ঢাকার কেরানীগঞ্জে দিনদুপুরে একটি ব্যাবসায়িক অফিসে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। এ সময় অফিসের মূল্যবান মালামাল নিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি দখলের উদ্দেশ্যে পুরনো সাইনবোর্ড খুলে নতুন সাইনবোর্ড লাগানোর অভিযোগও পাওয়া গেছে।
রবিবার (৪ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার শাক্তা ইউনিয়নের আরশিনগর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী সজিব বেপারির অভিযোগ, ৪০ লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে স্থানীয় হানিফ মেম্বারের যোগসাজশে বালুরচর গ্রামের সেলিম ওরফে ড্রেজার সেলিম, ওয়াসপুরের ফরহাদসহ প্রায় অর্ধশত লোক দুপুর ১২টার দিকে তার ব্যাবসায়িক অফিসে হামলা চালায়। এসময় অফিসের সোফা, এসি, চেয়ার, টেবিল, ল্যাপটপ, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, আসবাবপত্র ও নগদ টাকা লুট করে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
পরে অফিসের পুরনো সাইনবোর্ড খুলে সেখানে নিজেদের সাইনবোর্ড লাগিয়ে দেওয়া হয়।
ভুক্তভোগীর দাবি, জায়গাটি দখলের উদ্দেশ্যেই এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের একজন মোহাম্মদ জিয়া জানান, বেলা সাড়ে ১১টার দিকে একদল লোক অফিসে ঢুকে ভাঙচুর করে মালামাল নিয়ে যায়। মাত্র ১০ থেকে ১৫ মিনিটের মধ্যে অফিসের এসি, সোফা, চেয়ার টেবিলসহ সম্পন্ন মালামাল সরিয়ে নেওয়া হয়। এসময় এলাকাবাসী এগিয়ে আসতে চাইলে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে তাদের বাধা দেওয়া হয় বলেও দাবি করেন তিনি।
পরে ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশকে জানানো হলে কেরানীগঞ্জ মডেল থানা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মালামালগুলো ট্রাকে করে নিয়ে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।
এদিকে সাইনবোর্ডে থাকা নম্বরে ফোন করে অভিযুক্ত ফরহাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। তবে আরেক অভিযুক্ত সেলিম সাইনবোর্ড লাগানোর বিষয়টি স্বীকার করে লুটপাট ও ভাঙচুরের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
সেলিম বলেন, তারা স্থানীয় হানিফ মেম্বারের কাছ থেকে ক্রয়সূত্রে জায়গাটির মালিক হয়েছেন। জায়গা দখল নিতে তারা সেখানে গিয়েছিলেন।
তবে কোনো ভাঙচুর চালানো হয়নি, শুধু সাইনবোর্ড লাগিয়ে তারা চলে এসেছেন বলে দাবি করেন তিনি।
ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে কেরানীগঞ্জ মডেল থানা পুলিশের একটি দল। এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে।
কেরানীগঞ্জ মডেল থানার তদন্ত কর্মকর্তা ওসি নুরে আলম সিদ্দিকী জানান, ভুক্তভোগীরা থানায় এলে তাদের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে, তা তদন্ত করে বের করা হবে।

সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকার কেরানীগঞ্জে দিনদুপুরে একটি ব্যাবসায়িক অফিসে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। এ সময় অফিসের মূল্যবান মালামাল নিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি দখলের উদ্দেশ্যে পুরনো সাইনবোর্ড খুলে নতুন সাইনবোর্ড লাগানোর অভিযোগও পাওয়া গেছে।
রবিবার (৪ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার শাক্তা ইউনিয়নের আরশিনগর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী সজিব বেপারির অভিযোগ, ৪০ লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে স্থানীয় হানিফ মেম্বারের যোগসাজশে বালুরচর গ্রামের সেলিম ওরফে ড্রেজার সেলিম, ওয়াসপুরের ফরহাদসহ প্রায় অর্ধশত লোক দুপুর ১২টার দিকে তার ব্যাবসায়িক অফিসে হামলা চালায়। এসময় অফিসের সোফা, এসি, চেয়ার, টেবিল, ল্যাপটপ, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, আসবাবপত্র ও নগদ টাকা লুট করে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
পরে অফিসের পুরনো সাইনবোর্ড খুলে সেখানে নিজেদের সাইনবোর্ড লাগিয়ে দেওয়া হয়।
ভুক্তভোগীর দাবি, জায়গাটি দখলের উদ্দেশ্যেই এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের একজন মোহাম্মদ জিয়া জানান, বেলা সাড়ে ১১টার দিকে একদল লোক অফিসে ঢুকে ভাঙচুর করে মালামাল নিয়ে যায়। মাত্র ১০ থেকে ১৫ মিনিটের মধ্যে অফিসের এসি, সোফা, চেয়ার টেবিলসহ সম্পন্ন মালামাল সরিয়ে নেওয়া হয়। এসময় এলাকাবাসী এগিয়ে আসতে চাইলে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে তাদের বাধা দেওয়া হয় বলেও দাবি করেন তিনি।
পরে ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশকে জানানো হলে কেরানীগঞ্জ মডেল থানা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মালামালগুলো ট্রাকে করে নিয়ে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।
এদিকে সাইনবোর্ডে থাকা নম্বরে ফোন করে অভিযুক্ত ফরহাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। তবে আরেক অভিযুক্ত সেলিম সাইনবোর্ড লাগানোর বিষয়টি স্বীকার করে লুটপাট ও ভাঙচুরের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
সেলিম বলেন, তারা স্থানীয় হানিফ মেম্বারের কাছ থেকে ক্রয়সূত্রে জায়গাটির মালিক হয়েছেন। জায়গা দখল নিতে তারা সেখানে গিয়েছিলেন।
তবে কোনো ভাঙচুর চালানো হয়নি, শুধু সাইনবোর্ড লাগিয়ে তারা চলে এসেছেন বলে দাবি করেন তিনি।
ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে কেরানীগঞ্জ মডেল থানা পুলিশের একটি দল। এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে।
কেরানীগঞ্জ মডেল থানার তদন্ত কর্মকর্তা ওসি নুরে আলম সিদ্দিকী জানান, ভুক্তভোগীরা থানায় এলে তাদের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে, তা তদন্ত করে বের করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন