সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) ও ইসলাম ধর্ম নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য এবং ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে করা মামলায় গ্রেপ্তার ইফতেখার অনিকের পাঁচ দিনের রিমান্ডে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
গতকাল বৃহস্পতিবার ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তাজুল ইসলাম সোহাগের আদালত পুলিশের আবেদনের প্রেক্ষিতে এই রিমান্ডের আদেশ দেন।
এর আগে, আসামিকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক মো. নাফিউল ইসলাম।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ঘটনার দায় স্বীকার করেন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নিজ বাড়ি থেকে একটি Motorola স্মার্টফোন ও একটি HP ল্যাপটপ জব্দ করা হয়। মামলার সুষ্ঠু তদন্ত, ঘটনার মূল রহস্য উদ্ঘাটন এবং এর পেছনে অন্য কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর সম্পৃক্ততা রয়েছে কি না, তা জানতে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। আবেদনের প্রেক্ষিতে বিচারক পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক মো. আরিফ হোসেন এতথ্য নিশ্চিত করেছেন।
শুনানিকালে আসামির পক্ষে কোনো আইনজীবী ছিল না।
মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ইফতেখার অনিক দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ইকুরিয়া এলাকার মো. আলমের ছেলে। তিনি ‘Iftekhar Anik’ নামের ফেসবুক আইডি থেকে বিভিন্ন সময়ে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে এমন পোস্ট ও মন্তব্য করে আসছিলেন বলে মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। গত ২৭ আগস্ট বিষয়টি বাদীর নজরে এলে তিনি স্থানীয়দের অবহিত করেন। পরে স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা অভিযুক্তের বাড়িতে গিয়ে বিষয়টি জানতে চাইলে, অভিযোগ অনুযায়ী, অনিক তাদের সামনে ধর্মীয় বই-পুস্তক ছিঁড়ে ফেলে এবং সেখান থেকে কৌশলে পালিয়ে যান। এ ঘটনায় মো. আরিফুজ্জামান বাদী হয়ে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় সাইবার নিরাপত্তা আইন ও দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা করেন।
মামলা দায়েরের পর গত ২৯ আগস্ট রাতে কক্সবাজারের কলাতলী এলাকা থেকে স্থানীয় পুলিশের সহায়তায় ইফতেখার অনিককে গ্রেপ্তার করা হয়।

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) ও ইসলাম ধর্ম নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য এবং ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে করা মামলায় গ্রেপ্তার ইফতেখার অনিকের পাঁচ দিনের রিমান্ডে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
গতকাল বৃহস্পতিবার ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তাজুল ইসলাম সোহাগের আদালত পুলিশের আবেদনের প্রেক্ষিতে এই রিমান্ডের আদেশ দেন।
এর আগে, আসামিকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক মো. নাফিউল ইসলাম।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ঘটনার দায় স্বীকার করেন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নিজ বাড়ি থেকে একটি Motorola স্মার্টফোন ও একটি HP ল্যাপটপ জব্দ করা হয়। মামলার সুষ্ঠু তদন্ত, ঘটনার মূল রহস্য উদ্ঘাটন এবং এর পেছনে অন্য কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর সম্পৃক্ততা রয়েছে কি না, তা জানতে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। আবেদনের প্রেক্ষিতে বিচারক পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক মো. আরিফ হোসেন এতথ্য নিশ্চিত করেছেন।
শুনানিকালে আসামির পক্ষে কোনো আইনজীবী ছিল না।
মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ইফতেখার অনিক দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ইকুরিয়া এলাকার মো. আলমের ছেলে। তিনি ‘Iftekhar Anik’ নামের ফেসবুক আইডি থেকে বিভিন্ন সময়ে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে এমন পোস্ট ও মন্তব্য করে আসছিলেন বলে মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। গত ২৭ আগস্ট বিষয়টি বাদীর নজরে এলে তিনি স্থানীয়দের অবহিত করেন। পরে স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা অভিযুক্তের বাড়িতে গিয়ে বিষয়টি জানতে চাইলে, অভিযোগ অনুযায়ী, অনিক তাদের সামনে ধর্মীয় বই-পুস্তক ছিঁড়ে ফেলে এবং সেখান থেকে কৌশলে পালিয়ে যান। এ ঘটনায় মো. আরিফুজ্জামান বাদী হয়ে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় সাইবার নিরাপত্তা আইন ও দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা করেন।
মামলা দায়েরের পর গত ২৯ আগস্ট রাতে কক্সবাজারের কলাতলী এলাকা থেকে স্থানীয় পুলিশের সহায়তায় ইফতেখার অনিককে গ্রেপ্তার করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন