ঢাকার কণ্ঠ
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬ । ১২:২০ মিনিট

কেরানীগঞ্জে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যার দায়ে স্বামীর যাবজ্জীবন

কেরানীগঞ্জে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যার দায়ে স্বামীর যাবজ্জীবন
ছবি: ঢাকার কণ্ঠ

ঢাকার কেরানীগঞ্জ মডেল থানাধীন এলাকায় যৌতুকের দাবিতে স্ত্রী মোসাঃ শাহানুর আক্তারকে হত্যার অভিযোগে করা মামলায় স্বামী মো. জাহাঙ্গীর আলমে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। 

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) ঢাকার ৪ এর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান এই ঘোষণা করেন। 

সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. এরশাদ আলম (জর্জ) এতথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, দণ্ডের পাশাপাশি তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। রায় ঘোষণার সময় কারাগারে থেকে আসামি মো. জাহাঙ্গীর আলমকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর সাজা পরোয়ানা দিয়ে আবারও তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। 

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ১১/১২ বছর আগে  ভিকটিম মোসা. শাহানুর আক্তার ১ম স্বামী মো. হারুনের মৃত্যুর পর আসামি মো. জাহাঙ্গীর আলমের সাথে দ্বিতীয় বিবাহ করেন। আসামি ও ভিকটিম কেরানীগঞ্জ মডেল থানাধীন খালপাড় এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে দিন মজুরের কাজ করার পাশাপাশি মানুষের বাড়ি থেকে ময়লা টানার কাজ করতেন। 

আসামি নেশা করতেন এবং ভিকটিমের কাছে যৌতুক দাবি করতেন। তাদের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়াঝাটি লেগে থাকত। ২০১৮ সালের ২০ নভেম্বর ভিকটিমের মেয়ে ঘুম থেকে উঠে নাচ্চ খাওয়ার জন্য তার মাকে ডাকার জন্য ঘরে গিয়ে দেখেন ঘরের দরজা বাহির থেকে আটকানো। এরপর তার ভাই মো. হৃদয়কে ডাকেন। পরবর্তীতে তারা দুইজন দরজা খুলে ভিতরে ঢুকে, খাটের উপর ভিকটিমের গলাকাটা রক্তাক্ত মৃতদেহ কাঁথা দিয়ে ঢাকা অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। তবে ওই সময়ে ঘরের মধ্যে আসামি ছিলেন না। 

ওই ঘটনায় নিহতের ভাই জামাল উদ্দিন বাদী হয়ে কেরানীগঞ্জ থানায় মামলাটি দায়ের করেন। 

২০১৯ সালের ১৪ জুন মামলাটি তদন্ত শেষেআসামি জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা কেরানীগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক মো. রফিকুল ইসলাম। এরপর আসামি বিরুদ্ধে চার্জশিট গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।

বিষয় : কেরানীগঞ্জ স্ত্রী হত্যা

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ঢাকার কণ্ঠ

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬


কেরানীগঞ্জে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যার দায়ে স্বামীর যাবজ্জীবন

প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুলাই ২০২৬

featured Image

ঢাকার কেরানীগঞ্জ মডেল থানাধীন এলাকায় যৌতুকের দাবিতে স্ত্রী মোসাঃ শাহানুর আক্তারকে হত্যার অভিযোগে করা মামলায় স্বামী মো. জাহাঙ্গীর আলমে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। 

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) ঢাকার ৪ এর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান এই ঘোষণা করেন। 

সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. এরশাদ আলম (জর্জ) এতথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, দণ্ডের পাশাপাশি তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। রায় ঘোষণার সময় কারাগারে থেকে আসামি মো. জাহাঙ্গীর আলমকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর সাজা পরোয়ানা দিয়ে আবারও তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। 

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ১১/১২ বছর আগে  ভিকটিম মোসা. শাহানুর আক্তার ১ম স্বামী মো. হারুনের মৃত্যুর পর আসামি মো. জাহাঙ্গীর আলমের সাথে দ্বিতীয় বিবাহ করেন। আসামি ও ভিকটিম কেরানীগঞ্জ মডেল থানাধীন খালপাড় এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে দিন মজুরের কাজ করার পাশাপাশি মানুষের বাড়ি থেকে ময়লা টানার কাজ করতেন। 

আসামি নেশা করতেন এবং ভিকটিমের কাছে যৌতুক দাবি করতেন। তাদের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়াঝাটি লেগে থাকত। ২০১৮ সালের ২০ নভেম্বর ভিকটিমের মেয়ে ঘুম থেকে উঠে নাচ্চ খাওয়ার জন্য তার মাকে ডাকার জন্য ঘরে গিয়ে দেখেন ঘরের দরজা বাহির থেকে আটকানো। এরপর তার ভাই মো. হৃদয়কে ডাকেন। পরবর্তীতে তারা দুইজন দরজা খুলে ভিতরে ঢুকে, খাটের উপর ভিকটিমের গলাকাটা রক্তাক্ত মৃতদেহ কাঁথা দিয়ে ঢাকা অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। তবে ওই সময়ে ঘরের মধ্যে আসামি ছিলেন না। 

ওই ঘটনায় নিহতের ভাই জামাল উদ্দিন বাদী হয়ে কেরানীগঞ্জ থানায় মামলাটি দায়ের করেন। 

২০১৯ সালের ১৪ জুন মামলাটি তদন্ত শেষেআসামি জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা কেরানীগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক মো. রফিকুল ইসলাম। এরপর আসামি বিরুদ্ধে চার্জশিট গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।


ঢাকার কণ্ঠ

সম্পাদক: লিটন মাহমুদ
প্রধান সম্পাদক: মো: আল-আমীন (পনির)
নির্বাহী সম্পাদক: শেখ ফরিদ

কপিরাইট © ২০২৫ ঢাকার কণ্ঠ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত