ঢাকার কণ্ঠ

তিব্বতে ৭ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্প, নিহত ১৬

তিব্বতে ৭ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্প, নিহত ১৬

চীনের তিব্বত অঞ্চলে বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) স্থানীয় সময় রাত ১০টা ৩৩ মিনিটে ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। এতে অন্তত ১৬ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ৩২ জন বলে প্রাথমিক প্রতিবেদনে জানানো হলেও পরবর্তী খবরে আহতের সংখ্যা আরও বেশি হওয়ার তথ্য এসেছে।

চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সিনহুয়ার বরাতে জানা গেছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল উত্তর তিব্বতের নাগকু অঞ্চলের একটি পার্বত্য এলাকায়। ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে এর কেন্দ্র থাকায় শক্তিশালী কম্পন অনুভূত হয়। তিব্বতের রাজধানী লাসা থেকে এলাকাটি প্রায় ৪০০ কিলোমিটার দূরে।

ভূমিকম্পে অন্তত ৩৩৯টি বাড়ি ধসে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় বিদ্যুৎ ও যোগাযোগব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটেছে। পাথরধসের কারণে জাতীয় মহাসড়কের একটি অংশ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দুর্গম পার্বত্য এলাকায় উদ্ধারকাজ চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে।

দুর্যোগের পর উদ্ধারকর্মীরা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় পৌঁছে অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান শুরু করেছেন। গৃহহীন বাসিন্দাদের আশ্রয় দিতে তাঁবু স্থাপন করা হচ্ছে। জরুরি সহায়তা হিসেবে তাঁবু, অস্থায়ী ঘর, বিছানা ও শীতবস্ত্র পাঠানো হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় চীনা কর্তৃপক্ষ জরুরি পদক্ষেপ নিয়েছে।

ভূমিকম্পের পর ওই অঞ্চলে আরও কয়েকটি ছোট কম্পন অনুভূত হয়েছে। দুর্গম ও উচ্চ পার্বত্য এলাকায় শীতল আবহাওয়া এবং তুষারপাতের আশঙ্কা উদ্ধার ও ত্রাণ তৎপরতাকে আরও জটিল করে তুলতে পারে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

তিব্বত ও আশপাশের অঞ্চল ভূমিকম্পপ্রবণ। এর আগে ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে তিব্বতের শিগাতসে অঞ্চলে ৬ দশমিক ৮ মাত্রার ভূমিকম্পে অন্তত ১২৬ জন নিহত হয়েছিলেন।

বিষয় : ভূমিকম্প তিব্বত

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ঢাকার কণ্ঠ

শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬


তিব্বতে ৭ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্প, নিহত ১৬

প্রকাশের তারিখ : ২৩ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

চীনের তিব্বত অঞ্চলে বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) স্থানীয় সময় রাত ১০টা ৩৩ মিনিটে ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। এতে অন্তত ১৬ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ৩২ জন বলে প্রাথমিক প্রতিবেদনে জানানো হলেও পরবর্তী খবরে আহতের সংখ্যা আরও বেশি হওয়ার তথ্য এসেছে।

চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সিনহুয়ার বরাতে জানা গেছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল উত্তর তিব্বতের নাগকু অঞ্চলের একটি পার্বত্য এলাকায়। ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে এর কেন্দ্র থাকায় শক্তিশালী কম্পন অনুভূত হয়। তিব্বতের রাজধানী লাসা থেকে এলাকাটি প্রায় ৪০০ কিলোমিটার দূরে।

ভূমিকম্পে অন্তত ৩৩৯টি বাড়ি ধসে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় বিদ্যুৎ ও যোগাযোগব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটেছে। পাথরধসের কারণে জাতীয় মহাসড়কের একটি অংশ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দুর্গম পার্বত্য এলাকায় উদ্ধারকাজ চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে।

দুর্যোগের পর উদ্ধারকর্মীরা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় পৌঁছে অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান শুরু করেছেন। গৃহহীন বাসিন্দাদের আশ্রয় দিতে তাঁবু স্থাপন করা হচ্ছে। জরুরি সহায়তা হিসেবে তাঁবু, অস্থায়ী ঘর, বিছানা ও শীতবস্ত্র পাঠানো হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় চীনা কর্তৃপক্ষ জরুরি পদক্ষেপ নিয়েছে।

ভূমিকম্পের পর ওই অঞ্চলে আরও কয়েকটি ছোট কম্পন অনুভূত হয়েছে। দুর্গম ও উচ্চ পার্বত্য এলাকায় শীতল আবহাওয়া এবং তুষারপাতের আশঙ্কা উদ্ধার ও ত্রাণ তৎপরতাকে আরও জটিল করে তুলতে পারে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

তিব্বত ও আশপাশের অঞ্চল ভূমিকম্পপ্রবণ। এর আগে ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে তিব্বতের শিগাতসে অঞ্চলে ৬ দশমিক ৮ মাত্রার ভূমিকম্পে অন্তত ১২৬ জন নিহত হয়েছিলেন।


ঢাকার কণ্ঠ

সম্পাদক: লিটন মাহমুদ
প্রধান সম্পাদক: মো: আল-আমীন (পনির)
নির্বাহী সম্পাদক: শেখ ফরিদ

কপিরাইট © ২০২৫ ঢাকার কণ্ঠ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত