১৩ বছরের কম বয়সী শিশুদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার সীমিত করতে নতুন পদক্ষেপ নিয়েছে জার্মানি। দেশটির মন্ত্রিসভা শিশু-কিশোরদের অনলাইনে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নতুন নীতিগত নির্দেশনা অনুমোদন করেছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) অভিন্ন নিয়ম কার্যকর না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় পর্যায়ে এ বিধিনিষেধ চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) জার্মান মন্ত্রিসভা অনুমোদিত পরিকল্পনায় বলা হয়েছে, ১৩ বছরের কম বয়সীরা সাধারণভাবে টিকটক, স্ন্যাপচ্যাট ও ইনস্টাগ্রামের মতো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করতে পারবে না। তবে শিশুদের উপযোগী হিসেবে স্বীকৃত প্ল্যাটফর্মগুলো এ বিধিনিষেধের বাইরে থাকতে পারে। ১৩ থেকে ১৮ বছর বয়সীদের জন্য বয়স অনুযায়ী ধাপে ধাপে ব্যবহারের সীমাবদ্ধতা আরোপের পরিকল্পনাও রয়েছে।
জার্মানির শিক্ষামন্ত্রী ও পরিবারবিষয়ক মন্ত্রী কারিন প্রিন বলেছেন, শিশুদের ডিজিটাল জগৎ থেকে বিচ্ছিন্ন করা সরকারের উদ্দেশ্য নয়। বরং অনলাইনে নিরাপদে চলাফেরা, প্রযুক্তি ব্যবহারের দক্ষতা এবং দায়িত্বশীল আচরণ গড়ে তোলাই এ উদ্যোগের লক্ষ্য।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৭ সাল থেকে ডিজিটাল পরিচয়ব্যবস্থার মাধ্যমে অনলাইন সেবায় বয়স যাচাইয়ের নির্ভরযোগ্য ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে। এর ফলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের বয়স যাচাই আরও কার্যকর করার সুযোগ তৈরি হবে।
শুধু বয়সসীমা নির্ধারণ নয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নকশা ও কার্যপ্রণালিতেও পরিবর্তন আনতে চায় জার্মানি। ব্যবহারকারীদের দীর্ঘ সময় ধরে প্ল্যাটফর্মে আটকে রাখতে পারে এমন স্বয়ংক্রিয় সুপারিশব্যবস্থা এবং অনবরত স্ক্রল করার সুবিধার মতো ফিচার নিয়ন্ত্রণে প্ল্যাটফর্মগুলোর ওপর চাপ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
জার্মান সরকারের এ উদ্যোগ শিশু-কিশোরদের অনলাইন নিরাপত্তা জোরদারে ইউরোপজুড়ে চলমান আলোচনার অংশ। ইউরোপীয় কমিশনও গত সেপ্টেম্বরে শিশুদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে বয়সভিত্তিক সীমাবদ্ধতার প্রস্তাব দিয়েছিল। তবে জার্মানির নতুন নীতিগত নির্দেশনা এখনো চূড়ান্ত আইন নয়; বিধিনিষেধ কবে থেকে পুরোপুরি কার্যকর হবে, তা এখনো নির্ধারিত হয়নি।
বিষয় : সোশ্যাল মিডিয়া নিষেধাজ্ঞা জার্মানি

শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ অক্টোবর ২০২৬
১৩ বছরের কম বয়সী শিশুদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার সীমিত করতে নতুন পদক্ষেপ নিয়েছে জার্মানি। দেশটির মন্ত্রিসভা শিশু-কিশোরদের অনলাইনে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নতুন নীতিগত নির্দেশনা অনুমোদন করেছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) অভিন্ন নিয়ম কার্যকর না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় পর্যায়ে এ বিধিনিষেধ চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) জার্মান মন্ত্রিসভা অনুমোদিত পরিকল্পনায় বলা হয়েছে, ১৩ বছরের কম বয়সীরা সাধারণভাবে টিকটক, স্ন্যাপচ্যাট ও ইনস্টাগ্রামের মতো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করতে পারবে না। তবে শিশুদের উপযোগী হিসেবে স্বীকৃত প্ল্যাটফর্মগুলো এ বিধিনিষেধের বাইরে থাকতে পারে। ১৩ থেকে ১৮ বছর বয়সীদের জন্য বয়স অনুযায়ী ধাপে ধাপে ব্যবহারের সীমাবদ্ধতা আরোপের পরিকল্পনাও রয়েছে।
জার্মানির শিক্ষামন্ত্রী ও পরিবারবিষয়ক মন্ত্রী কারিন প্রিন বলেছেন, শিশুদের ডিজিটাল জগৎ থেকে বিচ্ছিন্ন করা সরকারের উদ্দেশ্য নয়। বরং অনলাইনে নিরাপদে চলাফেরা, প্রযুক্তি ব্যবহারের দক্ষতা এবং দায়িত্বশীল আচরণ গড়ে তোলাই এ উদ্যোগের লক্ষ্য।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৭ সাল থেকে ডিজিটাল পরিচয়ব্যবস্থার মাধ্যমে অনলাইন সেবায় বয়স যাচাইয়ের নির্ভরযোগ্য ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে। এর ফলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের বয়স যাচাই আরও কার্যকর করার সুযোগ তৈরি হবে।
শুধু বয়সসীমা নির্ধারণ নয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নকশা ও কার্যপ্রণালিতেও পরিবর্তন আনতে চায় জার্মানি। ব্যবহারকারীদের দীর্ঘ সময় ধরে প্ল্যাটফর্মে আটকে রাখতে পারে এমন স্বয়ংক্রিয় সুপারিশব্যবস্থা এবং অনবরত স্ক্রল করার সুবিধার মতো ফিচার নিয়ন্ত্রণে প্ল্যাটফর্মগুলোর ওপর চাপ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
জার্মান সরকারের এ উদ্যোগ শিশু-কিশোরদের অনলাইন নিরাপত্তা জোরদারে ইউরোপজুড়ে চলমান আলোচনার অংশ। ইউরোপীয় কমিশনও গত সেপ্টেম্বরে শিশুদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে বয়সভিত্তিক সীমাবদ্ধতার প্রস্তাব দিয়েছিল। তবে জার্মানির নতুন নীতিগত নির্দেশনা এখনো চূড়ান্ত আইন নয়; বিধিনিষেধ কবে থেকে পুরোপুরি কার্যকর হবে, তা এখনো নির্ধারিত হয়নি।

আপনার মতামত লিখুন