কেরানীগঞ্জে বহিষ্কারের সিদ্ধান্তের পর নাটকীয়ভাবে তেঘরিয়া ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক খোরশেদ জমিদারকে আবারও তার পদে পুনর্বহাল করা হয়েছে। দলীয় এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) জারি করা এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে কেরানীগঞ্জ উপজেলা দক্ষিণ শাখা বিএনপি জানায়, তেঘরিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক খোরশেদ জমিদারের বিরুদ্ধে পূর্বে জারিকৃত বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে এবং তাকে তার আগের পদে পুনর্বহাল করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাকে দলীয় কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এর আগে জমি দখল, অবৈধভাবে গরুর হাট বসানো, সরকারি কাজে বাধা প্রদানসহ নানা অভিযোগে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। এছাড়া ডিবি পুলিশের অভিযানে বাধা দেওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে বিষয়টি ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।
তবে হঠাৎ করেই বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে পুনর্বহাল করার সিদ্ধান্তে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই এ সিদ্ধান্তকে ‘নাটকীয় মোড়’ হিসেবে দেখছেন।
এ বিষয়ে দলীয় নেতারা আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু না জানালেও, সংশ্লিষ্টদের মতে অভ্যন্তরীণ আলোচনা ও সমঝোতার ভিত্তিতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের দ্রুত সিদ্ধান্ত পরিবর্তন স্থানীয় রাজনীতিতে ভিন্ন বার্তা দেয় এবং দলীয় শৃঙ্খলা নিয়েও প্রশ্ন তুলতে পারে।

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ এপ্রিল ২০২৬
কেরানীগঞ্জে বহিষ্কারের সিদ্ধান্তের পর নাটকীয়ভাবে তেঘরিয়া ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক খোরশেদ জমিদারকে আবারও তার পদে পুনর্বহাল করা হয়েছে। দলীয় এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) জারি করা এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে কেরানীগঞ্জ উপজেলা দক্ষিণ শাখা বিএনপি জানায়, তেঘরিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক খোরশেদ জমিদারের বিরুদ্ধে পূর্বে জারিকৃত বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে এবং তাকে তার আগের পদে পুনর্বহাল করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাকে দলীয় কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এর আগে জমি দখল, অবৈধভাবে গরুর হাট বসানো, সরকারি কাজে বাধা প্রদানসহ নানা অভিযোগে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। এছাড়া ডিবি পুলিশের অভিযানে বাধা দেওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে বিষয়টি ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।
তবে হঠাৎ করেই বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে পুনর্বহাল করার সিদ্ধান্তে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই এ সিদ্ধান্তকে ‘নাটকীয় মোড়’ হিসেবে দেখছেন।
এ বিষয়ে দলীয় নেতারা আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু না জানালেও, সংশ্লিষ্টদের মতে অভ্যন্তরীণ আলোচনা ও সমঝোতার ভিত্তিতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের দ্রুত সিদ্ধান্ত পরিবর্তন স্থানীয় রাজনীতিতে ভিন্ন বার্তা দেয় এবং দলীয় শৃঙ্খলা নিয়েও প্রশ্ন তুলতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন