ঢাকার কণ্ঠ
প্রকাশ : রোববার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬। ০১:১৪ মিনিট

কেরানীগঞ্জে কেরোসিন ঢেলে স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যা, স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

কেরানীগঞ্জে কেরোসিন ঢেলে স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যা, স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে কেরোসিন ঢেলে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় তার স্বামী দুলাল হোসেন ওরফে দুলু ওরফে জুয়েলের মৃত্যুদণ্ড ও দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

আজ ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪ এর বিচারক মো. মশিয়ার রহমান এ রায় ঘোষণা করেন।

অপরদিকে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় হারুন, মোরশেদা, সুমাইয়া ও রাজুকে খালাস প্রদান করেন ট্রাইব্যুনাল।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ভুক্তভোগী শারমিনের সঙ্গে দুলাল হোসেনের প্রায় ১৫ বছর আগে ইসলামী শরিয়ত অনুযায়ী বিয়ে হয়। তাদের সংসারে একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। বিয়ের পর থেকে দুলালসহ অন্য আসামিরা দুই লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে শারমিনকে মারধর করতেন।

২০১৬ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ৯টার দিকে যৌতুকের দাবিতে শারমিনকে মারধর করা হয়। পরে ওইদিন সকাল সাড়ে ১১টার দিকে কেরানীগঞ্জে দুলালের বসতঘরের ভেতর তার শরীরে কেরোসিন ঢেলে ম্যাচের কাঠি দিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে আগুন নেভান। গুরুতর অবস্থায় শারমিনকে প্রথমে ঢাকা মিটফোর্ড হাসপাতাল এবং পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়। তার শরীরের প্রায় ৮৫ শতাংশ পুড়ে যায়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২০১৬ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর রাত ৯টার দিকে তিনি মারা যান।

এ ঘটনায় শারমিনের মা মোছা. মোমেলা কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় মামলা করেন। মামলার তদন্ত শেষে ২০১৭ সালের ৩১ জানুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে পুলিশ। মামলার বিচার চলাকালে ৯ জন সাক্ষী ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দেন।

বিষয় : মৃত্যুদণ্ড কেরানীগঞ্জে স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যা মৃত্যুদণ্ড

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ঢাকার কণ্ঠ

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬


কেরানীগঞ্জে কেরোসিন ঢেলে স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যা, স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশের তারিখ : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে কেরোসিন ঢেলে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় তার স্বামী দুলাল হোসেন ওরফে দুলু ওরফে জুয়েলের মৃত্যুদণ্ড ও দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

আজ ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪ এর বিচারক মো. মশিয়ার রহমান এ রায় ঘোষণা করেন।

অপরদিকে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় হারুন, মোরশেদা, সুমাইয়া ও রাজুকে খালাস প্রদান করেন ট্রাইব্যুনাল।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ভুক্তভোগী শারমিনের সঙ্গে দুলাল হোসেনের প্রায় ১৫ বছর আগে ইসলামী শরিয়ত অনুযায়ী বিয়ে হয়। তাদের সংসারে একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। বিয়ের পর থেকে দুলালসহ অন্য আসামিরা দুই লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে শারমিনকে মারধর করতেন।

২০১৬ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ৯টার দিকে যৌতুকের দাবিতে শারমিনকে মারধর করা হয়। পরে ওইদিন সকাল সাড়ে ১১টার দিকে কেরানীগঞ্জে দুলালের বসতঘরের ভেতর তার শরীরে কেরোসিন ঢেলে ম্যাচের কাঠি দিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে আগুন নেভান। গুরুতর অবস্থায় শারমিনকে প্রথমে ঢাকা মিটফোর্ড হাসপাতাল এবং পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়। তার শরীরের প্রায় ৮৫ শতাংশ পুড়ে যায়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২০১৬ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর রাত ৯টার দিকে তিনি মারা যান।

এ ঘটনায় শারমিনের মা মোছা. মোমেলা কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় মামলা করেন। মামলার তদন্ত শেষে ২০১৭ সালের ৩১ জানুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে পুলিশ। মামলার বিচার চলাকালে ৯ জন সাক্ষী ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দেন।


ঢাকার কণ্ঠ

সম্পাদক: লিটন মাহমুদ
প্রধান সম্পাদক: মো: আল-আমীন (পনির)
নির্বাহী সম্পাদক: শেখ ফরিদ

কপিরাইট © ২০২৫ ঢাকার কণ্ঠ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত