ইয়েমেনের হুথিদের সঙ্গে সৌদি আরবের সংঘাত নতুন করে তীব্র হওয়ায় রাজধানী রিয়াদে বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) আবারও বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। একই সময়ে রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরান-সমর্থিত হুথি গোষ্ঠী।
হুথিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি দাবি করেছেন, তাদের বাহিনী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর লক্ষ্য করে একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে। তাদের দাবি, ক্ষেপণাস্ত্রটি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানায় বিমানবন্দরের কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে। তবে সর্বশেষ হামলার এই দাবি সৌদি কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করেনি।
সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট জানিয়েছে, রিয়াদের উত্তরে ছোড়া দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা হয়েছে। হামলার পর বিমানবন্দরের ফ্লাইট চলাচলেও প্রভাব পড়ে। ফ্লাইট ট্র্যাকিং তথ্য অনুযায়ী, কয়েকটি ফ্লাইট বিলম্বিত হয় এবং একটি তুর্কি এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।
এর আগে বুধবার রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও আবহা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার ঘটনা ঘটে। সৌদি বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এসব হামলায় তিনজন নিহত ও অন্তত ৩৬ জন আহত হয়েছেন। রিয়াদ বিমানবন্দরের ঘটনায় একজন সুদানি নাগরিক নিহত এবং আটজন আহত হন।
নতুন হামলার পর সৌদি আরবের কয়েকটি এলাকায় নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। রিয়াদের কিং আবদুল্লাহ ফাইন্যান্সিয়াল ডিস্ট্রিক্টের কিছু বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান কর্মীদের বাড়ি থেকে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছে। কয়েকটি স্কুলও শিক্ষার্থীদের নিরাপদ স্থানে থাকার নির্দেশ দিয়েছে বলে আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
হুথিরা এরই মধ্যে সৌদি আকাশসীমায় আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল বন্ধের হুমকিও দিয়েছে। তাদের মুখপাত্র আন্তর্জাতিক বিমান সংস্থাগুলোকে সৌদি আকাশসীমা ব্যবহার না করার জন্য সতর্ক করেছেন। তবে মক্কা ও মদিনার আকাশসীমাকে এই সতর্কতার বাইরে রাখার কথা বলা হয়েছে।
এদিকে ইয়েমেনে হুথি ও সৌদি-সমর্থিত সরকারি বাহিনীর মধ্যে লড়াইও তীব্র হয়েছে। সৌদি-সমর্থিত বাহিনী হুথিদের দখলে থাকা লোহিত সাগর উপকূলের কয়েকটি এলাকা পুনর্দখলের অভিযান চালাচ্ছে। এর মধ্যে কৌশলগত বাব আল-মান্দাব প্রণালির আশপাশের এলাকা নিয়েও সংঘাত বেড়েছে।
চলমান সংঘাতের কারণে ইয়েমেনের মানবিক পরিস্থিতিও আরও সংকটপূর্ণ হয়ে উঠেছে। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক লড়াইয়ে দেশটির অভ্যন্তরে দুই লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ অক্টোবর ২০২৬
ইয়েমেনের হুথিদের সঙ্গে সৌদি আরবের সংঘাত নতুন করে তীব্র হওয়ায় রাজধানী রিয়াদে বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) আবারও বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। একই সময়ে রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরান-সমর্থিত হুথি গোষ্ঠী।
হুথিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি দাবি করেছেন, তাদের বাহিনী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর লক্ষ্য করে একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে। তাদের দাবি, ক্ষেপণাস্ত্রটি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানায় বিমানবন্দরের কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে। তবে সর্বশেষ হামলার এই দাবি সৌদি কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করেনি।
সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট জানিয়েছে, রিয়াদের উত্তরে ছোড়া দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা হয়েছে। হামলার পর বিমানবন্দরের ফ্লাইট চলাচলেও প্রভাব পড়ে। ফ্লাইট ট্র্যাকিং তথ্য অনুযায়ী, কয়েকটি ফ্লাইট বিলম্বিত হয় এবং একটি তুর্কি এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।
এর আগে বুধবার রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও আবহা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার ঘটনা ঘটে। সৌদি বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এসব হামলায় তিনজন নিহত ও অন্তত ৩৬ জন আহত হয়েছেন। রিয়াদ বিমানবন্দরের ঘটনায় একজন সুদানি নাগরিক নিহত এবং আটজন আহত হন।
নতুন হামলার পর সৌদি আরবের কয়েকটি এলাকায় নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। রিয়াদের কিং আবদুল্লাহ ফাইন্যান্সিয়াল ডিস্ট্রিক্টের কিছু বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান কর্মীদের বাড়ি থেকে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছে। কয়েকটি স্কুলও শিক্ষার্থীদের নিরাপদ স্থানে থাকার নির্দেশ দিয়েছে বলে আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
হুথিরা এরই মধ্যে সৌদি আকাশসীমায় আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল বন্ধের হুমকিও দিয়েছে। তাদের মুখপাত্র আন্তর্জাতিক বিমান সংস্থাগুলোকে সৌদি আকাশসীমা ব্যবহার না করার জন্য সতর্ক করেছেন। তবে মক্কা ও মদিনার আকাশসীমাকে এই সতর্কতার বাইরে রাখার কথা বলা হয়েছে।
এদিকে ইয়েমেনে হুথি ও সৌদি-সমর্থিত সরকারি বাহিনীর মধ্যে লড়াইও তীব্র হয়েছে। সৌদি-সমর্থিত বাহিনী হুথিদের দখলে থাকা লোহিত সাগর উপকূলের কয়েকটি এলাকা পুনর্দখলের অভিযান চালাচ্ছে। এর মধ্যে কৌশলগত বাব আল-মান্দাব প্রণালির আশপাশের এলাকা নিয়েও সংঘাত বেড়েছে।
চলমান সংঘাতের কারণে ইয়েমেনের মানবিক পরিস্থিতিও আরও সংকটপূর্ণ হয়ে উঠেছে। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক লড়াইয়ে দেশটির অভ্যন্তরে দুই লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন