যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ বছর নোবেল শান্তি পুরস্কার পেতে পারেন কি না, তা নিয়ে আলোচনা চলছে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, তার পুরস্কার পাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের চলমান সংঘাত এবং গত বছরের নোবেল পুরস্কার ঘিরে বিতর্কের প্রভাব এবার নোবেল কমিটির সিদ্ধান্তে পড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত বছর ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেতা মারিয়া কোরিনা মাচাদো নোবেল শান্তি পুরস্কার পান। পুরস্কার ঘোষণার আগে ট্রাম্প নিজেও নোবেল পাওয়ার জন্য প্রচার চালিয়েছিলেন। পরে মাচাদো তার নোবেল পদক ট্রাম্পকে দেন। বিষয়টি এবার নরওয়ের নোবেল কমিটির বিবেচনায় থাকতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউট অসলোর ভারপ্রাপ্ত পরিচালক হাকন গেরলোভ মনে করেন, নোবেল কমিটি এমন কাউকে পুরস্কার দেওয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকবে, যার ওপর ট্রাম্পের রাজনৈতিক চাপ তৈরি হতে পারে। তার মতে, গত বছরের ঘটনাগুলো এবার কমিটির সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় প্রভাব ফেলতে পারে।
এবারের সম্ভাব্য প্রার্থীদের আলোচনায় পোপ লিও, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি), আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (আইসিজে) এবং জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিবেদক ফ্রান্সেসকা আলবানিজের নাম রয়েছে। যুদ্ধ, আন্তর্জাতিক আইন, মানবাধিকার ও শান্তিপূর্ণভাবে বিরোধ সমাধানের পক্ষে তাদের অবস্থানকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এর বাইরে সুদানের ‘ইমার্জেন্সি রেসপন্স রুমস’ এবং সেভ দ্য চিলড্রেনের মতো মানবিক সংগঠনও আলোচনায় রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, গত বছরের বিতর্কের পর নোবেল কমিটি তুলনামূলকভাবে কম বিতর্কিত কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে বেছে নিতে পারে।
তবে ট্রাম্পকে পুরোপুরি আলোচনার বাইরে রাখা যাচ্ছে না। কম্বোডিয়া, ইসরায়েল ও পাকিস্তানের নেতারা তাকে ২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন দিয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। শেষ পর্যন্ত কে পুরস্কার পাচ্ছেন, তা জানা যাবে ৯ অক্টোবর।

সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ অক্টোবর ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ বছর নোবেল শান্তি পুরস্কার পেতে পারেন কি না, তা নিয়ে আলোচনা চলছে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, তার পুরস্কার পাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের চলমান সংঘাত এবং গত বছরের নোবেল পুরস্কার ঘিরে বিতর্কের প্রভাব এবার নোবেল কমিটির সিদ্ধান্তে পড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত বছর ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেতা মারিয়া কোরিনা মাচাদো নোবেল শান্তি পুরস্কার পান। পুরস্কার ঘোষণার আগে ট্রাম্প নিজেও নোবেল পাওয়ার জন্য প্রচার চালিয়েছিলেন। পরে মাচাদো তার নোবেল পদক ট্রাম্পকে দেন। বিষয়টি এবার নরওয়ের নোবেল কমিটির বিবেচনায় থাকতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউট অসলোর ভারপ্রাপ্ত পরিচালক হাকন গেরলোভ মনে করেন, নোবেল কমিটি এমন কাউকে পুরস্কার দেওয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকবে, যার ওপর ট্রাম্পের রাজনৈতিক চাপ তৈরি হতে পারে। তার মতে, গত বছরের ঘটনাগুলো এবার কমিটির সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় প্রভাব ফেলতে পারে।
এবারের সম্ভাব্য প্রার্থীদের আলোচনায় পোপ লিও, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি), আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (আইসিজে) এবং জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিবেদক ফ্রান্সেসকা আলবানিজের নাম রয়েছে। যুদ্ধ, আন্তর্জাতিক আইন, মানবাধিকার ও শান্তিপূর্ণভাবে বিরোধ সমাধানের পক্ষে তাদের অবস্থানকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এর বাইরে সুদানের ‘ইমার্জেন্সি রেসপন্স রুমস’ এবং সেভ দ্য চিলড্রেনের মতো মানবিক সংগঠনও আলোচনায় রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, গত বছরের বিতর্কের পর নোবেল কমিটি তুলনামূলকভাবে কম বিতর্কিত কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে বেছে নিতে পারে।
তবে ট্রাম্পকে পুরোপুরি আলোচনার বাইরে রাখা যাচ্ছে না। কম্বোডিয়া, ইসরায়েল ও পাকিস্তানের নেতারা তাকে ২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন দিয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। শেষ পর্যন্ত কে পুরস্কার পাচ্ছেন, তা জানা যাবে ৯ অক্টোবর।

আপনার মতামত লিখুন