ঢাকার কণ্ঠ
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬। ০৪:৫৬ মিনিট

পদ্মার ভাঙনে বদলে যাচ্ছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের মানচিত্র

পদ্মার ভাঙনে বদলে যাচ্ছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের মানচিত্র

চাঁপাইনবাবগঞ্জে পদ্মা নদীর ভয়াবহ ভাঙনে একের পর এক বসতবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মসজিদ ও আবাদি জমি নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। এবারের বন্যার পর সদর উপজেলার নারায়ণপুর এবং শিবগঞ্জ উপজেলার দুর্লভপুর, নামোজগন্নাথপুর, ফিল্ডেরহাট, কানছিরা, বোগলাউড়ি ও ঝাইলপাড়াসহ বিভিন্ন এলাকায় অন্তত এক হাজার পরিবারের বাড়িঘর নদীগর্ভে চলে গেছে। ভাঙন আতঙ্কে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দেওয়া হলেই রাতবিরাতে মানুষ ছুটে আসছেন একে অন্যের বাড়িঘর সরাতে।

স্থানীয়দের ভাষ্য, গত চার-পাঁচ বছরে নদীভাঙনের কারণে অনেক পরিবারকে ৮ থেকে ১০ বার পর্যন্ত বসতভিটা বদলাতে হয়েছে। হাজার হাজার মানুষ হারিয়েছেন জমিজমা। পদ্মার ভাঙনে বদলে গেছে নদীতীরবর্তী এলাকার চেনা মানচিত্র। নারায়ণপুর, পাঁকা, উজিরপুর ও দুর্লভপুর ইউনিয়নের কয়েকটি এলাকায় গত কয়েক বছরে নদী প্রায় ৭ থেকে ৮ কিলোমিটার ভেতরে ঢুকে পড়েছে। বসতভিটা ও আবাদি জমি হারিয়ে অনেকে এখন ভূমিহীন ও বাড়িঘরহীন।

ভাঙনের তীব্রতা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, কখন কোন বাড়িটি নদীগর্ভে চলে যাবে—তা নিয়ে চরম আতঙ্কে রয়েছেন নদীতীরের মানুষ। মসজিদের মাইকে ভাঙনের খবর ঘোষণা হলেই স্থানীয়রা দলবেঁধে ছুটে যান ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের বাড়িতে। সময় স্বল্পতার কারণে গভীর রাতেও চলে ঘরবাড়ি সরানোর কাজ। এক পরিবারের বিপদে অন্য পরিবারের লোকজনও নিজেদের কাজ ফেলে সহযোগিতায় এগিয়ে আসছেন।

ভাঙনে বদলে যাচ্ছে চার ইউনিয়নের মানচিত্র

পাঁকা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মালেক মন্ডল বলেন, নদীভাঙনে চার ইউনিয়নের মানচিত্রই বদলে গেছে। পাঁকা ইউনিয়নের নিশিপাড়া, দক্ষিণ পাঁকা, ২০ রশিয়া, জ্যাকপাড়া ও দোভাগী এবং পাশের ইউনিয়নের মনোহরপুর ও ফিল্ডেরহাট এলাকায় গত ১০ দিন ধরে চলছে ব্যাপক নদী ভাঙন।

তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, পাঁকা ও আশপাশের ইউনিয়নে প্রায় ৫০০ পরিবারের বাড়িঘর নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। ভিটেমাটি হারিয়ে অনেকে এখন অন্যের জমিতে আশ্রয় নিয়ে বসবাস করছেন।

ফিল্ডেরহাট এলাকার বাসিন্দা মাহবুব আলম, মোশাররফ হোসেন এম ও সাদিকুল ইসলাম জানান, দুলাল, রোজবুল, মান্নান, রফিক, সালাম, জিয়াউল ও বাবরসহ অসংখ্য মানুষের বাড়িঘর নদীগর্ভে চলে গেছে। দ্রুত নদীতীর সংরক্ষণ ও বাঁধ নির্মাণের কাজ শুরুর দাবি জানান তাঁরা।

ফসলি জমিও হারাচ্ছেন কৃষকেরা

শুধু বসতভিটা নয়, নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে বিপুল পরিমাণ আবাদি জমি। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের হিসাবে, ভাঙনে নদীতীরবর্তী এলাকায় কয়েক হাজার একর কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নদীর দুই তীরের প্রায় ১০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে কোথাও কোথাও আবাদি জমি কেটে তৈরি হয়েছে বিস্তীর্ণ বালুচর।

পাঁকা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মালেক মন্ডল জানান, পানি সরে যাওয়ার পর প্রায় ৪ হাজার একর জমিতে গম, সরিষা ও ভুট্টার আবাদ করা জরুরি হয়ে পড়েছে। তবে বন্যার ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে না পারায় কৃষকদের হাতে পর্যাপ্ত নগদ অর্থ নেই। এ অবস্থায় সরকারি উদ্যোগে কৃষকদের বিনা মূল্যে বা সহায়তামূলকভাবে বীজ সরবরাহের দাবি জানান তিনি।

ফারাক্কার প্রভাব নিয়ে স্থানীয়দের অভিযোগ

স্থানীয়দের অভিযোগ, উজানে প্রায় ১৮ কিলোমিটার দূরে ভারতের ফারাক্কা বাঁধের কারণে পদ্মার গতিপথ ও প্রবাহে পরিবর্তন এসেছে। তাঁদের দাবি, বর্ষায় ফারাক্কার গেট খুলে দেওয়ার পর নদীর মূল প্রবাহ কয়েকটি শাখায় বিভক্ত হয়ে পড়ায় নদীভাঙন তীব্র হয়েছে। এতে কোথাও কোথাও নদীর এপার-ওপারের দূরত্ব প্রায় ১৫ কিলোমিটার পর্যন্ত বেড়েছে।

তবে ফারাক্কা বাঁধের সঙ্গে স্থানীয় ভাঙনের প্রত্যক্ষ সম্পর্কের বিষয়টি কারিগরি ও বৈজ্ঞানিকভাবে মূল্যায়নের প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মেহেদী হাসান মিশু জানান ৭৪৮ কোটি টাকার প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। 

চলতি বছর  প্রায় ৩০০ কোটি টাকা ব্যয়ে বাঁধ নির্মাণ ও সংরক্ষণকাজ হবে।

তিনি জানান, প্রকল্পের আওতায় ১৬টি বামতীর ও ৭টি ডানতীরের বাঁধ রক্ষার কাজ রয়েছে। বামতীরের ১৬টি প্রকল্পে ১ হাজার ৯৪০ মিটার এবং ডানতীরের ৭টি প্রকল্পে ৩ দশমিক ৯০ কিলোমিটার বাঁধ রক্ষার কাজ করা হবে।

স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া না হলে ভাঙন আরও বিস্তৃত হয়ে বসতভিটা, কৃষিজমি ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা হারানোর সংখ্যা বাড়তে পারে। তাঁদের দাবি, প্রকল্পের কাজ দ্রুত বাস্তবায়নের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে জরুরি ভিত্তিতে নদীতীর সংরক্ষণ করতে হবে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের একজন প্রকৌশলী জানান

চলতি বছর দুর্লভপুরের চলতি বছর মনোহরপুর,আইয়ব বিশ্বাসের টোলা,নামো জগনাথপুর,ডাইলপাড়া,পাঁকা কানছিড়া,ও সদর উপজেলার নারায়নপুর চর,আলাতুলি দেবিনগর হড়মা এলাকায় ভাঙন চলমান রয়েছে।  এতে মানুষ জন ঘর বাড়ি ফসলী জমি স্কুল মাদ্রাসা, স্বাস্থ্য কেন্দ্র  হারিয়ে নিশ্বো হয়ে পড়েছে। 

উল্লেখ্য বিগত সরকারের আমলে পদ্মার ভাঙন

রোধে সুন্দরপুর ইউনিয়ন থেকে আলাতুলি ইউনিয়ন পর্যন্ত বাম তীব্র সংরক্ষণ প্রকল্পের কাজ শেয হয়েছ। ভবিষ্যতে এসব এলাকায় আর ভাঙন হবেনা।

বিষয় : চাঁপাইনবাবগঞ্জ পদ্মার ভাঙন

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ঢাকার কণ্ঠ

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬


পদ্মার ভাঙনে বদলে যাচ্ছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের মানচিত্র

প্রকাশের তারিখ : ০৮ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

চাঁপাইনবাবগঞ্জে পদ্মা নদীর ভয়াবহ ভাঙনে একের পর এক বসতবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মসজিদ ও আবাদি জমি নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। এবারের বন্যার পর সদর উপজেলার নারায়ণপুর এবং শিবগঞ্জ উপজেলার দুর্লভপুর, নামোজগন্নাথপুর, ফিল্ডেরহাট, কানছিরা, বোগলাউড়ি ও ঝাইলপাড়াসহ বিভিন্ন এলাকায় অন্তত এক হাজার পরিবারের বাড়িঘর নদীগর্ভে চলে গেছে। ভাঙন আতঙ্কে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দেওয়া হলেই রাতবিরাতে মানুষ ছুটে আসছেন একে অন্যের বাড়িঘর সরাতে।

স্থানীয়দের ভাষ্য, গত চার-পাঁচ বছরে নদীভাঙনের কারণে অনেক পরিবারকে ৮ থেকে ১০ বার পর্যন্ত বসতভিটা বদলাতে হয়েছে। হাজার হাজার মানুষ হারিয়েছেন জমিজমা। পদ্মার ভাঙনে বদলে গেছে নদীতীরবর্তী এলাকার চেনা মানচিত্র। নারায়ণপুর, পাঁকা, উজিরপুর ও দুর্লভপুর ইউনিয়নের কয়েকটি এলাকায় গত কয়েক বছরে নদী প্রায় ৭ থেকে ৮ কিলোমিটার ভেতরে ঢুকে পড়েছে। বসতভিটা ও আবাদি জমি হারিয়ে অনেকে এখন ভূমিহীন ও বাড়িঘরহীন।

ভাঙনের তীব্রতা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, কখন কোন বাড়িটি নদীগর্ভে চলে যাবে—তা নিয়ে চরম আতঙ্কে রয়েছেন নদীতীরের মানুষ। মসজিদের মাইকে ভাঙনের খবর ঘোষণা হলেই স্থানীয়রা দলবেঁধে ছুটে যান ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের বাড়িতে। সময় স্বল্পতার কারণে গভীর রাতেও চলে ঘরবাড়ি সরানোর কাজ। এক পরিবারের বিপদে অন্য পরিবারের লোকজনও নিজেদের কাজ ফেলে সহযোগিতায় এগিয়ে আসছেন।

ভাঙনে বদলে যাচ্ছে চার ইউনিয়নের মানচিত্র

পাঁকা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মালেক মন্ডল বলেন, নদীভাঙনে চার ইউনিয়নের মানচিত্রই বদলে গেছে। পাঁকা ইউনিয়নের নিশিপাড়া, দক্ষিণ পাঁকা, ২০ রশিয়া, জ্যাকপাড়া ও দোভাগী এবং পাশের ইউনিয়নের মনোহরপুর ও ফিল্ডেরহাট এলাকায় গত ১০ দিন ধরে চলছে ব্যাপক নদী ভাঙন।

তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, পাঁকা ও আশপাশের ইউনিয়নে প্রায় ৫০০ পরিবারের বাড়িঘর নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। ভিটেমাটি হারিয়ে অনেকে এখন অন্যের জমিতে আশ্রয় নিয়ে বসবাস করছেন।

ফিল্ডেরহাট এলাকার বাসিন্দা মাহবুব আলম, মোশাররফ হোসেন এম ও সাদিকুল ইসলাম জানান, দুলাল, রোজবুল, মান্নান, রফিক, সালাম, জিয়াউল ও বাবরসহ অসংখ্য মানুষের বাড়িঘর নদীগর্ভে চলে গেছে। দ্রুত নদীতীর সংরক্ষণ ও বাঁধ নির্মাণের কাজ শুরুর দাবি জানান তাঁরা।

ফসলি জমিও হারাচ্ছেন কৃষকেরা

শুধু বসতভিটা নয়, নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে বিপুল পরিমাণ আবাদি জমি। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের হিসাবে, ভাঙনে নদীতীরবর্তী এলাকায় কয়েক হাজার একর কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নদীর দুই তীরের প্রায় ১০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে কোথাও কোথাও আবাদি জমি কেটে তৈরি হয়েছে বিস্তীর্ণ বালুচর।

পাঁকা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মালেক মন্ডল জানান, পানি সরে যাওয়ার পর প্রায় ৪ হাজার একর জমিতে গম, সরিষা ও ভুট্টার আবাদ করা জরুরি হয়ে পড়েছে। তবে বন্যার ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে না পারায় কৃষকদের হাতে পর্যাপ্ত নগদ অর্থ নেই। এ অবস্থায় সরকারি উদ্যোগে কৃষকদের বিনা মূল্যে বা সহায়তামূলকভাবে বীজ সরবরাহের দাবি জানান তিনি।

ফারাক্কার প্রভাব নিয়ে স্থানীয়দের অভিযোগ

স্থানীয়দের অভিযোগ, উজানে প্রায় ১৮ কিলোমিটার দূরে ভারতের ফারাক্কা বাঁধের কারণে পদ্মার গতিপথ ও প্রবাহে পরিবর্তন এসেছে। তাঁদের দাবি, বর্ষায় ফারাক্কার গেট খুলে দেওয়ার পর নদীর মূল প্রবাহ কয়েকটি শাখায় বিভক্ত হয়ে পড়ায় নদীভাঙন তীব্র হয়েছে। এতে কোথাও কোথাও নদীর এপার-ওপারের দূরত্ব প্রায় ১৫ কিলোমিটার পর্যন্ত বেড়েছে।

তবে ফারাক্কা বাঁধের সঙ্গে স্থানীয় ভাঙনের প্রত্যক্ষ সম্পর্কের বিষয়টি কারিগরি ও বৈজ্ঞানিকভাবে মূল্যায়নের প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মেহেদী হাসান মিশু জানান ৭৪৮ কোটি টাকার প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। 

চলতি বছর  প্রায় ৩০০ কোটি টাকা ব্যয়ে বাঁধ নির্মাণ ও সংরক্ষণকাজ হবে।

তিনি জানান, প্রকল্পের আওতায় ১৬টি বামতীর ও ৭টি ডানতীরের বাঁধ রক্ষার কাজ রয়েছে। বামতীরের ১৬টি প্রকল্পে ১ হাজার ৯৪০ মিটার এবং ডানতীরের ৭টি প্রকল্পে ৩ দশমিক ৯০ কিলোমিটার বাঁধ রক্ষার কাজ করা হবে।

স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া না হলে ভাঙন আরও বিস্তৃত হয়ে বসতভিটা, কৃষিজমি ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা হারানোর সংখ্যা বাড়তে পারে। তাঁদের দাবি, প্রকল্পের কাজ দ্রুত বাস্তবায়নের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে জরুরি ভিত্তিতে নদীতীর সংরক্ষণ করতে হবে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের একজন প্রকৌশলী জানান

চলতি বছর দুর্লভপুরের চলতি বছর মনোহরপুর,আইয়ব বিশ্বাসের টোলা,নামো জগনাথপুর,ডাইলপাড়া,পাঁকা কানছিড়া,ও সদর উপজেলার নারায়নপুর চর,আলাতুলি দেবিনগর হড়মা এলাকায় ভাঙন চলমান রয়েছে।  এতে মানুষ জন ঘর বাড়ি ফসলী জমি স্কুল মাদ্রাসা, স্বাস্থ্য কেন্দ্র  হারিয়ে নিশ্বো হয়ে পড়েছে। 

উল্লেখ্য বিগত সরকারের আমলে পদ্মার ভাঙন

রোধে সুন্দরপুর ইউনিয়ন থেকে আলাতুলি ইউনিয়ন পর্যন্ত বাম তীব্র সংরক্ষণ প্রকল্পের কাজ শেয হয়েছ। ভবিষ্যতে এসব এলাকায় আর ভাঙন হবেনা।


ঢাকার কণ্ঠ

সম্পাদক: লিটন মাহমুদ
প্রধান সম্পাদক: মো: আল-আমীন (পনির)
নির্বাহী সম্পাদক: শেখ ফরিদ

কপিরাইট © ২০২৫ ঢাকার কণ্ঠ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত