ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের বসুন্ধরা হাউজিং এলাকায় নির্মাণাধীন এক ভবনের ছাদ থেকে পড়ে গোলাম রসুল (৫৫) নামে এক নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।
আজ শুক্রবার (১৫ মে) দুপুর ১টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।নিহত গোলাম রসুলের গ্রামের বাড়ি মাগুরা জেলায়।
তিনি দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ হাউজিং এলাকায় স্ত্রী ও দুই ছেলেকে নিয়ে ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, বসুন্ধরা হাউজিং এলাকার একটি নির্মাণাধীন ভবনের ৬ষ্ঠ তলার ছাদে কাজ করছিলেন গোলাম রসুল। কাজের একপর্যায়ে অসাবধানতাবশত নিচে পড়ে মাথা থেঁতলে গিয়ে মারা যান তিনি।
স্থানীয়দের দাবি, ভবনটিতে শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে কোনো ধরনের সুরক্ষা ব্যবস্থা ছিল না। হেলমেট, সেফটি বেল্ট কিংবা নিরাপত্তা জাল ছাড়াই ঝুঁকিপূর্ণভাবে শ্রমিকদের দিয়ে কাজ করানো হচ্ছিল।
ভবনটির মালিক মো. রাসেল, মো. স্বপন ঢালি ও মো. সাকিব।
এ বিষয়ে মালিক পক্ষের স্বপন ঢালি নামে এক ব্যক্তি বলেন, বিষয়টি নিয়ে দুই পক্ষ থানায় বসেছি। মীমাংসার চেষ্টা চলছে। আমরা ঠিকাদারকে সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে বলেছিলাম। তবে শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়েছে কিনা, সেটা ঠিকাদার বলতে পারবে।
অন্যদিকে ভবনের ঠিকাদার মো. রাজিব বলেন, সেফটির বিষয়টি আমরা ভবনের মালিককে আগেই জানিয়েছিলাম। কিন্তু তারা গুরুত্ব দেয়নি। নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হলে হয়তো আজকের এই দুর্ঘটনা ঘটত না। নিহত চাচার জন্য খুব খারাপ লাগছে।
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার তদন্ত (ওসি) মো. আবুল কালাম আজাদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ মর্গে পাঠিয়েছে। এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ আসেনি।

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ মে ২০২৬
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের বসুন্ধরা হাউজিং এলাকায় নির্মাণাধীন এক ভবনের ছাদ থেকে পড়ে গোলাম রসুল (৫৫) নামে এক নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।
আজ শুক্রবার (১৫ মে) দুপুর ১টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।নিহত গোলাম রসুলের গ্রামের বাড়ি মাগুরা জেলায়।
তিনি দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ হাউজিং এলাকায় স্ত্রী ও দুই ছেলেকে নিয়ে ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, বসুন্ধরা হাউজিং এলাকার একটি নির্মাণাধীন ভবনের ৬ষ্ঠ তলার ছাদে কাজ করছিলেন গোলাম রসুল। কাজের একপর্যায়ে অসাবধানতাবশত নিচে পড়ে মাথা থেঁতলে গিয়ে মারা যান তিনি।
স্থানীয়দের দাবি, ভবনটিতে শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে কোনো ধরনের সুরক্ষা ব্যবস্থা ছিল না। হেলমেট, সেফটি বেল্ট কিংবা নিরাপত্তা জাল ছাড়াই ঝুঁকিপূর্ণভাবে শ্রমিকদের দিয়ে কাজ করানো হচ্ছিল।
ভবনটির মালিক মো. রাসেল, মো. স্বপন ঢালি ও মো. সাকিব।
এ বিষয়ে মালিক পক্ষের স্বপন ঢালি নামে এক ব্যক্তি বলেন, বিষয়টি নিয়ে দুই পক্ষ থানায় বসেছি। মীমাংসার চেষ্টা চলছে। আমরা ঠিকাদারকে সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে বলেছিলাম। তবে শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়েছে কিনা, সেটা ঠিকাদার বলতে পারবে।
অন্যদিকে ভবনের ঠিকাদার মো. রাজিব বলেন, সেফটির বিষয়টি আমরা ভবনের মালিককে আগেই জানিয়েছিলাম। কিন্তু তারা গুরুত্ব দেয়নি। নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হলে হয়তো আজকের এই দুর্ঘটনা ঘটত না। নিহত চাচার জন্য খুব খারাপ লাগছে।
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার তদন্ত (ওসি) মো. আবুল কালাম আজাদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ মর্গে পাঠিয়েছে। এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ আসেনি।

আপনার মতামত লিখুন