ঢাকার কণ্ঠ

আগামীকাল আকাশে দেখা যাবে বছরের বিশেষ ‘হারভেস্ট মুন’

আগামীকাল আকাশে দেখা যাবে বছরের বিশেষ ‘হারভেস্ট মুন’

শরৎ বিষুবের কাছাকাছি সময়ের পূর্ণিমা হিসেবে শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দেখা যাবে ২০২৬ সালের ‘হারভেস্ট মুন’ বা ফসলের চাঁদ। বাংলাদেশ সময় রাত ১০টা ৪৯ মিনিটে পূর্ণিমা তার পূর্ণতম অবস্থায় পৌঁছাবে।

বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চল থেকে শনিবার সন্ধ্যার পর পূর্ব আকাশে পূর্ণিমার চাঁদ দেখা যাবে। দিগন্তের কাছাকাছি থাকার সময় বায়ুমণ্ডলের প্রভাবে চাঁদকে হলুদ, কমলা বা সোনালি আভায় দেখা যেতে পারে। তবে এটি চাঁদের প্রকৃত রঙের পরিবর্তন নয়; আলো পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের মধ্য দিয়ে আসার সময় এ ধরনের দৃশ্য তৈরি হয়।

‘হারভেস্ট মুন’ নামটির সঙ্গে কৃষির পুরোনো ঐতিহ্যের সম্পর্ক রয়েছে। শরৎ বিষুবের সবচেয়ে কাছাকাছি যে পূর্ণিমা ঘটে, সেটিকেই সাধারণত এই নামে ডাকা হয়। বছরের কোন পূর্ণিমাটি হারভেস্ট মুন হবে, তা তাই সেপ্টেম্বর বা অক্টোবরের ওপর নির্ভর করতে পারে। ২০২৬ সালে সেপ্টেম্বরের পূর্ণিমাটিই এই বিশেষ নাম পেয়েছে।

ইত্তেফাকের জ্যোতির্বিজ্ঞানবিষয়ক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেপ্টেম্বরের শেষভাগে হারভেস্ট মুনের পাশাপাশি শনি ও বৃহস্পতিও রাতের আকাশে পর্যবেক্ষণের সুযোগ থাকবে। পরিষ্কার দিগন্ত ও কম আলোকদূষণ রয়েছে এমন জায়গা থেকে আকাশ পর্যবেক্ষণ করলে এসব মহাজাগতিক দৃশ্য তুলনামূলক ভালোভাবে দেখা যেতে পারে।

তবে ২৬ সেপ্টেম্বরের পূর্ণিমার সঙ্গে কোনো চন্দ্রগ্রহণ থাকছে না। ২০২৬ সালের আংশিক চন্দ্রগ্রহণ ২৭–২৮ আগস্ট হয়েছিল এবং সেটি বাংলাদেশ থেকে দেখা যায়নি। 

বিষয় : হারভেস্ট মুন

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ঢাকার কণ্ঠ

শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬


আগামীকাল আকাশে দেখা যাবে বছরের বিশেষ ‘হারভেস্ট মুন’

প্রকাশের তারিখ : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

শরৎ বিষুবের কাছাকাছি সময়ের পূর্ণিমা হিসেবে শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দেখা যাবে ২০২৬ সালের ‘হারভেস্ট মুন’ বা ফসলের চাঁদ। বাংলাদেশ সময় রাত ১০টা ৪৯ মিনিটে পূর্ণিমা তার পূর্ণতম অবস্থায় পৌঁছাবে।

বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চল থেকে শনিবার সন্ধ্যার পর পূর্ব আকাশে পূর্ণিমার চাঁদ দেখা যাবে। দিগন্তের কাছাকাছি থাকার সময় বায়ুমণ্ডলের প্রভাবে চাঁদকে হলুদ, কমলা বা সোনালি আভায় দেখা যেতে পারে। তবে এটি চাঁদের প্রকৃত রঙের পরিবর্তন নয়; আলো পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের মধ্য দিয়ে আসার সময় এ ধরনের দৃশ্য তৈরি হয়।

‘হারভেস্ট মুন’ নামটির সঙ্গে কৃষির পুরোনো ঐতিহ্যের সম্পর্ক রয়েছে। শরৎ বিষুবের সবচেয়ে কাছাকাছি যে পূর্ণিমা ঘটে, সেটিকেই সাধারণত এই নামে ডাকা হয়। বছরের কোন পূর্ণিমাটি হারভেস্ট মুন হবে, তা তাই সেপ্টেম্বর বা অক্টোবরের ওপর নির্ভর করতে পারে। ২০২৬ সালে সেপ্টেম্বরের পূর্ণিমাটিই এই বিশেষ নাম পেয়েছে।

ইত্তেফাকের জ্যোতির্বিজ্ঞানবিষয়ক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেপ্টেম্বরের শেষভাগে হারভেস্ট মুনের পাশাপাশি শনি ও বৃহস্পতিও রাতের আকাশে পর্যবেক্ষণের সুযোগ থাকবে। পরিষ্কার দিগন্ত ও কম আলোকদূষণ রয়েছে এমন জায়গা থেকে আকাশ পর্যবেক্ষণ করলে এসব মহাজাগতিক দৃশ্য তুলনামূলক ভালোভাবে দেখা যেতে পারে।

তবে ২৬ সেপ্টেম্বরের পূর্ণিমার সঙ্গে কোনো চন্দ্রগ্রহণ থাকছে না। ২০২৬ সালের আংশিক চন্দ্রগ্রহণ ২৭–২৮ আগস্ট হয়েছিল এবং সেটি বাংলাদেশ থেকে দেখা যায়নি। 


ঢাকার কণ্ঠ

সম্পাদক: লিটন মাহমুদ
প্রধান সম্পাদক: মো: আল-আমীন (পনির)
নির্বাহী সম্পাদক: শেখ ফরিদ

কপিরাইট © ২০২৫ ঢাকার কণ্ঠ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত