ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে তেঘরিয়া বাসস্ট্যান্ড দখলকে কেন্দ্র করে বুধবার বিকেলে বিএনপির দুগ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। সংঘর্ষ চলাকালীন সময়ে ৪-৫টি বোমা বিস্ফোরণ হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছেন। তবে কোন পক্ষের লোকজন বোমা বিস্ফোরণ করেছে সেই বিষয়ে বলতে পারেনি পুলিশ।
এই ঘটনায় কমপক্ষে ৭-৮জন গুরুতর আহত হয়। আহতরা হচ্ছেন, মো.মালেক গাজী (৫৩), মো. শাহীন মিয়া(৩৪), মো. সাজ্জাদ হোসেন (২২), মাহমুদ হাসান(২৭)। শাহীন মিয়ার পিছনে ছুরিকাহত হলে কেরানীগঞ্জের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সাজ্জাদ হোসেনের চোখে আঘাত লেগেছে।
এই ঘটনায় বিএনপি নেতা রিফাত মোল্লা দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় অভিযোগ দিতে আসলে পুলিশের সামনে হামলা চালায় বিএনপির নামধারী মেহেদী হাসান সম্রাট ও জহিরুল ইসলাম। এসময় ৩০-৪০ জন হামলাকারী ছিল। হামলা কারীদের মধ্যে বেশির ভাগেই একসময় আওয়ামিলীগের লোক। এখন তারা বিএনপির হয়ে তেঘরিয়া বাসস্ট্যান্ড দখলে নিয়েছে বলে অভিযোগ করেন রিফাত মোল্লা। এর প্রতিবাদ করায় রিফাত মোল্লার লোকজনের উপর হামলা চালায়। রিফাত মোল্লার দুটি মটর সাইকেল নিয়ে গেছে সন্ত্রাসীরা। এসময় দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইফুল ইসলাম বিব্রত পরিস্থিতির মধ্যে পরে। দুই পক্ষের সংঘর্ষের খবর পেয়ে তেঘরিয়া বাসস্ট্যান্ডে ওসি সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
ঘটনার পরবর্তীতে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে আসেন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট নিপুণ রায় চৌধুরী এমপি। তিনি বলেন, পুলিশকে অনেক আগে বলেছি তেঘরিয়া বাসস্ট্যান্ডে চাঁদা বন্ধ করার জন্য। রিফাত মোল্লার নেতৃত্বে বিএনপি নেতা কর্মীর উপর হামলা চালিয়েছে। রিফাত মোল্লা বিএনপির কেউ নয়।
রিফাত মোল্লা জানান, আমার লোকজনের উপর হামলা করেছেন চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীরা। এই ঘটনায় দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় অভিযোগ করতে গেলে আমার উপর হামলা চালায় বিএনপির নামধারী লোকজন। আমার উপর হামলার নেপথ্যে ঢাকা জেলা দক্ষিণ ছাত্রদলের এক প্রভাবশালী নেতার হাত রয়েছে। নিপুন রায় চৌধুরী এমপি তার পক্ষ নিয়ে পুলিশকে চাপসৃষ্টি করছেন। আমার বাবা মরহুম লুৎফর রহমান মোল্লা চেয়ারম্যান আজীবন বিএনপি করেছেন। আমি বিএনপির পরিবার হওয়াতে একাধিক মামলায় জেল খেটেছি। আজ আমাকে বলে আমি বিএনপির কেউ নয়। সে বিএনপির কিনা সেটা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ(ওসি) সাইফুল ইসলাম জানান, তেঘরিয়া বাসস্ট্যান্ড নিয়ে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন বিরোধ চলছিল। বিকেলে রিফাত মোল্লার লোকজনের উপর হামলা চালায় একটি গ্রুপ। এই ঘটনায় রিফাত মোল্লা থানায় অভিযোগ করতে আসলে তার উপর হামলা চালায়। এতে পুলিশ বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পরে। সেখানে ৪-৫ টি বোমা বিস্ফোরণ হয়েছে। তবে কোন পক্ষ বোমা বিস্ফোরণ করেছে সেই বিষয়ে বলতে পারছি না।
এব্যাপারে সংসদ সদস্য নিপুন রায় চৌধুরী এমপি আরও বলেন, কেরানীগঞ্জে কোন চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের স্থান থাকবে না। পুলিশকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে মামলা করে রিফাত মোল্লাকে ২৪ ঘন্টার মধ্যে গ্রেপ্তার করতে হবে।

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ মে ২০২৬
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে তেঘরিয়া বাসস্ট্যান্ড দখলকে কেন্দ্র করে বুধবার বিকেলে বিএনপির দুগ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। সংঘর্ষ চলাকালীন সময়ে ৪-৫টি বোমা বিস্ফোরণ হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছেন। তবে কোন পক্ষের লোকজন বোমা বিস্ফোরণ করেছে সেই বিষয়ে বলতে পারেনি পুলিশ।
এই ঘটনায় কমপক্ষে ৭-৮জন গুরুতর আহত হয়। আহতরা হচ্ছেন, মো.মালেক গাজী (৫৩), মো. শাহীন মিয়া(৩৪), মো. সাজ্জাদ হোসেন (২২), মাহমুদ হাসান(২৭)। শাহীন মিয়ার পিছনে ছুরিকাহত হলে কেরানীগঞ্জের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সাজ্জাদ হোসেনের চোখে আঘাত লেগেছে।
এই ঘটনায় বিএনপি নেতা রিফাত মোল্লা দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় অভিযোগ দিতে আসলে পুলিশের সামনে হামলা চালায় বিএনপির নামধারী মেহেদী হাসান সম্রাট ও জহিরুল ইসলাম। এসময় ৩০-৪০ জন হামলাকারী ছিল। হামলা কারীদের মধ্যে বেশির ভাগেই একসময় আওয়ামিলীগের লোক। এখন তারা বিএনপির হয়ে তেঘরিয়া বাসস্ট্যান্ড দখলে নিয়েছে বলে অভিযোগ করেন রিফাত মোল্লা। এর প্রতিবাদ করায় রিফাত মোল্লার লোকজনের উপর হামলা চালায়। রিফাত মোল্লার দুটি মটর সাইকেল নিয়ে গেছে সন্ত্রাসীরা। এসময় দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইফুল ইসলাম বিব্রত পরিস্থিতির মধ্যে পরে। দুই পক্ষের সংঘর্ষের খবর পেয়ে তেঘরিয়া বাসস্ট্যান্ডে ওসি সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
ঘটনার পরবর্তীতে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে আসেন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট নিপুণ রায় চৌধুরী এমপি। তিনি বলেন, পুলিশকে অনেক আগে বলেছি তেঘরিয়া বাসস্ট্যান্ডে চাঁদা বন্ধ করার জন্য। রিফাত মোল্লার নেতৃত্বে বিএনপি নেতা কর্মীর উপর হামলা চালিয়েছে। রিফাত মোল্লা বিএনপির কেউ নয়।
রিফাত মোল্লা জানান, আমার লোকজনের উপর হামলা করেছেন চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীরা। এই ঘটনায় দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় অভিযোগ করতে গেলে আমার উপর হামলা চালায় বিএনপির নামধারী লোকজন। আমার উপর হামলার নেপথ্যে ঢাকা জেলা দক্ষিণ ছাত্রদলের এক প্রভাবশালী নেতার হাত রয়েছে। নিপুন রায় চৌধুরী এমপি তার পক্ষ নিয়ে পুলিশকে চাপসৃষ্টি করছেন। আমার বাবা মরহুম লুৎফর রহমান মোল্লা চেয়ারম্যান আজীবন বিএনপি করেছেন। আমি বিএনপির পরিবার হওয়াতে একাধিক মামলায় জেল খেটেছি। আজ আমাকে বলে আমি বিএনপির কেউ নয়। সে বিএনপির কিনা সেটা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ(ওসি) সাইফুল ইসলাম জানান, তেঘরিয়া বাসস্ট্যান্ড নিয়ে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন বিরোধ চলছিল। বিকেলে রিফাত মোল্লার লোকজনের উপর হামলা চালায় একটি গ্রুপ। এই ঘটনায় রিফাত মোল্লা থানায় অভিযোগ করতে আসলে তার উপর হামলা চালায়। এতে পুলিশ বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পরে। সেখানে ৪-৫ টি বোমা বিস্ফোরণ হয়েছে। তবে কোন পক্ষ বোমা বিস্ফোরণ করেছে সেই বিষয়ে বলতে পারছি না।
এব্যাপারে সংসদ সদস্য নিপুন রায় চৌধুরী এমপি আরও বলেন, কেরানীগঞ্জে কোন চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের স্থান থাকবে না। পুলিশকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে মামলা করে রিফাত মোল্লাকে ২৪ ঘন্টার মধ্যে গ্রেপ্তার করতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন