ঢাকার কেরানীগঞ্জে এক ঔষধ ব্যবসায়ী ও তার পরিবারকে ফ্ল্যাট থেকে বের করে নির্যাতন, মারধর ও ঘরের মালামাল লুটপাটের অভিযোগের পেছনে মূল ঘটনার ব্যাখ্যা দিলেন ওই বাড়ির মালিক আকবর আলী।
গত রোববার বিকেলে কেরানীগঞ্জ মডেল থানার মডেল টাউন এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। নির্যাতনের শিকার হন ঔষধ ব্যবসায়ী মো. বদরুজ্জামান দেওয়ান রনি, তার স্ত্রী ও চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ুয়া সন্তানসহ পরিবারের সদস্যরা।
তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করে আজ বুধবার কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ হাউসিং এলাকায় বাগানবাড়িতে সংবাদ সম্মেলন করেন আকবর আলী ও তার পরিবারের সদস্যরা।
সংবাদ সম্মেলনে আকবর আলী বলেন, আমাকে হয়রানি করার জন্য বদরুজ্জামান দেওয়ান রনি একাধিক মিথ্যা মামলা দিয়ে আসামি বানিয়েছে। আমার পরিবারের অনেক সদস্যকেই আসামি করেছে।
স্বর্ণ অলংকার, টাকা-পয়সা চুরির অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, আদালত যদি প্রমাণ করতে পারে যা শাস্তি হবে আমি তা মাথা পেতে নিব। আমি তাকে বারবার এই ফ্ল্যাটের বিষয়ে সমাধান করার জন্য সর্বোচ্চ সহযোগিতা করেছি। গত বছরের ২৫ ডিসেম্বর
কোর্ট আদেশ দিয়েছিল, তাকে উচ্ছেদ করার জন্য। আমি তারপরেও চার মাস অপেক্ষা করেছি। তাকে সুযোগ দিয়েছি। কিন্তু তিনি তারপরেও আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচার করেছে।
তিনি বলেন, বদরুজ্জামান সন্ত্রাসী বাহিনী ভাড়া করে ২০২৩ সালে আমার ফ্ল্যাট দখল করেছে, কোন কাগজপত্র ছাড়াই। আমি দীর্ঘ সময় ধরে তাকে ফ্ল্যাটে আশ্রয় দিয়েছি। বদরুজ্জামান যে টাকা দিয়ে ফ্ল্যাট কিনেছে তার অর্ধেক টাকাও আমাকে পরিশোধ করেননি। বরঞ্চ আমাকে ভয় ভীতি দেখিয়েছে। বারবার বদরুজ্জামান এবং তার স্ত্রীকে আমি যেদিন বের করে দিয়েছি, সেদিন রাত্রেও আমি আমার ব্যক্তিগত ফ্লাটে তাদেরকে রাত্রিযাপন করতে দিয়েছি, আপ্যায়নও করেছি।
এই মালিক আরও বলেন, বদরুজ্জামান এবং তার স্ত্রী আমার মত একজন ব্যবসায়ীর মানহানি করেছেন।
এর আগেও বহুবার করেছে। যেটি আমার জন্য লজ্জাজনক, আমি জীবনে অনেক কষ্ট করে বাড়িঘর সম্পদ করেছি। আমার ব্যক্তিত্বকে নিয়ে তারা খেলেছে। তার শিশু বাচ্চাকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছে। গণমাধ্যমের কাছে মিথ্যা তথ্য প্রচার করেছে। আমি প্রতিটি মিথ্যা মামলার বিরুদ্ধে নিন্দা প্রকাশ করছি।
তিনি আরও বলেন, আমার কাছে যদি তারা টাকা পয়সা পেয়ে থাকে তাদেরকে প্রস্তাব দিলাম কাগজপত্র নিয়ে আসুক আমি সমাধান করে দিব, যেকোন মূল্যে এবং আমি যদি পেয়ে থাকি সেটা তাদেরকে পরিশোধ করতে হবে।

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মে ২০২৬
ঢাকার কেরানীগঞ্জে এক ঔষধ ব্যবসায়ী ও তার পরিবারকে ফ্ল্যাট থেকে বের করে নির্যাতন, মারধর ও ঘরের মালামাল লুটপাটের অভিযোগের পেছনে মূল ঘটনার ব্যাখ্যা দিলেন ওই বাড়ির মালিক আকবর আলী।
গত রোববার বিকেলে কেরানীগঞ্জ মডেল থানার মডেল টাউন এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। নির্যাতনের শিকার হন ঔষধ ব্যবসায়ী মো. বদরুজ্জামান দেওয়ান রনি, তার স্ত্রী ও চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ুয়া সন্তানসহ পরিবারের সদস্যরা।
তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করে আজ বুধবার কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ হাউসিং এলাকায় বাগানবাড়িতে সংবাদ সম্মেলন করেন আকবর আলী ও তার পরিবারের সদস্যরা।
সংবাদ সম্মেলনে আকবর আলী বলেন, আমাকে হয়রানি করার জন্য বদরুজ্জামান দেওয়ান রনি একাধিক মিথ্যা মামলা দিয়ে আসামি বানিয়েছে। আমার পরিবারের অনেক সদস্যকেই আসামি করেছে।
স্বর্ণ অলংকার, টাকা-পয়সা চুরির অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, আদালত যদি প্রমাণ করতে পারে যা শাস্তি হবে আমি তা মাথা পেতে নিব। আমি তাকে বারবার এই ফ্ল্যাটের বিষয়ে সমাধান করার জন্য সর্বোচ্চ সহযোগিতা করেছি। গত বছরের ২৫ ডিসেম্বর
কোর্ট আদেশ দিয়েছিল, তাকে উচ্ছেদ করার জন্য। আমি তারপরেও চার মাস অপেক্ষা করেছি। তাকে সুযোগ দিয়েছি। কিন্তু তিনি তারপরেও আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচার করেছে।
তিনি বলেন, বদরুজ্জামান সন্ত্রাসী বাহিনী ভাড়া করে ২০২৩ সালে আমার ফ্ল্যাট দখল করেছে, কোন কাগজপত্র ছাড়াই। আমি দীর্ঘ সময় ধরে তাকে ফ্ল্যাটে আশ্রয় দিয়েছি। বদরুজ্জামান যে টাকা দিয়ে ফ্ল্যাট কিনেছে তার অর্ধেক টাকাও আমাকে পরিশোধ করেননি। বরঞ্চ আমাকে ভয় ভীতি দেখিয়েছে। বারবার বদরুজ্জামান এবং তার স্ত্রীকে আমি যেদিন বের করে দিয়েছি, সেদিন রাত্রেও আমি আমার ব্যক্তিগত ফ্লাটে তাদেরকে রাত্রিযাপন করতে দিয়েছি, আপ্যায়নও করেছি।
এই মালিক আরও বলেন, বদরুজ্জামান এবং তার স্ত্রী আমার মত একজন ব্যবসায়ীর মানহানি করেছেন।
এর আগেও বহুবার করেছে। যেটি আমার জন্য লজ্জাজনক, আমি জীবনে অনেক কষ্ট করে বাড়িঘর সম্পদ করেছি। আমার ব্যক্তিত্বকে নিয়ে তারা খেলেছে। তার শিশু বাচ্চাকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছে। গণমাধ্যমের কাছে মিথ্যা তথ্য প্রচার করেছে। আমি প্রতিটি মিথ্যা মামলার বিরুদ্ধে নিন্দা প্রকাশ করছি।
তিনি আরও বলেন, আমার কাছে যদি তারা টাকা পয়সা পেয়ে থাকে তাদেরকে প্রস্তাব দিলাম কাগজপত্র নিয়ে আসুক আমি সমাধান করে দিব, যেকোন মূল্যে এবং আমি যদি পেয়ে থাকি সেটা তাদেরকে পরিশোধ করতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন