ঢাকার কেরানীগঞ্জের মডেল টাউন এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা দিন দিন উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষ করে জিনজিরা ইউনিয়নে তাদের দৌরাত্ম্যে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। সম্প্রতি এক শিক্ষার্থীকে নির্মমভাবে মারধরের ঘটনায় বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২০ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ বিকাল আনুমানিক সাড়ে ৪টার দিকে মডেল টাউন এলাকায় পূর্ব শত্রুতার জেরে কিশোর গ্যাংয়ের কয়েকজন সদস্য ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থী সাজিদ রহমানকে ঘিরে ধরে বেধড়ক মারধর করে। এতে সে গুরুতর আহত হয়।
স্থানীয়রা জানান, অভিযুক্ত গ্যাংটি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মারামারি, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত। তাদের দৌরাত্ম্য দিন দিন বাড়লেও কার্যকর পদক্ষেপের অভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
আহত শিক্ষার্থীকে প্রথমে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হলেও অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়।
হাসপাতাল থেকে ভিকটিমের মামা মোকসেদ জানান, “আমার ভাগিনা মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছে। ডাক্তার বলেছেন, যে কোনো সময় তার অবস্থা আরও খারাপ হতে পারে।”
ভিকটিমের বাবা মোঃ হেলাল উদ্দিন বলেন, “আমার সন্তানের ওপর নির্যাতনের সঙ্গে জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।”
মা ফিরোজা বেগমও একই দাবি জানিয়ে বলেন, “যারা আমার সন্তানকে হত্যার চেষ্টা করেছে, তাদের দ্রুত গ্রেফতারের জন্য পুলিশের সহযোগিতা চাই।”
এ ঘটনায় কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
কেরানীগঞ্জ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইফুল আলম জানান, “ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে এলাকাবাসী তিনজনকে ধরে থানায় সোপর্দ করলে তাদের শিশু আইনে আদালতে পাঠানো হয়েছে। বাকি জড়িতদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”
এলাকাবাসীর দাবি, কিশোর গ্যাংয়ের এমন বাড়বাড়ন্ত রোধে দ্রুত ও কঠোর প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া না হলে ভবিষ্যতে আরও বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
বিষয় : কেরানীগঞ্জে কিশোর গ্যাং

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ এপ্রিল ২০২৬
ঢাকার কেরানীগঞ্জের মডেল টাউন এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা দিন দিন উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষ করে জিনজিরা ইউনিয়নে তাদের দৌরাত্ম্যে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। সম্প্রতি এক শিক্ষার্থীকে নির্মমভাবে মারধরের ঘটনায় বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২০ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ বিকাল আনুমানিক সাড়ে ৪টার দিকে মডেল টাউন এলাকায় পূর্ব শত্রুতার জেরে কিশোর গ্যাংয়ের কয়েকজন সদস্য ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থী সাজিদ রহমানকে ঘিরে ধরে বেধড়ক মারধর করে। এতে সে গুরুতর আহত হয়।
স্থানীয়রা জানান, অভিযুক্ত গ্যাংটি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মারামারি, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত। তাদের দৌরাত্ম্য দিন দিন বাড়লেও কার্যকর পদক্ষেপের অভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
আহত শিক্ষার্থীকে প্রথমে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হলেও অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়।
হাসপাতাল থেকে ভিকটিমের মামা মোকসেদ জানান, “আমার ভাগিনা মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছে। ডাক্তার বলেছেন, যে কোনো সময় তার অবস্থা আরও খারাপ হতে পারে।”
ভিকটিমের বাবা মোঃ হেলাল উদ্দিন বলেন, “আমার সন্তানের ওপর নির্যাতনের সঙ্গে জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।”
মা ফিরোজা বেগমও একই দাবি জানিয়ে বলেন, “যারা আমার সন্তানকে হত্যার চেষ্টা করেছে, তাদের দ্রুত গ্রেফতারের জন্য পুলিশের সহযোগিতা চাই।”
এ ঘটনায় কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
কেরানীগঞ্জ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইফুল আলম জানান, “ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে এলাকাবাসী তিনজনকে ধরে থানায় সোপর্দ করলে তাদের শিশু আইনে আদালতে পাঠানো হয়েছে। বাকি জড়িতদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”
এলাকাবাসীর দাবি, কিশোর গ্যাংয়ের এমন বাড়বাড়ন্ত রোধে দ্রুত ও কঠোর প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া না হলে ভবিষ্যতে আরও বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন