দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের মৃত্যুর ঘটনায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে করা মামলায় সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের জামিন আবেদন তৃতীয়বারের মতো নামঞ্জুর করেছেন আদালত। ফলে আপাতত কারাগারেই থাকতে হচ্ছে তাঁকে।
রোববার (১১ অক্টোবর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আল বিরুনী মীরের আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। এদিন আসামিপক্ষের আইনজীবী মাহাবুবুর রহমান জামিনের আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষ এর বিরোধিতা করে। শুনানি শেষে আদালত আবেদনটি নামঞ্জুর করেন।
শুনানির সময় কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে গাজী নজরুল নিজেকে অসুস্থ দাবি করে তাঁর পক্ষে ১০ জন আইনজীবীকে শুনানিতে অংশ নেওয়ার অনুমতি দেওয়ার অনুরোধ জানান বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এর আগে গত ৭ অক্টোবর একই মামলায় তাঁর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলামের আদালত। ওই শুনানিতে আসামিপক্ষের আইনজীবী দাবি করেছিলেন, মামলার বাদী ও মরিয়মের বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহর সঙ্গে সমঝোতা হয়েছে এবং জামিনে তাঁর আপত্তি নেই। তবে রাষ্ট্রপক্ষ জামিনের বিরোধিতা করে।
এরও আগে ৩০ সেপ্টেম্বর গাজী নজরুল ও তাঁর প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলামের জামিন আবেদন করা হয়েছিল। সেদিন আদালত মাকছুদাকে জামিন দিলেও গাজী নজরুলের আবেদন নামঞ্জুর করেন। দুই দফায় মোট আট দিনের রিমান্ড শেষে ২৮ সেপ্টেম্বর তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল।
মামলার নথি অনুযায়ী, গত ২০ সেপ্টেম্বর রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানার ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরদিন মরিয়মের বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহ আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে মামলা করেন। এতে গাজী নজরুল, তাঁর প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলাম এবং মরিয়মের মামা ওবায়দুর রহমানকে আসামি করা হয়। মামলাটির তদন্ত করছে গোয়েন্দা পুলিশ।
মামলাটি তদন্তাধীন। আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগ আদালতে প্রমাণিত হয়েছে এমন কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
বিষয় : এমপি গাজী নজরুল

রোববার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ অক্টোবর ২০২৬
দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের মৃত্যুর ঘটনায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে করা মামলায় সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের জামিন আবেদন তৃতীয়বারের মতো নামঞ্জুর করেছেন আদালত। ফলে আপাতত কারাগারেই থাকতে হচ্ছে তাঁকে।
রোববার (১১ অক্টোবর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আল বিরুনী মীরের আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। এদিন আসামিপক্ষের আইনজীবী মাহাবুবুর রহমান জামিনের আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষ এর বিরোধিতা করে। শুনানি শেষে আদালত আবেদনটি নামঞ্জুর করেন।
শুনানির সময় কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে গাজী নজরুল নিজেকে অসুস্থ দাবি করে তাঁর পক্ষে ১০ জন আইনজীবীকে শুনানিতে অংশ নেওয়ার অনুমতি দেওয়ার অনুরোধ জানান বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এর আগে গত ৭ অক্টোবর একই মামলায় তাঁর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলামের আদালত। ওই শুনানিতে আসামিপক্ষের আইনজীবী দাবি করেছিলেন, মামলার বাদী ও মরিয়মের বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহর সঙ্গে সমঝোতা হয়েছে এবং জামিনে তাঁর আপত্তি নেই। তবে রাষ্ট্রপক্ষ জামিনের বিরোধিতা করে।
এরও আগে ৩০ সেপ্টেম্বর গাজী নজরুল ও তাঁর প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলামের জামিন আবেদন করা হয়েছিল। সেদিন আদালত মাকছুদাকে জামিন দিলেও গাজী নজরুলের আবেদন নামঞ্জুর করেন। দুই দফায় মোট আট দিনের রিমান্ড শেষে ২৮ সেপ্টেম্বর তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল।
মামলার নথি অনুযায়ী, গত ২০ সেপ্টেম্বর রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানার ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরদিন মরিয়মের বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহ আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে মামলা করেন। এতে গাজী নজরুল, তাঁর প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলাম এবং মরিয়মের মামা ওবায়দুর রহমানকে আসামি করা হয়। মামলাটির তদন্ত করছে গোয়েন্দা পুলিশ।
মামলাটি তদন্তাধীন। আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগ আদালতে প্রমাণিত হয়েছে এমন কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন