ভারতের জনপ্রিয় ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিকে আটকের পর ছেড়ে দিয়েছে দিল্লি পুলিশ। মুক্তির পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় তিনি দাবি করেছেন, তাঁকে গ্রেপ্তার বা আটক করা হয়নি, বরং অপহরণ করা হয়েছিল।
রোববার (১১ অক্টোবর) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্টে দেওয়া পোস্টে ধ্রুব রাঠি তাঁকে সমর্থন জানানো ব্যক্তিদের ধন্যবাদ জানান। পাশাপাশি পুরো ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরার কথাও বলেন তিনি।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, শনিবার গুরুগ্রামের সেক্টর ৫৬ এলাকায় নিজের বাড়ি থেকে তাঁকে আটক করা হয়। দিল্লির জন্তর মন্তরে একটি বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘিরে নিরাপত্তা জোরদারের মধ্যে এ ঘটনা ঘটে। ওই কর্মসূচিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবি তোলার কথা ছিল। ভোটার তালিকা সংশোধন কার্যক্রমে অনিয়মের অভিযোগ তুলে বিক্ষোভের আয়োজন করেছিল রাজনৈতিক ব্যঙ্গাত্মক সংগঠন ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)।
পুলিশের এক কর্মকর্তার বরাতে এনডিটিভি জানিয়েছে, শনিবার রাতে ধ্রুব রাঠিকে ছেড়ে দেওয়া হয়। তবে বিক্ষোভে অংশ নিতে জন্তর মন্তরে যাওয়ার চেষ্টা করলে আবারও আটক করা হতে পারে বলে পুলিশ সতর্ক করেছে।
টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিক্ষোভে অংশ নেওয়া ঠেকাতে শনিবার সকালে গুরুগ্রামে ধ্রুব রাঠির বাসায় সাদাপোশাকে পুলিশ সদস্যরা যান। তবে তাঁকে আটকের বৈধতা ও ঘটনার পরিস্থিতি নিয়ে ধ্রুব রাঠির বক্তব্য এবং পুলিশের অবস্থান আলাদা। তাঁর ‘অপহরণ’ দাবিকে তাই অভিযোগ হিসেবেই দেখা হচ্ছে।
এদিকে, সিজেপির কয়েকজন নেতাকেও বিক্ষোভ ঘিরে আটক করা হয়েছিল। ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়া এবং বিক্ষোভকারীদের ওপর পুলিশের পদক্ষেপ নিয়ে ভারতে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশি পদক্ষেপের বৈধতা ও নাগরিকদের প্রতিবাদের অধিকার নিয়েও আলোচনা চলছে।
বিষয় : গ্রেপ্তার অপহরণ ধ্রুব রাঠি

রোববার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ অক্টোবর ২০২৬
ভারতের জনপ্রিয় ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিকে আটকের পর ছেড়ে দিয়েছে দিল্লি পুলিশ। মুক্তির পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় তিনি দাবি করেছেন, তাঁকে গ্রেপ্তার বা আটক করা হয়নি, বরং অপহরণ করা হয়েছিল।
রোববার (১১ অক্টোবর) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্টে দেওয়া পোস্টে ধ্রুব রাঠি তাঁকে সমর্থন জানানো ব্যক্তিদের ধন্যবাদ জানান। পাশাপাশি পুরো ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরার কথাও বলেন তিনি।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, শনিবার গুরুগ্রামের সেক্টর ৫৬ এলাকায় নিজের বাড়ি থেকে তাঁকে আটক করা হয়। দিল্লির জন্তর মন্তরে একটি বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘিরে নিরাপত্তা জোরদারের মধ্যে এ ঘটনা ঘটে। ওই কর্মসূচিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবি তোলার কথা ছিল। ভোটার তালিকা সংশোধন কার্যক্রমে অনিয়মের অভিযোগ তুলে বিক্ষোভের আয়োজন করেছিল রাজনৈতিক ব্যঙ্গাত্মক সংগঠন ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)।
পুলিশের এক কর্মকর্তার বরাতে এনডিটিভি জানিয়েছে, শনিবার রাতে ধ্রুব রাঠিকে ছেড়ে দেওয়া হয়। তবে বিক্ষোভে অংশ নিতে জন্তর মন্তরে যাওয়ার চেষ্টা করলে আবারও আটক করা হতে পারে বলে পুলিশ সতর্ক করেছে।
টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিক্ষোভে অংশ নেওয়া ঠেকাতে শনিবার সকালে গুরুগ্রামে ধ্রুব রাঠির বাসায় সাদাপোশাকে পুলিশ সদস্যরা যান। তবে তাঁকে আটকের বৈধতা ও ঘটনার পরিস্থিতি নিয়ে ধ্রুব রাঠির বক্তব্য এবং পুলিশের অবস্থান আলাদা। তাঁর ‘অপহরণ’ দাবিকে তাই অভিযোগ হিসেবেই দেখা হচ্ছে।
এদিকে, সিজেপির কয়েকজন নেতাকেও বিক্ষোভ ঘিরে আটক করা হয়েছিল। ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়া এবং বিক্ষোভকারীদের ওপর পুলিশের পদক্ষেপ নিয়ে ভারতে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশি পদক্ষেপের বৈধতা ও নাগরিকদের প্রতিবাদের অধিকার নিয়েও আলোচনা চলছে।

আপনার মতামত লিখুন