ঢাকার কেরানীগঞ্জে বুড়িগঙ্গা নদী থেকে অজ্ঞাত পরিচয় এক যুবকের (২৫) গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে বসিলা নৌ পুলিশ। শনিবার (১৬ মে) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বসিলা ব্রিজের পিলারের পাশে কচুরিপানার ভেতর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, নিহতের পরনে কালো রঙের থ্রি-কোয়ার্টার প্যান্ট ও নীল রঙের ফুলহাতা গেঞ্জি ছিল। মরদেহের গলায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন ছাড়াও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের দাগ লক্ষ্য করা গেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার সকালে স্থানীয়রা বুড়িগঙ্গা নদীর বসিলা ব্রিজের নিচ দিয়ে নৌকাযোগে পারাপার হচ্ছিলেন। এ সময় তারা ব্রিজের পিলারের সঙ্গে কচুরিপানায় আটকানো অবস্থায় একটি লাশ দেখতে পান। পরে তারা পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে নৌপুলিশ সদস্যরা বসিলা ব্রিজের পিলারের পাশ থেকে লাশটি উদ্ধার করে এবং সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে ময়নাতদন্তের জন্য স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ মিটফোর্ড হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
বসিলা নৌপুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই আলাউল হক জানান, ঘটনাস্থলে গিয়ে অজ্ঞাত যুবকের লাশটি উদ্ধার করা হয়। লাশটি ধরালো অস্ত্র দিয়ে গলাকাটা ও শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। লাশটি অন্তত ৮-১০ দিন পানিতে থাকায় হাত-পায়ের চামড়া খসে পড়েছে। পরিচয় শনাক্তের জন্য ফিঙ্গারপ্রিন্ট সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি। ধারণা করা হচ্ছে- অজ্ঞাত যুবকটিকে দুর্বৃত্তরা হত্যা করে লাশ গুম করার উদ্দেশ্যে নদীতে ভাসিয়ে দেন।
ময়নাতদন্তের রিপোর্ট ও পরিচয় জানা গেলে মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
বিষয় : বুড়িগঙ্গা লাশ

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ মে ২০২৬
ঢাকার কেরানীগঞ্জে বুড়িগঙ্গা নদী থেকে অজ্ঞাত পরিচয় এক যুবকের (২৫) গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে বসিলা নৌ পুলিশ। শনিবার (১৬ মে) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বসিলা ব্রিজের পিলারের পাশে কচুরিপানার ভেতর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, নিহতের পরনে কালো রঙের থ্রি-কোয়ার্টার প্যান্ট ও নীল রঙের ফুলহাতা গেঞ্জি ছিল। মরদেহের গলায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন ছাড়াও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের দাগ লক্ষ্য করা গেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার সকালে স্থানীয়রা বুড়িগঙ্গা নদীর বসিলা ব্রিজের নিচ দিয়ে নৌকাযোগে পারাপার হচ্ছিলেন। এ সময় তারা ব্রিজের পিলারের সঙ্গে কচুরিপানায় আটকানো অবস্থায় একটি লাশ দেখতে পান। পরে তারা পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে নৌপুলিশ সদস্যরা বসিলা ব্রিজের পিলারের পাশ থেকে লাশটি উদ্ধার করে এবং সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে ময়নাতদন্তের জন্য স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ মিটফোর্ড হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
বসিলা নৌপুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই আলাউল হক জানান, ঘটনাস্থলে গিয়ে অজ্ঞাত যুবকের লাশটি উদ্ধার করা হয়। লাশটি ধরালো অস্ত্র দিয়ে গলাকাটা ও শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। লাশটি অন্তত ৮-১০ দিন পানিতে থাকায় হাত-পায়ের চামড়া খসে পড়েছে। পরিচয় শনাক্তের জন্য ফিঙ্গারপ্রিন্ট সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি। ধারণা করা হচ্ছে- অজ্ঞাত যুবকটিকে দুর্বৃত্তরা হত্যা করে লাশ গুম করার উদ্দেশ্যে নদীতে ভাসিয়ে দেন।
ময়নাতদন্তের রিপোর্ট ও পরিচয় জানা গেলে মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

আপনার মতামত লিখুন