ঢাকার কেরাণীগঞ্জ মডেল থানার রোহিতপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডে ৭৬৯ জন উপকারভোগীর মাঝে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হয়েছে।
বুধবার (১৭ জুন) বিকেলে কেরাণীগঞ্জ উপজেলা চত্বরে উপজেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের আয়োজনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করেন ঢাকা-২ আসনের সংসদ সদস্য আমান উল্লাহ আমান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, “বিএনপি যা বলে, তাই করে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জনগণের কল্যাণে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তা বাস্তবায়ন করছেন। ফ্যামিলি কার্ড ছিল প্রধানমন্ত্রীর একটি অঙ্গীকার, আর সেই অঙ্গীকার বাস্তবায়নের কাজ চলছে। যারা এখনও কার্ড পাননি, তারাও পর্যায়ক্রমে এই সুবিধার আওতায় আসবেন।”
তিনি আরও বলেন, “সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার দেখানো পথ অনুসরণ করেই তারেক রহমান দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। দারিদ্র্য বিমোচনে ফ্যামিলি কার্ড একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ, যা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”
ফ্যামিলি কার্ড গ্রহণ করতে আসা উপকারভোগীরা এ কর্মসূচিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং সরকারপ্রধানসহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও দোয়া কামনা করেন।

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ জুন ২০২৬
ঢাকার কেরাণীগঞ্জ মডেল থানার রোহিতপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডে ৭৬৯ জন উপকারভোগীর মাঝে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হয়েছে।
বুধবার (১৭ জুন) বিকেলে কেরাণীগঞ্জ উপজেলা চত্বরে উপজেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের আয়োজনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করেন ঢাকা-২ আসনের সংসদ সদস্য আমান উল্লাহ আমান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, “বিএনপি যা বলে, তাই করে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জনগণের কল্যাণে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তা বাস্তবায়ন করছেন। ফ্যামিলি কার্ড ছিল প্রধানমন্ত্রীর একটি অঙ্গীকার, আর সেই অঙ্গীকার বাস্তবায়নের কাজ চলছে। যারা এখনও কার্ড পাননি, তারাও পর্যায়ক্রমে এই সুবিধার আওতায় আসবেন।”
তিনি আরও বলেন, “সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার দেখানো পথ অনুসরণ করেই তারেক রহমান দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। দারিদ্র্য বিমোচনে ফ্যামিলি কার্ড একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ, যা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”
ফ্যামিলি কার্ড গ্রহণ করতে আসা উপকারভোগীরা এ কর্মসূচিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং সরকারপ্রধানসহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও দোয়া কামনা করেন।

আপনার মতামত লিখুন