবেদন নামঞ্জুর করে মামলাটির বিচার শুরুর আদেশ দেন একই আদালত। পরে গত ৩ আগস্ট নিহতের বড় বোন ও মামলার বাদী মঞ্জুয়ারা বেগমের সাক্ষ্যগ্রহণের মধ্য দিয়ে মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়।

মামলার আসামিরা হলেন- মো. মাহমুদ হাসান মাহিন ওরফে মাহমুদুল হাসান (মহিন), মো. তারেক রহমান রবিন, মো. টিটন গাজী, মো. আলমগীর, মো. মনির ওরফে লম্বা মনির, মো. সজীব বেপারী, মো. নানু কাজী, মো. রিজওয়ান উদ্দীন ওরফে অভিজিৎ বসু, মো. জহিরুল ইসলাম, সাগর, মো. রুমান বেপারী, মো. আবির হোসেন, মো. পারভেজ, মো. জহিরুল ওরফে জলিল, মো. ইমরান, মো. শারাফাত ওরফে শফিউল ইসলাম, মো. জিয়াউদ্দিন রাজিব, মো. হোসেন চৌকিদার, মো. সারোয়ার হোসেন টিটু, মো. মঙ্গল মিয়া ওরফে মনির হোসেন এবং অপু দাস।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ৯ জুলাই সন্ধ্যা ৬টার দিকে পুরান ঢাকার মিটফোর্ড হাসপাতালের ৩ নম্বর গেটসংলগ্ন রজনী ঘোষ লেনে সড়কের ওপর একদল লোক ভাঙারি ব্যবসায়ী লাল চাঁদ ওরফে সোহাগকে পাথর দিয়ে আঘাত ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে হত্যা করে।

ঘটনার পরদিন, ১০ জুলাই নিহতের বড় বোন মঞ্জুয়ারা বেগম বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় ১৯ জনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা করেন। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ১৫ থেকে ২০ জনকে আসামি করা হয়।

তদন্ত শেষে গত বছরের ৮ ডিসেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কোতোয়ালি থানার (বর্তমানে শাহবাগ) তৎকালীন অফিসার ইনচার্জ মনিরুজ্জামান ২১ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। একই সঙ্গে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ১০ জনকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়।

তবে তদন্তে ত্রুটি থাকায় আদালত মামলাটি পুনরায় তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। পরে গত ১০ মে কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক শাহ মো. ফয়সাল আহমেদ পুনরায় তদন্ত শেষে ২১ জনের বিরুদ্ধে সম্পূরক চার্জশিট দাখিল করেন।

বিষয় : সোহাগ হত্যা

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ঢাকার কণ্ঠ

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬


মিটফোর্ডে সোহাগ হত্যা: এবার সাক্ষ্য দিলেন প্রত্যক্ষদর্শীসহ দুজন

প্রকাশের তারিখ : ২৩ আগস্ট ২০২৬

featured Image

পুরান ঢাকার মিটফোর্ড হাসপাতালের সামনে ভাঙারি ব্যবসায়ী লাল চাঁদ ওরফে সোহাগ হত্যা মামলায় আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীসহ দুইজন।আগামী ৬ সেপ্টেম্বর মামলাটির পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করা হয়েছে। 

রোববার (২৩ আগস্ট) ঢাকার ১ম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক আয়েশা আক্তার মৌসুমী দুই সাক্ষীর জবানবন্দি রেকর্ড করেন। পরে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা তাদের জেরা করেন। সাক্ষ্যগ্রহণ ও জেরা শেষে আদালত আগামী ৬ সেপ্টেম্বর পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করেন।

সাক্ষীরা হলেন- সোহাগের দোকানের কর্মচারী ও মামলার প্রত্যক্ষদর্শী মো. আমির হোসেন এবং পাশের দোকানের ব্যবসায়ী মিঠুন হাওলাদার। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী বিল্লাল হোসেন।

এর আগে, গত ১২ জুলাই আসামিদের অব্যাহতির আবেদন নামঞ্জুর করে মামলাটির বিচার শুরুর আদেশ দেন একই আদালত। পরে গত ৩ আগস্ট নিহতের বড় বোন ও মামলার বাদী মঞ্জুয়ারা বেগমের সাক্ষ্যগ্রহণের মধ্য দিয়ে মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়।

মামলার আসামিরা হলেন- মো. মাহমুদ হাসান মাহিন ওরফে মাহমুদুল হাসান (মহিন), মো. তারেক রহমান রবিন, মো. টিটন গাজী, মো. আলমগীর, মো. মনির ওরফে লম্বা মনির, মো. সজীব বেপারী, মো. নানু কাজী, মো. রিজওয়ান উদ্দীন ওরফে অভিজিৎ বসু, মো. জহিরুল ইসলাম, সাগর, মো. রুমান বেপারী, মো. আবির হোসেন, মো. পারভেজ, মো. জহিরুল ওরফে জলিল, মো. ইমরান, মো. শারাফাত ওরফে শফিউল ইসলাম, মো. জিয়াউদ্দিন রাজিব, মো. হোসেন চৌকিদার, মো. সারোয়ার হোসেন টিটু, মো. মঙ্গল মিয়া ওরফে মনির হোসেন এবং অপু দাস।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ৯ জুলাই সন্ধ্যা ৬টার দিকে পুরান ঢাকার মিটফোর্ড হাসপাতালের ৩ নম্বর গেটসংলগ্ন রজনী ঘোষ লেনে সড়কের ওপর একদল লোক ভাঙারি ব্যবসায়ী লাল চাঁদ ওরফে সোহাগকে পাথর দিয়ে আঘাত ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে হত্যা করে।

ঘটনার পরদিন, ১০ জুলাই নিহতের বড় বোন মঞ্জুয়ারা বেগম বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় ১৯ জনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা করেন। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ১৫ থেকে ২০ জনকে আসামি করা হয়।

তদন্ত শেষে গত বছরের ৮ ডিসেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কোতোয়ালি থানার (বর্তমানে শাহবাগ) তৎকালীন অফিসার ইনচার্জ মনিরুজ্জামান ২১ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। একই সঙ্গে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ১০ জনকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়।

তবে তদন্তে ত্রুটি থাকায় আদালত মামলাটি পুনরায় তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। পরে গত ১০ মে কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক শাহ মো. ফয়সাল আহমেদ পুনরায় তদন্ত শেষে ২১ জনের বিরুদ্ধে সম্পূরক চার্জশিট দাখিল করেন।


ঢাকার কণ্ঠ

সম্পাদক: লিটন মাহমুদ
প্রধান সম্পাদক: মো: আল-আমীন (পনির)
নির্বাহী সম্পাদক: শেখ ফরিদ

কপিরাইট © ২০২৫ ঢাকার কণ্ঠ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত