ঢাকার কণ্ঠ
আপডেট : শনিবার, ৩০ মে ২০২৬ । ০৮:৪৩ মিনিট

নিজেকে আগানগর পশুর হাটের নামমাত্র ইজারাদার দাবি করলেন আনোয়ার হোসেন

নিজেকে আগানগর পশুর হাটের নামমাত্র ইজারাদার দাবি করলেন আনোয়ার হোসেন

কেরানীগঞ্জের আগানগর কোরবানির পশুর হাটকে ঘিরে সুনাম যেমন রয়েছে, তেমনি রয়েছে নানা অভিযোগ ও জনভোগান্তির কথাও। হাটটির ইজারা চুক্তিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ ছিল, ঈদের ১২ ঘণ্টার মধ্যে পশুর বর্জ্য, বাঁশ-কাঠের কাঠামো ও অন্যান্য আবর্জনা অপসারণ করতে হবে। উপজেলা প্রশাসন থেকেও বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশ করা হয়েছিল।

তবে ঈদুল আজহার দুই দিন পেরিয়ে গেলেও সরেজমিনে দেখা গেছে, হাটের বর্জ্য অপসারণ তো দূরের কথা, পশু রাখার জন্য তৈরি করা বাঁশ-কাঠের প্যান্ডেলগুলোও এখনো খোলা হয়নি। পুরো এলাকা জুড়ে ছড়িয়ে রয়েছে ময়লা-আবর্জনা, যা পরিবেশ ও চলাচলে মারাত্মক বিঘ্ন সৃষ্টি করছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, হাটটির চারপাশে ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, কবরস্থান, ইউনিয়ন পরিষদ, স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসাসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর ফলে এলাকাজুড়ে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছে এবং স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হচ্ছে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। বিশেষ করে শিশু ও পথচারীরা এই পরিস্থিতিতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।

একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা অভিযোগ করে বলেন, হাট থেকে আয় হলেও জনসাধারণের দুর্ভোগের বিষয়টি কেউ দেখছে না। বর্তমানে ওই পথ দিয়ে চলাচল করাও কষ্টকর হয়ে পড়েছে।

অন্যদিকে হাট ইজারাদার আনোয়ার হোসেন দাবি করেছেন, তিনি শুধুমাত্র নামমাত্র ইজারাদার। পুরো কার্যক্রম ও দায়িত্ব বিএনপির সমর্থিত কয়েকজন নেতার হাতে রয়েছে। তিনি বলেন, “আমি দুই পয়সাও এখনো খাইনি। সব দায়িত্ব ইমান উল্লাহ মাস্তান ও সপু সাহেবের কাছে দেওয়া আছে।”

এ বিষয়ে অভিযোগের প্রেক্ষিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার উমর ফারুকের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ বাড়ছে, এবং দ্রুত বর্জ্য অপসারণ ও পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার দাবি উঠেছে।

বিষয় : আনোয়ার হোসেন কোরবানির পশুর হাট আগানগর পশুর হাট

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ঢাকার কণ্ঠ

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬


নিজেকে আগানগর পশুর হাটের নামমাত্র ইজারাদার দাবি করলেন আনোয়ার হোসেন

প্রকাশের তারিখ : ২৯ মে ২০২৬

featured Image

কেরানীগঞ্জের আগানগর কোরবানির পশুর হাটকে ঘিরে সুনাম যেমন রয়েছে, তেমনি রয়েছে নানা অভিযোগ ও জনভোগান্তির কথাও। হাটটির ইজারা চুক্তিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ ছিল, ঈদের ১২ ঘণ্টার মধ্যে পশুর বর্জ্য, বাঁশ-কাঠের কাঠামো ও অন্যান্য আবর্জনা অপসারণ করতে হবে। উপজেলা প্রশাসন থেকেও বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশ করা হয়েছিল।

তবে ঈদুল আজহার দুই দিন পেরিয়ে গেলেও সরেজমিনে দেখা গেছে, হাটের বর্জ্য অপসারণ তো দূরের কথা, পশু রাখার জন্য তৈরি করা বাঁশ-কাঠের প্যান্ডেলগুলোও এখনো খোলা হয়নি। পুরো এলাকা জুড়ে ছড়িয়ে রয়েছে ময়লা-আবর্জনা, যা পরিবেশ ও চলাচলে মারাত্মক বিঘ্ন সৃষ্টি করছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, হাটটির চারপাশে ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, কবরস্থান, ইউনিয়ন পরিষদ, স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসাসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর ফলে এলাকাজুড়ে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছে এবং স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হচ্ছে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। বিশেষ করে শিশু ও পথচারীরা এই পরিস্থিতিতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।

একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা অভিযোগ করে বলেন, হাট থেকে আয় হলেও জনসাধারণের দুর্ভোগের বিষয়টি কেউ দেখছে না। বর্তমানে ওই পথ দিয়ে চলাচল করাও কষ্টকর হয়ে পড়েছে।

অন্যদিকে হাট ইজারাদার আনোয়ার হোসেন দাবি করেছেন, তিনি শুধুমাত্র নামমাত্র ইজারাদার। পুরো কার্যক্রম ও দায়িত্ব বিএনপির সমর্থিত কয়েকজন নেতার হাতে রয়েছে। তিনি বলেন, “আমি দুই পয়সাও এখনো খাইনি। সব দায়িত্ব ইমান উল্লাহ মাস্তান ও সপু সাহেবের কাছে দেওয়া আছে।”

এ বিষয়ে অভিযোগের প্রেক্ষিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার উমর ফারুকের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ বাড়ছে, এবং দ্রুত বর্জ্য অপসারণ ও পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার দাবি উঠেছে।


ঢাকার কণ্ঠ

সম্পাদক: লিটন মাহমুদ
প্রধান সম্পাদক: মো: আল-আমীন (পনির)
নির্বাহী সম্পাদক: শেখ ফরিদ

কপিরাইট © ২০২৫ ঢাকার কণ্ঠ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত