ঢাকার কেরানীগঞ্জে অনুমোদনবিহীন, মেয়াদোত্তীর্ণ, নকল ও ভেজাল প্রসাধনী এবং যৌন উত্তেজক ওষুধ উৎপাদন ও বিক্রির অভিযোগে দুই প্রতিষ্ঠানকে ২ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে র্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে একটি কারখানা বন্ধ করে বিপুল পরিমাণ নকল প্রসাধনী ও যৌন উত্তেজক ওষুধ জব্দের পর ধ্বংস করা হয়েছে।
রোববার (১৬ আগস্ট) কেরানীগঞ্জ মডেল থানার মুসলিমাবাদ এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। র্যাব সদর দপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবু হাসান-এর নেতৃত্বে এবং র্যাব-১০-এর সহযোগিতায় ভ্রাম্যমাণ আদালতটি পরিচালিত হয়। অভিযানে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই), ঢাকার কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
র্যাব জানায়, অভিযানকালে বিএসটিআইয়ের অনুমোদন না থাকা, মেয়াদোত্তীর্ণ, নকল ও ভেজাল প্রসাধনী সামগ্রী এবং যৌন উত্তেজক ওষুধ উৎপাদন ও বিক্রির প্রমাণ পাওয়া যায়।
এ সময় চৌধুরাণী আয়ুর্বেদিকের স্বত্বাধিকারী মাহফুজা ইয়াসমিনকে ২ লাখ টাকা এবং আনোয়ার হোসেন (৪৫)কে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। পাশাপাশি একটি কারখানা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
অভিযানকালে বিপুল পরিমাণ নকল প্রসাধনী সামগ্রী ও যৌন উত্তেজক ওষুধ জব্দ করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্দেশে জব্দ করা এসব পণ্য ধ্বংস করা হয়।
র্যাব জানায়, প্রতিষ্ঠার পর থেকেই দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি মাদক, জালিয়াতি, ভেজাল ও নকল পণ্য, প্রসাধনী ও ওষুধসহ বিভিন্ন সামাজিক অপরাধ দমন ও প্রতিরোধে অভিযান পরিচালনা করে আসছে সংস্থাটি।
র্যাবের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, জনস্বার্থে ভেজাল ও প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। এসব অবৈধ কার্যক্রমের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে
বিষয় : কেরানীগঞ্জ

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ আগস্ট ২০২৬
ঢাকার কেরানীগঞ্জে অনুমোদনবিহীন, মেয়াদোত্তীর্ণ, নকল ও ভেজাল প্রসাধনী এবং যৌন উত্তেজক ওষুধ উৎপাদন ও বিক্রির অভিযোগে দুই প্রতিষ্ঠানকে ২ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে র্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে একটি কারখানা বন্ধ করে বিপুল পরিমাণ নকল প্রসাধনী ও যৌন উত্তেজক ওষুধ জব্দের পর ধ্বংস করা হয়েছে।
রোববার (১৬ আগস্ট) কেরানীগঞ্জ মডেল থানার মুসলিমাবাদ এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। র্যাব সদর দপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবু হাসান-এর নেতৃত্বে এবং র্যাব-১০-এর সহযোগিতায় ভ্রাম্যমাণ আদালতটি পরিচালিত হয়। অভিযানে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই), ঢাকার কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
র্যাব জানায়, অভিযানকালে বিএসটিআইয়ের অনুমোদন না থাকা, মেয়াদোত্তীর্ণ, নকল ও ভেজাল প্রসাধনী সামগ্রী এবং যৌন উত্তেজক ওষুধ উৎপাদন ও বিক্রির প্রমাণ পাওয়া যায়।
এ সময় চৌধুরাণী আয়ুর্বেদিকের স্বত্বাধিকারী মাহফুজা ইয়াসমিনকে ২ লাখ টাকা এবং আনোয়ার হোসেন (৪৫)কে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। পাশাপাশি একটি কারখানা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
অভিযানকালে বিপুল পরিমাণ নকল প্রসাধনী সামগ্রী ও যৌন উত্তেজক ওষুধ জব্দ করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্দেশে জব্দ করা এসব পণ্য ধ্বংস করা হয়।
র্যাব জানায়, প্রতিষ্ঠার পর থেকেই দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি মাদক, জালিয়াতি, ভেজাল ও নকল পণ্য, প্রসাধনী ও ওষুধসহ বিভিন্ন সামাজিক অপরাধ দমন ও প্রতিরোধে অভিযান পরিচালনা করে আসছে সংস্থাটি।
র্যাবের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, জনস্বার্থে ভেজাল ও প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। এসব অবৈধ কার্যক্রমের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে

আপনার মতামত লিখুন