জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের চেতনা নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে কেরানীগঞ্জে শুরু হয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ভিত্তিক জাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা।
দেশব্যাপী নজরুল বর্ষ উদযাপনের অংশ হিসেবে আজ সোমবার (৩১ আগস্ট) উপজেলা পরিষদের মিলনায়তনে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এর উদ্বোধন করা হয়।
সকাল ১১টায় শুরু হওয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. উমর ফারুক। সভাপতিত্ব করেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. জাকির হোসেন মোল্লা।
অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন দপ্তর প্রধান, শিক্ষানুরাগী, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, গণমাধ্যমকর্মী ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনায় বক্তারা বলেন, নজরুলের সাম্য ও মানবতার বাণী ছড়িয়ে দিতে এমন আয়োজনের বিকল্প নেই। শিক্ষার্থীদের মাঝে কবির সাহিত্য ও বিদ্রোহী চেতনা তুলে ধরতেই এই প্রতিযোগিতা।
প্রধান অতিথি মো. উমর ফারুক বলেন, "নজরুলকে আমাদের ধারণ করতে হবে। তার কবিতা ও গানে প্রকৃতি, দারিদ্র্য, বিদ্রোহ, প্রেম ও ধর্মীয় সম্প্রীতির কথা উঠে এসেছে। তার জীবন ও কর্ম আমাদের জন্য অনুকরণীয়।"
আলোচনা পর্বের পর উপজেলার বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে কবিতা আবৃত্তি, দেশাত্মবোধক গান ও নৃত্য পরিবেশিত হয়।
আয়োজকরা জানান, আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত উপজেলার সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পর্যায়ক্রমে এই প্রতিযোগিতা চলবে।

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ আগস্ট ২০২৬
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের চেতনা নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে কেরানীগঞ্জে শুরু হয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ভিত্তিক জাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা।
দেশব্যাপী নজরুল বর্ষ উদযাপনের অংশ হিসেবে আজ সোমবার (৩১ আগস্ট) উপজেলা পরিষদের মিলনায়তনে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এর উদ্বোধন করা হয়।
সকাল ১১টায় শুরু হওয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. উমর ফারুক। সভাপতিত্ব করেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. জাকির হোসেন মোল্লা।
অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন দপ্তর প্রধান, শিক্ষানুরাগী, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, গণমাধ্যমকর্মী ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনায় বক্তারা বলেন, নজরুলের সাম্য ও মানবতার বাণী ছড়িয়ে দিতে এমন আয়োজনের বিকল্প নেই। শিক্ষার্থীদের মাঝে কবির সাহিত্য ও বিদ্রোহী চেতনা তুলে ধরতেই এই প্রতিযোগিতা।
প্রধান অতিথি মো. উমর ফারুক বলেন, "নজরুলকে আমাদের ধারণ করতে হবে। তার কবিতা ও গানে প্রকৃতি, দারিদ্র্য, বিদ্রোহ, প্রেম ও ধর্মীয় সম্প্রীতির কথা উঠে এসেছে। তার জীবন ও কর্ম আমাদের জন্য অনুকরণীয়।"
আলোচনা পর্বের পর উপজেলার বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে কবিতা আবৃত্তি, দেশাত্মবোধক গান ও নৃত্য পরিবেশিত হয়।
আয়োজকরা জানান, আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত উপজেলার সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পর্যায়ক্রমে এই প্রতিযোগিতা চলবে।

আপনার মতামত লিখুন