ঢাকার কণ্ঠ
আপডেট : সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬ । ০৭:২৮ মিনিট

কেরানীগঞ্জে অটোরিকশা চালক হত্যা: তিন ছিনতাইকারীর মৃত্যুদণ্ড

কেরানীগঞ্জে অটোরিকশা চালক হত্যা: তিন ছিনতাইকারীর মৃত্যুদণ্ড
ক্রেডিট: ঢাকার কষ্ঠ

প্রায় পাঁচ বছর আগে ঢাকার কেরানীগঞ্জে অটোরিকশাচালক জুয়েলকে হত্যা করে অটোরিকশা ছিনতাইয়ের মামলায় তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (৩১ আগস্ট) ঢাকার ৮ম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মুহাম্মদ মুনির হোসাঈন এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- আলী হোসেন, লুৎফর রহমান ও হাসান। তাদের প্রত্যেককে পাঁচ লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অর্থদণ্ড অনাদায়ে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। ছিনতাইয়ের দায়ে তাদের আরও পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া ছিনতাই করা অটোরিকশা জেনেও কম দামে কেনার অভিযোগে গ্যারেজ মালিক আহমদুর রহমানকে তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তিনি পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২০ সালের ১৫ অক্টোবর অটোরিকশা নিয়ে বের হন জুয়েল। পরে রুহিতপুর বাজার থেকে আলী হোসেন ও লুৎফর রহমান যাত্রীবেশে তার অটোরিকশা ভাড়া করেন। ভাষানচর কাঠবাগান এলাকায় যাওয়ার পর তাদের সঙ্গে হাসানসহ আরও একজন যোগ দেয়।

এরপর জুয়েলকে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ধইঞ্চা ক্ষেতে নিয়ে হত্যা করা হয়। তার সঙ্গে থাকা মোবাইল ফোন, নগদ টাকা ও অটোরিকশা নিয়ে পালিয়ে যায় আসামিরা। জুয়েল বাড়িতে না ফেরায় স্বজনেরা খোঁজাখুঁজি শুরু করলে পরে ধইঞ্চা ক্ষেত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় জুয়েলের বোন সাবিনা কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় মামলা করেন। তদন্ত শেষে ২০২১ সালে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। ২০২২ সালের ২৮ জুলাই আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু হয়। বিচার চলাকালে আদালত ১৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।

রায় ঘোষণার আগে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত তিন আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। রায় শেষে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

বিষয় : কেরানীগঞ্জ অটোরিকশা চালক হত্যা

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ঢাকার কণ্ঠ

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬


কেরানীগঞ্জে অটোরিকশা চালক হত্যা: তিন ছিনতাইকারীর মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশের তারিখ : ৩১ আগস্ট ২০২৬

featured Image

প্রায় পাঁচ বছর আগে ঢাকার কেরানীগঞ্জে অটোরিকশাচালক জুয়েলকে হত্যা করে অটোরিকশা ছিনতাইয়ের মামলায় তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (৩১ আগস্ট) ঢাকার ৮ম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মুহাম্মদ মুনির হোসাঈন এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- আলী হোসেন, লুৎফর রহমান ও হাসান। তাদের প্রত্যেককে পাঁচ লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অর্থদণ্ড অনাদায়ে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। ছিনতাইয়ের দায়ে তাদের আরও পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া ছিনতাই করা অটোরিকশা জেনেও কম দামে কেনার অভিযোগে গ্যারেজ মালিক আহমদুর রহমানকে তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তিনি পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২০ সালের ১৫ অক্টোবর অটোরিকশা নিয়ে বের হন জুয়েল। পরে রুহিতপুর বাজার থেকে আলী হোসেন ও লুৎফর রহমান যাত্রীবেশে তার অটোরিকশা ভাড়া করেন। ভাষানচর কাঠবাগান এলাকায় যাওয়ার পর তাদের সঙ্গে হাসানসহ আরও একজন যোগ দেয়।

এরপর জুয়েলকে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ধইঞ্চা ক্ষেতে নিয়ে হত্যা করা হয়। তার সঙ্গে থাকা মোবাইল ফোন, নগদ টাকা ও অটোরিকশা নিয়ে পালিয়ে যায় আসামিরা। জুয়েল বাড়িতে না ফেরায় স্বজনেরা খোঁজাখুঁজি শুরু করলে পরে ধইঞ্চা ক্ষেত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় জুয়েলের বোন সাবিনা কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় মামলা করেন। তদন্ত শেষে ২০২১ সালে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। ২০২২ সালের ২৮ জুলাই আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু হয়। বিচার চলাকালে আদালত ১৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।

রায় ঘোষণার আগে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত তিন আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। রায় শেষে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।


ঢাকার কণ্ঠ

সম্পাদক: লিটন মাহমুদ
প্রধান সম্পাদক: মো: আল-আমীন (পনির)
নির্বাহী সম্পাদক: শেখ ফরিদ

কপিরাইট © ২০২৫ ঢাকার কণ্ঠ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত