মোবাইল নেটওয়ার্কের আওতার বাইরে থেকেও যোগাযোগের সুযোগ তৈরি করতে বাংলাদেশে স্টারলিংক প্রযুক্তিনির্ভর স্যাটেলাইট-টু-মোবাইল সেবা চালু করেছে বাংলালিংক। এ সুবিধা নিতে আলাদা স্যাটেলাইট ফোন, ডিশ বা অ্যান্টেনা কেনার প্রয়োজন নেই। উপযুক্ত ৪জি ফোন ও বাংলালিংক সিম থাকলেই সেবাটি ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে।
শনিবার (১০ অক্টোবর) প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, সেবাটি ব্যবহারের জন্য ফোনে আলাদা কোনো অ্যাপ ইনস্টল করে জটিল সেটআপ করার প্রয়োজন নেই। তবে MyBL অ্যাপে এ-সংক্রান্ত সুবিধা বা নির্দেশনা আছে কি না, তা যাচাই করা যেতে পারে। পাশাপাশি ফোনের সফটওয়্যার ও নেটওয়ার্ক সেটিংস হালনাগাদ এবং ৪জি সুবিধা চালু আছে কি না, তা নিশ্চিত করতে হবে।
যেভাবে ব্যবহার করবেন
প্রথমে নিশ্চিত হতে হবে, ফোনটি ৪জি-সমর্থিত এবং তাতে বাংলালিংক সিম ব্যবহার করা হচ্ছে। এরপর ফোনের অপারেটিং সিস্টেম ও নেটওয়ার্ক সেটিংস হালনাগাদ রাখতে হবে। MyBL অ্যাপে সেবাটি সম্পর্কে কোনো নির্দেশনা থাকলে তা অনুসরণ করতে হবে।
প্রচলিত মোবাইল নেটওয়ার্কের আওতার বাইরে গেলে উপযুক্ত ফোন স্যাটেলাইট নেটওয়ার্কে সংযোগ নেওয়ার চেষ্টা করতে পারে। এ ক্ষেত্রে খোলা আকাশের নিচে থাকা সহায়ক হতে পারে। তবে নেটওয়ার্কের বাইরে গেলেই প্রতিবার স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংযোগ পাওয়া যাবে—এমন নিশ্চয়তা নেই।
ফোন ও সিম উপযুক্ত হওয়ার পরও সংযোগ না পেলে বাংলালিংকের গ্রাহকসেবায় যোগাযোগ করে নিজের নম্বরে সেবাটি ব্যবহারের সুযোগ, কাভারেজ ও শর্ত জেনে নেওয়া যেতে পারে।
কী সুবিধা মিলবে
বাংলালিংকের তথ্য অনুযায়ী, প্রচলিত মোবাইল নেটওয়ার্কের আওতার বাইরে থেকেও প্রয়োজনীয় অ্যাপ ও লোকেশনভিত্তিক কিছু সেবা ব্যবহারের সুযোগ তৈরি হবে। সমুদ্র, উপকূলীয় অঞ্চল, দুর্গম এলাকা এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় প্রচলিত নেটওয়ার্ক বিঘ্নিত হলে এ প্রযুক্তি কাজে আসতে পারে।
সেবা চালুর প্রথম মাসে যেকোনো ইন্টারনেট বা মিশ্র বান্ডেল প্যাকের সঙ্গে স্যাটেলাইট ইন্টারনেট বিনা মূল্যে দেওয়ার কথা জানিয়েছে বাংলালিংক। দ্বিতীয় মাস থেকে নির্দিষ্ট মাসিক ইন্টারনেট ও মিশ্র বান্ডেল প্যাকের সঙ্গে অতিরিক্ত খরচ ছাড়াই সুবিধাটি পাওয়া যাবে। এ ছাড়া স্যাটেলাইট নেটওয়ার্কে ব্যবহারের জন্য প্রতি মাসে পাঁচটি বিনা মূল্যের এসএমএস দেওয়ার কথাও জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
সব ফোনে কি কাজ করবে?
শুধু ৪জি ফোন থাকলেই সেবাটি নিশ্চিতভাবে ব্যবহার করা যাবে না। ফোনের সামঞ্জস্য, স্যাটেলাইটের আওতা, অবস্থান এবং অপারেটরের শর্তের ওপর সংযোগ নির্ভর করবে। এ সেবা প্রচলিত ৪জি বা ৫জি নেটওয়ার্কের মতো উচ্চগতির ইন্টারনেটের বিকল্প নয়।
বর্তমানে বাংলাদেশে সেবাটি বাংলালিংক গ্রাহকদের জন্য চালু হয়েছে। অন্য অপারেটরের গ্রাহকেরা একই সুবিধা পাবেন কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়।

শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ অক্টোবর ২০২৬
মোবাইল নেটওয়ার্কের আওতার বাইরে থেকেও যোগাযোগের সুযোগ তৈরি করতে বাংলাদেশে স্টারলিংক প্রযুক্তিনির্ভর স্যাটেলাইট-টু-মোবাইল সেবা চালু করেছে বাংলালিংক। এ সুবিধা নিতে আলাদা স্যাটেলাইট ফোন, ডিশ বা অ্যান্টেনা কেনার প্রয়োজন নেই। উপযুক্ত ৪জি ফোন ও বাংলালিংক সিম থাকলেই সেবাটি ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে।
শনিবার (১০ অক্টোবর) প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, সেবাটি ব্যবহারের জন্য ফোনে আলাদা কোনো অ্যাপ ইনস্টল করে জটিল সেটআপ করার প্রয়োজন নেই। তবে MyBL অ্যাপে এ-সংক্রান্ত সুবিধা বা নির্দেশনা আছে কি না, তা যাচাই করা যেতে পারে। পাশাপাশি ফোনের সফটওয়্যার ও নেটওয়ার্ক সেটিংস হালনাগাদ এবং ৪জি সুবিধা চালু আছে কি না, তা নিশ্চিত করতে হবে।
যেভাবে ব্যবহার করবেন
প্রথমে নিশ্চিত হতে হবে, ফোনটি ৪জি-সমর্থিত এবং তাতে বাংলালিংক সিম ব্যবহার করা হচ্ছে। এরপর ফোনের অপারেটিং সিস্টেম ও নেটওয়ার্ক সেটিংস হালনাগাদ রাখতে হবে। MyBL অ্যাপে সেবাটি সম্পর্কে কোনো নির্দেশনা থাকলে তা অনুসরণ করতে হবে।
প্রচলিত মোবাইল নেটওয়ার্কের আওতার বাইরে গেলে উপযুক্ত ফোন স্যাটেলাইট নেটওয়ার্কে সংযোগ নেওয়ার চেষ্টা করতে পারে। এ ক্ষেত্রে খোলা আকাশের নিচে থাকা সহায়ক হতে পারে। তবে নেটওয়ার্কের বাইরে গেলেই প্রতিবার স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংযোগ পাওয়া যাবে—এমন নিশ্চয়তা নেই।
ফোন ও সিম উপযুক্ত হওয়ার পরও সংযোগ না পেলে বাংলালিংকের গ্রাহকসেবায় যোগাযোগ করে নিজের নম্বরে সেবাটি ব্যবহারের সুযোগ, কাভারেজ ও শর্ত জেনে নেওয়া যেতে পারে।
কী সুবিধা মিলবে
বাংলালিংকের তথ্য অনুযায়ী, প্রচলিত মোবাইল নেটওয়ার্কের আওতার বাইরে থেকেও প্রয়োজনীয় অ্যাপ ও লোকেশনভিত্তিক কিছু সেবা ব্যবহারের সুযোগ তৈরি হবে। সমুদ্র, উপকূলীয় অঞ্চল, দুর্গম এলাকা এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় প্রচলিত নেটওয়ার্ক বিঘ্নিত হলে এ প্রযুক্তি কাজে আসতে পারে।
সেবা চালুর প্রথম মাসে যেকোনো ইন্টারনেট বা মিশ্র বান্ডেল প্যাকের সঙ্গে স্যাটেলাইট ইন্টারনেট বিনা মূল্যে দেওয়ার কথা জানিয়েছে বাংলালিংক। দ্বিতীয় মাস থেকে নির্দিষ্ট মাসিক ইন্টারনেট ও মিশ্র বান্ডেল প্যাকের সঙ্গে অতিরিক্ত খরচ ছাড়াই সুবিধাটি পাওয়া যাবে। এ ছাড়া স্যাটেলাইট নেটওয়ার্কে ব্যবহারের জন্য প্রতি মাসে পাঁচটি বিনা মূল্যের এসএমএস দেওয়ার কথাও জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
সব ফোনে কি কাজ করবে?
শুধু ৪জি ফোন থাকলেই সেবাটি নিশ্চিতভাবে ব্যবহার করা যাবে না। ফোনের সামঞ্জস্য, স্যাটেলাইটের আওতা, অবস্থান এবং অপারেটরের শর্তের ওপর সংযোগ নির্ভর করবে। এ সেবা প্রচলিত ৪জি বা ৫জি নেটওয়ার্কের মতো উচ্চগতির ইন্টারনেটের বিকল্প নয়।
বর্তমানে বাংলাদেশে সেবাটি বাংলালিংক গ্রাহকদের জন্য চালু হয়েছে। অন্য অপারেটরের গ্রাহকেরা একই সুবিধা পাবেন কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়।

আপনার মতামত লিখুন